2 Answers
আপনি প্রতিদিন আপাততো দুবেলা.. সকাল ও রাতে হাত দিয়ে পুরো জিহবা ঘষবেন। এতে জিহবায় ময়লা জমবে না ফলে আপনার জিহবায় ঘা হওয়ার আশংকা 70% কমে যাবে।আর নিয়মিত ভিটামিন সি জাতীয় ফল খাবেন।
মুখে ঘা হলে করণীয় :
মুখের ভেতর, জিহ্বায় বা গালের ভেতর ঘা হলে অনেকেই ঘাবড়ে যান। বারবার এমন সমস্যায় আক্রান্ত হন কেউ কেউ। এটা বেশ যন্ত্রণাদায়ক। কারণ, খাওয়ার সময় কষ্ট হয়, জ্বালা করে। জেনে নিন, মুখে ঘা হলে কী করবেন।
সাধারণত মুখের কোণে বা ভেতরে যে ঘা হয়, তার নাম অ্যাপথাস আলসার। এটা বারবার হয় এবং সঠিক কারণ অস্পষ্ট। মানসিক উদ্বেগ বা টেনশনে এটা বাড়ে। ভিটামিনের অভাবে এমন ঘা হতে পারে। খুব শক্ত ব্রাশ বা ভুল কৃত্রিম দাঁত ব্যবহার করলেও মুখে ঘা হতে পারে। পরিপাকতন্ত্রের কিছু সমস্যায় এবং কিছু অটোইমিউন রোগের কারণে মুখে ঘা হয়। তা ছাড়া জিহ্বায় ছত্রাক সংক্রমণ হতে পারে। তখন সাদা আস্তরণ পড়ে বা জিহ্বা টকটকে লাল হয়ে যায়। সাধারণত ডায়াবেটিস ও অন্যান্য কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলেই এ রকম সংক্রমণ হয়।
জিহ্বা ও মুখে ঘা হলে অম্লযুক্ত ফলমূল, যেমন- কমলা, লেবু, আনারস, টমেটো ইত্যাদি না খাওয়া ভালো। এসব ফল এবং অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবারে মুখের ঘায়ে জ্বালা হয়। সুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি। রক্তশূন্যতা ও ভিটামিনের অভাব যেন না হয়। প্রচুর তাজা শাকসবজি খান প্রতিদিন।
ধূমপান এবং পান, জর্দা, সুপারি অবশ্যই বর্জনীয়। মনে রাখবেন, যেসব ঘা থেকে ক্যানসার হয়, তার অন্যতম কারণ এগুলো। হালকা নরম শলাকাযুক্ত টুথব্রাশ ব্যবহার করা ভালো। দীর্ঘ সময় ব্রাশ দিয়ে অতিরিক্ত জোরে দাঁত ঘষবেন না। কৃত্রিম দাঁত ইত্যাদি ঠিকঠাক আছে কি না পরখ করে নিন।
রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ করুন, নইলে জিহ্বায় সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। ছত্রাক সংক্রমণ হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ছত্রাকরোধী জেল বা তরল ব্যবহার করতে পারেন। মুখে ঘায়ের সঙ্গে প্রচণ্ড ব্যথা, জ্বর হলে এবং ঘা ছড়িয়ে পড়তে থাকলে বা তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে রয়ে গেলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
আপনার প্রতি শুভ কামনা রইল।