2 Answers
প্রিয় ভাই, আমি আপনার প্রশ্নটা দেখে খুব খুশি হলাম। আমি গত কয়েক বছর ধরে এই বিষয়ে রিসার্চ করছিলাম। আমি অনেক বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা বুজলাম। কিন্তু আজ আপনাকে নিজের ভাইয়ের মতন সহজ ভাষায় বুঝাবার চেষ্টা করব।
প্রিয় ভাই, আমি আপনার প্রশ্নটা দেখে খুব খুশি হলাম। আমি গত কয়েক বছর ধরে এই বিষয়ে রিসার্চ করছিলাম। আমি অনেক বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা বুজলাম। কিন্তু আজ আপনাকে নিজের ভাইয়ের মতন সহজ ভাষায় বুজাবার চেষ্টা করব।
উড়োজাহাজ আকাশে উড়ে
আসলে উড়োজাহাজের গঠনের জন্য। লক্ষ্য করলে দেখবে যে, উড়োজাহাজের ও এর পাখার নীচের দিকটা সমান আর উপরের দিকটা একটু কারভড মানে বাঁকানো থাকে। কার্ভ খেয়াল করার দরকার নেই, জাস্ট দেখো উপরের পীঠের সার্ফেস এরিয়া নীচের থেকে বেশী থাকে। এমনটা কেনো রাখা হয়??
উড়োজাহাজটা যখন চলতে শুরু করে তখন এর সামনের বাতাসকে কেটে সামনে এগিয়ে যেতে হয়। এখন চিত্রে লক্ষ কর,
উপরের বাতাসকে একই সময়ে নীচের বাতাস থেকে বেশী দূরত্ব অতিক্রম করতে হয়। অর্থাৎ, বিমানের উপরের অংশের বাতাসের বেগ নীচের অঞ্চলের বাতাসের বেগ অপেক্ষা বেশী হতে হয়। তাতে আবার কী আসে যায়???
আমরা জানি স্থির বাতাস সবদিকে সমান চাপ প্রয়োগ করে। বাতাসের বেগ বেশী হলে এটি তার চলার অভিমুখে অর্থাৎ এক্ষেত্রে সামনের দিকে অধিক চাপ প্রয়োগ করতে বাধ্য হয়, অর্থাৎ অন্যান্য দিকে কম চাপ প্রয়োগ করে।
তার মানে কী দাঁড়াচ্ছে, উপরের বাতাস বিমানের উপর যে চাপ প্রয়োগ করে, নীচের বাতাস বিমানের উপর তার থেকে বেশী চাপ প্রয়োগ করার সুযোগ পায়। মানে বিমানটি নীচের দিক থেকে বেশী চাপ অনুভব করে, তাই উপরে উঠতে চায়।
বললেই হইলো??? একটু বাতাসের চাপে এতো বড় একটা বিমান উপরে উঠে যাবে???
না যাবে না, কারণ এর জন্য বাতাসের বেগ অনেক বেশী হওয়া প্রয়োজন। তার মানে কী, যেই সব যায়গায় এয়ারপোর্ট থাকে, সেইসব যায়গায় বাতাসের বেগ বেশী???
না রে ভাই। বাতাসের বেগের কন্ট্রোল আমাদের হাতে নাই, ঐটা আল্লাহ তায়ালার হাতেই আছে। তাহলে কী করা যায়???
আচ্ছা, তাহলে আমরা বাতাসের দিকে অনেক বেশী বেগে এগিয়ে যাই, তাহলে বিপরীত দিক থেকে আগত বাতাসের বেগ আমাদের কাছে অনেক বেশী মনে হবে। হুম, তাই তো…
তাহলে বিমানের নীচে কয়েকটা চাকা লাগিয়ে শক্তিশালী একটা ইঞ্জিনের ব্যাবস্থা করা যাক, কিছুদূর দৌড়ে বড়সড় একটা বেগ অর্জিত হলেই বিমান আপনা থেকেই উপরে উঠে যাবে।
অ, আচ্ছা… এর জন্যই এতো বড় একটা রানওয়ে রাখা হয়!!!
এবার আশা করি আপনে বুজছেন। বুঝলে আমার উত্তরটিকে শেরা উত্তর দিবেন।
সহজ ভাষায়, ১.উড়োজাহাজের ২ পাশে ২টা ইঞ্জিন থাকে। ওই ২টাই মেইন ইঞ্জিন। ২.আর চলতে তরল ঘন ফুয়েল লাগে যা কিনা ডিসটিলেশন বা অনেক পাতন বা রিফাইন করে খনি থেকে পাওয়া যায় যেমনটি পাওয়া যায় কেরোসিন,ডিজেল,তেল,প্রোট্রোল ইত্যাদি।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy