আমি চুলে শেম্পু ছাড়া আর কিছু দেই না।দিনে ৪-৫ টার মতো চুল উঠে।সানসিল্ক শেম্পু প্রতিদিন ই নেই।আর clear men সাপ্তাহে ২ দিন।সেম্পু না দিলে চুল আঠা আর সাদা সাদা ভাব থাকে।সবসময় চুল হেলদি কালো উজ্জ্বল রাখতে চাই।কোন ক্রিম বা অন্নকিছু? চুল এর কোন ক্ষতি যেনো না হয়।এম্নিতেই hairfall problem  আছে।।
2991 views

3 Answers

চুলের যত্নে ডিম


চুল কন্ডিশনিং করার জন্য ডিমের তুলনা হয় না। চুল ময়েশ্চারাইজারের জন্য ডিমের সাদা অংশ ব্যবহার করা যায়। রুক্ষ চুলে আধা কাপ পরিমাণ ডিম ভালোভাবে ফেটিয়ে তা মাথায় লাগাতে হবে। ২০ মিনিট পর ঠাণ্ডা পরিষ্কার পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে।


চুলের পরিচ্ছন্নতা


চুল পড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ হল মাথার ত্বকের খুশকি ও শুষ্ক ত্বক। আর চুল নিয়মিত পরিষ্কার না করলেই চুল পড়ার সমস্যা বেশি হয়। তাই নিয়মিত মাথার ত্বক ও চুল পরিষ্কার রাখা প্রয়োজন। 


গরম পানি এড়িয়ে চলুন


গরম পানি ব্যবহার করলে মাথা থেকে চুল রক্ষা করার যে তেল বের হয় তা ধুয়ে যায়। ফলে চুল হয়ে পড়ে রুক্ষ ও ভঙ্গুর। ডা. সু্ত্তারের মতে, যারা গরম পানি ব্যবহারে অভ্যস্ত তারা শরীরের তাপমাত্রা থেকে সামান্য বেশি উষ্ণতার পানি ব্যবহার করতে পারেন। অর্থাৎ কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করা যেতে পারে। তবে অতিরিক্ত গরম পানি ত্বক শুষ্ক করে ফেলে এবং চুলেরও ক্ষতি করে।


বিস্তারিত

2991 views

চুল প্রতিদিন শ্যাম্পু করা ঠিক না কারন প্রতিদিন শ্যাম্পু করলে চুলে যে প্রাকৃতিক তেল থাকে তা দূর হয়ে যায় এবং একদিন শ্যাম্পু না করলে মাথা চুলকাবে,প্রাকৃতিক তেল বেশি বের হঔয়ার দরুন চুল আঠালো হবে। আর সানস্লিকের চেয়ে ক্লিয়ার মেন ব্যবহার উত্তম। **আর ভিটামিন ই জাতীয় খাবার খান

2991 views

একজনের চুল এক-এক ধরনের। চুলের ধরন বুঝে যত্ন নিতে হয়। তৈলাক্ত চুলের যত্নঃ-- তৈলাক্ত চুল নানা কারণে হতে পারে।জন্মগত বা বংশগত কারণে। অতিমাত্রায় হরমোনের কারণে। খুব বেশি চুল আঁচড়ানোর ফলে সেবাশিয়াস গ্রন্থি সক্রিয় হয়ে উঠলে। চুল খুব কম পরিষ্কার করলে। যত্ন :-- ব্রাশের বদলে চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়াবেন। তৈলাক্ত চুলের জন্য উপযোগী শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধোবেন ও কন্ডিশনার ব্যবহার করবেন। চুল ধোয়ার সময় শেষবার লেবুর রস মিশ্রিত পানি দিয়ে চুল ধোবেন। মাথায় স্কার্ফ ব্যবহার প্রয়োজন না হলে করবেন না। সুষম খাদ্য গ্রহণে সচেষ্ট হবেন। মিশ্র চুলের যত্ন :-- কিছু চুল আছে যার গোড়ায় তেলতেলে কিন্তু চুলের আগা রুক্ষ। রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করে চুলের স্টাইল যেমন পার্মিং ইত্যাদি করতে গিয়ে এমনটা হতে পারে। যত্নঃ --- তৈলাক্ত চুলের মত ব্রাশের বদলে চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ান। শুষ্ক ও তৈলাক্ত দুই ধরনের শ্যাম্পু এক দিন অন্তর অন্তর ব্যবহার করবেন। শুধু চুলে কন্ডিশনার ব্যবহার করবেন। রাসায়নিকদ্রব্য চুলে ব্যবহার করবেন না। স্বাভাবিক চুলের যত্ন :-- স্বাভাবিক চুল খুবই ভাগ্যের ব্যাপার। বংশগত কারণে চুল স্বাভাবিক সুন্দর হতে পারে। চুলের সঠিক যত্নের কারণেও চুল স্বাভাবিক থাকে। নির্দিষ্ট সময় পরপর চুলের আগা কাটতে হবে। সঠিক কন্ডিশনার ও শ্যাম্পু ব্যবহার প্রয়োজন। রাসায়নিক উপাদান পরিহার করতে হবে। সপ্তাহে এক দিন ম্যাসাজ করা ভালো। চুল খুব টেনে বাঁধবেন না, দিনে দু থেকে তিনবার চুল আঁচড়াবেন। ভেজা চুল কখনো বাঁধবেন না। চুলে শ্যাম্পু করাঃ-- চুলের যত্নে চুল পরিষ্কার রাখার জন্য শ্যাম্পু অপরিহার্য উপাদান। হিন্দি শব্দ চ্যাম্পু থেকে শ্যাম্পু এসেছে। এর অর্থ মালিশ বা ম্যাসাজ। এর মানে বোঝা যায় শ্যাম্পু করার সময় আপনার মাথা ম্যাসাজ বা ঘষতে হবে। চুলের ধরন অনুযায়ী শ্যাম্পু বেছে নিতে হবে। তৈলাক্ত চুলে যেমন প্রায় প্রতিদিন শ্যাম্পু করা প্রয়োজন আবার শুষ্ক চুলে তা নয়। হেয়ার স্টাইল, জীবনযাত্রার মান, পরিবেশ দূষণ, আবহাওয়া এগুলোর ওপরে নির্ভর করে আপনি সপ্তাহে কতবার শ্যাম্পু করবেন। তৈলাক্ত চুল, প্রচুর শারীরিক পরিশ্রম, দূষণ, প্রতিদিন বাইরে যাওয়া এমনটা যদি হয় আপনার জীবনযাত্রা তবে প্রতিদিন শ্যাম্পু করতে হবে। কিন্তু অন্যদের ক্ষেত্রে সপ্তাহে দু’দিন শ্যাম্পু ব্যবহার যথেষ্ট। চুলে ময়লা ভাব, মাথা চুলকাচ্ছে এমন হলে সাথে সাথে শ্যাম্পু করবেন। প্রতিদিন প্রয়োজনে শ্যাম্পু করলে চুল পড়ে এটা ভুল ধারণা। তবে অপ্রয়োজনে শ্যাম্পু করলে চুল শুষ্ক হয়ে ওঠে ও চুল ভেঙে যায়। এছাড়া সূর্যতাপ, লবণ পানি, ক্লোরিনযুক্ত পানি চুলের ক্ষতি করে। এরকম হলে যথাযথ শ্যাম্পু ব্যবহার করে চুলের লবণ ভাব, ক্লোরিন ইত্যাদি দূর করতে হবে। শ্যাম্পু করার পদ্ধতিঃ -- হালকা গরম পানিতে সম্পূর্ণ চুল ভিজিয়ে নিন। হাতে শ্যাম্পু ঢেলে নিন এবং দু’হাতে ঘষে নিয়ে তারপর পুরো মাথায় লাগান। আঙুলের ডগা দিয়ে ম্যাসাজ করে শ্যাম্পু লাগান। প্রয়োজনে চুল লম্বা হলে আবার শ্যাম্পু নিয়ে হাতে ঘষে তারপর চুলে লাগান। এভাবে কিছুক্ষণ হালকাভাবে ঘষার পরে চুল প্রচুর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্রয়োজনে পুনরায় শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন। চুল পরিষ্কার হয়েছে কি না, তৈলাক্ত ভাব কেটেছে কি না, আপনি হাত দিয়েই তা বুঝবেন। শ্যাম্পু পরিষ্কার করার জন্য প্রচুর পানি দিয়ে ধোবেন যাতে শ্যাম্পুর অবশিষ্ট অংশ চুলে লেগে না থাকে। শ্যাম্পু করার পর চুল খুব বেশি ঘষাঘষি না করে নরম তোয়ালে দিয়ে পেঁচিয়ে রাখবেন। মোটা দাঁতের চিরুনি দিয়ে হালকাভবে চুল আঁচড়ে রাখবেন। ব্রাশ ব্যবহার করবেন না।

2991 views

Related Questions