শত্রু দমন করব কিভাবে?
4 Answers
সুন্দর এই পৃথিবী কেউ যখন সাফল্যের পথ দেখতে শুরে করে তখন তার শত্রু বাড়ে। কেননা তখন মানুষ মনে মনে বলে উড়ছ উড়ো তোমার অবস্থা খারাপ করে দেব।মানব জাতির বড় সমস্যা হলো হিংসা । হিংসা আগুনের মত। মানুষকে জালিয়ে পুড়িয়ে শেষ করে দিতে পাড়ে। " সকল ধর্মেই বলা হয়- হিংসা করা পাপের কাজ- আপনি সকলের মন জয় করে চলার চেষ্টা করুন।আর আল্লাহ্ তায়ালার উপর ভরসা রাখুন। আল্লাহ্ তায়ালার নিষেধ আছে - ভুলের বসে এমন কাজ করবেন না- আশাকরি সমস্যার সমাধান হবে।
আপনি কিছু আমল করে দেখতে পারেন।প্রতি নামাজের পর ২৫ বার সূরা হিজরের ৯৫ নং আয়াত انا كفيناك المستهزئين পড়ে দেখতে পারেন।
আপনি নিচের দুআটি পাঠ করতে পারেন। কারণ হাদীসে এসেছে (এবং হাদীসটি সহীহ) যে, কেউ কার পক্ষ থেকে শত্রুতার আশংকা করলে সে যেন এই দুআটি পাঠ করে।- সুনানে আবু দাউদ: হা. ১৫৩৭
اللهم إنا نجعلك في نحورهم ونعوذ بك من شرورهم
প্রিয়নবী (সা:) হাদিসে ইরশাদ করেন, ‘আল্লাহ তাআলার ৯৯টি গুণবাচক নাম রয়েছে; যে ব্যক্তি এ গুণবাচক নামগুলোর জিকির করবে; সে জান্নাতে যাবে।’এ গুণবাচক নামগুলোর আলাদা আলাদা আমল এবং অনেক ফজিলত রয়েছে। আল্লাহ তাআলার গুণবাচক নাম সমূহের মধ্যে একটি হল: উচ্চারণ: ‘আল-ক্বাউয়িয়্যু’ অর্থ: ‘সর্ব শক্তিমান’ আল্লাহর গুণবাচক নাম ‘আল-ক্বাউয়িয়্যু’-এর জিকিরের ফজিলত তুলে ধরা হলো:- ১. কোনো মানুষের শত্রু যদি এমন শক্তিশালী হয় যে, তাকে প্রতিহত করতে অক্ষম। তবে আল্লাহ তাআলার পবিত্র গুণবাচক নাম ‘আল-ক্বাউয়িয়্যু’-এর আমলের মাধ্যমে শক্তিশালী শত্রুর হাত থেকে মুক্ত হওয়া সম্ভব। ২. তাছাড়া জুমআর রাতে আল্লাহ তাআলার পবিত্র গুণবাচক নাম ‘আল-ক্বাউয়িয়্যু’- অত্যাধিক পাঠ করলে ভুলে যাওয়ার রোগ হতে রক্ষা পাওয়া যায়। ৩. আর কোনো শিশু যদি মায়ের দুধ খাওয়া ছাড়ানোর পর ধৈর্যহীন হয়ে পড়ে তবে আল্লাহ তাআলার পবিত্র গুণবাচক নাম ‘আল-ক্বাউয়িয়্যু’- লিখে পানি দ্বারা গুলিয়ে খাওয়ালে ওই শিশু শান্ত হয়ে যাবে।