3 Answers
আল্লাহকে ভয় করুন। আর আখিরাতের কথা স্মরণ করুন।আর নিজেকে বলুন আমারতো সকল কাজে হিসাব দিতে হবে। আর ইবাদতে মগ্ন ও আল্লাহর দেওয়া পুরুষ্কারের কথা চিন্তা করলে এসব বিষয়ের আর গুরুত্ব থাকবে না।
- প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ুন।
- কুরআন পড়ুন
- হাদীস পড়ুন
- ফেসবুক থেকে যত সম্ভব দূর থাকুন।কারন ফেসবুকে ঢুকলেই কোন না কোন যায় গায় প্রেমিক প্রেমিকার পোস্ট পাবেনি
- মেয়েদের দিকে তাকানো বন্ধ করুন
- বন্ধুদের এবং পরিবারকে সময় দিন
ছোট্ট একটা উপমা দিচ্ছি---> ধরুন আপনার নানা বাড়িতে একটি আমের গাছ আছে। গাছে আম ধরেছে এবং আম খাওয়ার সময়ও হয়েছে। এই অবস্থায় ঐ গাছের আমটির ভবিষ্যৎ যে ধাপে ধাপে যাবে তা হলো আর একটু বড় হবে> ভেতরের বীজ শক্ত বা পরিপক্ক হবে> এরপর ধিরে ধিরে পাঁকতে থাকবে> একসময় সম্পুর্নভাবে আমটি পেকে যাবে। পাকা আমের গন্ধে চারিদিক ভরে যাবে। রংবেরঙের পাখি আসবে পাকা আমের স্বাধ নিতে। এসময় পাকা আম খাওয়ার জন্য আপনি আপনার নানা বাড়িতে চলে গেলেন। এবং অনেক মজা করে পাকা আম খেলেন। এখন যদি আপনি আম পাকার আগেই তা খেতে চান তাহলে তো কোন মজা পাবেন না। অসময়ের ফল তেতো হয় জানেন তো! মহান আল্লাহ্ তায়ালা প্রত্যক মানুষকে যুগল ভাবে সৃষ্টি করছেন। সময় হলেই মানুষ তার একাকিত্বকে দুর করার জন্য সঙ্গীনিকে পেয়ে যায়। আর এটা পরিপুর্ন করার প্রধান মাধ্যম হচ্ছে বিয়ে। বিবাহ হলো এমন এক নিয়ম যা দুটি জিবনকে একত্র করে। এ বিষয়ে মহান আল্লাহ্ তায়ালা পবিত্র কোরআনে বর্ণনা করেন-- 30:21 وَمِنْ ءَايٰتِهِۦٓ أَنْ خَلَقَ لَكُم مِّنْ أَنفُسِكُمْ أَزْوٰجًا لِّتَسْكُنُوٓا إِلَيْهَا وَجَعَلَ بَيْنَكُم مَّوَدَّةً وَرَحْمَةً ۚ إِنَّ فِى ذٰلِكَ لَءَايٰتٍ لِّقَوْمٍ يَتَفَكَّرُونَ আর তাঁর নিদর্শনাবলীর মধ্যে রয়েছে যে, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের থেকেই স্ত্রীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি পাও। আর তিনি তোমাদের মধ্যে ভালবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন। নিশ্চয় এর মধ্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে সে কওমের জন্য, যারা চিন্তা করে। সত্যের সাথে থাকুন। জিবনে অনেক সুখ পাবেন।