1 Answers
অন্যায় বা খারাপ কাজ এর সাথে যারা জড়িত এদেরকে বলা হয় অ্যান্টি সোস্যাল পার্সোনালিটি। মনস্তাত্ত্বিক এবং শারিরিক দুইভাবেই এটিকে ব্যাখ্যা করা যায়। আপনার বোঝার সুবিদার্থে সহজ এবং সংক্ষিপ্ত ভাবে ব্যাখ্যা করছি- শারীরিক কারন: মানুষের মস্তিষ্কের উত্তেজন এবং প্রদমন ক্রিয়ার মাঝে ভারসাম্য বিনষ্ট হলে এমনটা হয়। যেমন ধরুন আপনার কারো ওপর রাগ হলো। তখন আপনি ভাবলেন যে তাকে মেরে ফেলবেন। এটা হলো মস্তিষ্কের উত্তেজন প্রক্রিয়া। কিন্তু পরক্ষনেই আপনি নিজের রাগকে কন্ট্রোল এ নিয়ে ফেলেন মস্তিষ্কের প্রদমন এর মাধ্যমে। কিন্তু অ্যান্টি সোস্যাল পার্সোনালিটির মানুষ এ প্রদমন করতে পারে না। মস্তিষ্কের ভারসাম্যের বিনষ্টতার কারনে এমনটা হয় বলে মনোবিজ্ঞানীদের ধারনা। . মানসিক কারন: মানুষ মুলত পরিচালিত হয় ইদ, ইগো এবং সুপার ইগোর মাধ্যমে। ইদ হচ্ছে আদিম অথবা পশুসত্তা, ইগো হলো চিন্তাভাবনা করবার ক্ষমতা আর সুপার ইগো হলো ইদ আর ইগোর মধ্যে সমন্বয়কারী। যেমন ধরুন আপনি কারো ওপর রেগে গিয়ে খুন করতে চাইলেন এখানে খুন করতে চাওয়াটা হলো ইদ। পরক্ষনে আপনি ভাবলেন না আপনে এ কাজ কেন করবেন? এটা তো খারাপ কাজ। এ চিন্তাটা হলো ইগো। তখন চিন্তাভাবনা করে নিজেকে কন্ট্রোল করে যার ওপর আপনি রেগে গিয়েছিলেন তাকে দু চারটা কড়া কথা শোনালেন যার ফলে আপনার মন কিছুটা শান'ত হলো এটা হলো সুপার ইগো। . অ্যান্টি সোস্যাল পার্সোনালিটির ক্ষেত্রে এ ইদ, ইগো এবং সুপার ইগোর মধ্যে ভারসাম্য ণষ্ট হয়ে যায় এবং ইগো ও সুপার ইগো কমে গিয়ে ইদের প্রাধান্য বৃদ্ধি পায়। আশা করি আপনার উত্তর পেয়েছেন। ধন্যবাদ।