কেউ বাদ দিছেন এরকম বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকলে বলুন।

2973 views

5 Answers

ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। ধূমপানের কুফল হিসেবে ফুসফুসের ক্যান্সার, হার্টের রক্তনালী সরু হয়ে হার্ট এ্যাটাকের ঝুকি বৃদ্ধি, মস্তিস্কে রক্ত চলাচলে বাধা, যৌন ক্ষমতা হ্রাসসহ নানা ক্ষতিকর দিক রয়েছে ধূমপানের। অনেকেই ধূমপান নামক এই ঘাতককে চিরতরে নির্বাসনে দিতে চান কি‘ নানা কারণে ধূমপান আর ছাড়া হয় না। বিশেষজ্ঞগণ ধূমপানের আসক্তি থেকে নিজেকে রক্ষার ১৩টি উপায় বলে দিয়েছেন। এসব অনুসরণ করলে অবশ্যই ধূমপান ছাড়া সম্ভব। এই ১৩টি উপায় হচ্ছে- ০ প্রথমে সিদ্ধান্ত নিন কেন ধূমপান ছাড়া আপনার জন্য জরুরী। অর্থাৎ কি কারণে ধূমপান ছাড়তে চান। যেমন ক্যান্সার ও হার্ট এ্যাটাকের ঝুকি কামাতে। ০ কোন ধরনের থেরাপি বা মেডিকেশন ছাড়া ধূমপান ছাড়া ঠিকনয়। কারণ সিগারেটের নিকোটিনের ওপর ব্রেইন অনেক ক্ষেত্রে নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। ছেড়ে দিলেই নানা উপসর্গ শুরু হয়। তাই সিগারেটের বিকল্প থেরাপির কথা চিন্তা করতে হবে। ০ নিকোটিনের বিকল্প গাম, লজেন্স ইত্যাদি ব্যবহার করতে হবে। ০ নিকোটিনের বিকল্প ওষুধ সেবন করা যেতে পারে। ০ একা একা ধূমপান না ছেড়ে পরিবারের অন্যান্য সদস্য (যদি ধূমপায়ী থাকেন), বন্ধু-বান্ধব ও সহকর্মীদের উৎসাহিত করে একসঙ্গে ধূমপান ত্যাগের ঘোষণা দিন। ০ মানসিক চাপ কমাতে চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে হালকা ম্যাসাজ নিন। ০ অ্যালকোহল পরিহার করুন। ০ মনোযোগ অন্যদিকে নিতে ঘর পরিষ্ক্ষার করতে চেষ্টা করুন। ০ ধূমপান ত্যাগের জন্য বার বার চেষ্টা করুন। একবার ছেড়ে দিলে দ্বিতীয় বার আর ধূমপান করবেন না। ০ নিয়মিত ব্যায়াম করুন। ০ প্রচুর পরিমাণ সবুজ শাক-সবজি ও রঙিন ফলমুল খান। ০ ধূমপান বন্ধ করে যে আর্থিক সাশ্রয় আপনার হবে তার একটা অংশ হালকা বিনোদনে ব্যয় করুন। ০ আর ধূমপান ছাড়-ন বন্ধু-বান্ধব বা প্রেমিককে খুশী করার জন্য নয়, বরং আপনার সুস্বাস্থ্যের জন্যই এটা করেছেন। এমন জোরালো অবস্থান নিন। তথ্যসূত্রঃ http://www.dailybangladesh24.com

2973 views

মানুষ পৃথীবির শ্রেষ্ঠ প্রানী

মানুষ পারে না এমন কোন কাজ নাই।

চাইলে আপনি ও পারবেন কিন্ত তার আগে

নিজের মনবল শক্ত করে নিতে হবে।

এবং তোওবা করতে হবে 

যে ধুমপান আর করবেন না।

আপনি আজ যোহর এর ওয়াক্তে গোসল করে

নামায পড়ার উদ্দেশ্য মসজিদে যান।

সবার আগে যাবেন।

যেয়ে ঈমাম সাহেবের সাথে কথা বলবেন

এবং উনার মাধ্যমে তোওবা পড়ে নিবেন

আযান দিলে নামায এর উদ্দেশ্য কাতারে দাড়াবেন

নামায শেষ করে মহান আল্লাহ্‌তালার কাছে মাফ

চেয়ে নিবেন।

এবং প্রতিজ্ঞা বদ্ধ হবেন আর কখনো ধুমপান করবেন না।

আপনি যখন আল্লাহ্‌ কে কথা দিয়ে ফেলবেন

তখন মনের ভিতর একটা ভয় কাজ করবে।

তখন আর ধুমপান করতে ইচ্ছে করবে না।

যখন ধুমাপান করতে ইচ্ছে করবে তখন

চকলেট খাবেন।

যারা ধুমপান করে তাদের থেকে দূরে থাকবেন

ইনশাল্লাহ আপনি ধুমপান ছেড়ে দিতে পারবেন

2973 views

আপনি যেভাবে ছাড়তে পারেন:

১) একদিন প্রতিজ্ঞা করুন যে আপনি দিনে ৩-৪ সিগারেট খাবেন।

এক মাস বা সপ্তাহ পর প্রতিজ্ঞা করুন দিনে দুইটা তারপর কমাতে কমাতে ০ নিয়ে আসুন। এইভাবেই আপনি পারবেন।

2973 views

তীব্র মানষিক ইচ্ছায় পারে একজন মানুষ কে তার কাজ সফল করে তুলতে।আপনি মন থেকে প্রতিজ্ঞা করুন যে আপনি কখনো সিগারেট খাবেন না।আর আপনার যারা ধুমপায়ী বন্ধু আছে তাদের থেকে আপনি দূরে থাকার চেষ্টা করুন।মনে রাখবেন ধুমপান মৃত্যুর কারণ।

2973 views
পৃথীবিতে অনেক অসম্ভব কাজকেও সম্ভব করেছে মানুষ।আর এটা আল্লাহর দেয়া বড় নেয়ামত।আপনি চাইলে শুধু সিগারেট নয় আরো অনেক অসম্ভব কেও সম্ভব করতে পারবেন।তার জন্য শুধু প্রয়োজন মনের জোর আর ইচ্ছা শক্তি।সিগারেট ছারতে হলে আপনাকে যা যা করতে হবে তা নিচে বর্ণনা করা হলঃ
১)আপনি প্রথমে এটার কুফল সম্পর্কে ধরনা নিন।এবং এর দ্বারা কি কি ক্ষতি হতে পারে তার সম্পর্কে ধারনা অর্জন করুন।
২)এবার প্রতিজ্ঞা বদ্ধ হন যে,আমি আজ থেকে সিগারেট খাওয়া কমিয়ে দেব।
৩)আপনি প্রথমে যদি লেখা পড়া যানেন তাহলে একটা কাগজে একসপ্তাহের জন্য দিন,তারিখ,সকাল,দুপুর,বিকাল লিখে ঘর কাটুন।
৪)সপ্তাহ ১ঃ দৈনিক ৩ টা সিগারেন খাবেন এক সপ্তাহ।এবং খাতায় টিক চিহ্ন দিয়ে রাখবেন।সকালে যখন খাবেন তখন সকালের ঘরে দুপুরে যখন খাবেন দুপুরের ঘরে এবং রাতে যখন খাবেন তখন বিকালের ঘরে টিক চিহ্ন দিয়ে রাখবেন।(একসপ্তাহের জন্য)
৫)সপ্তাহ ২ঃ দৈনিক ২ টা সিগারেট খাবেন।একই নিয়মে।শুধু সকাল বিকাল।
৬) সপ্তাহ ৩ঃ দৈনিক একটা সিগারেট খাবেন যখন অনেক ইচ্ছে করবে।তবে অসময়ে না।শুধু রুটিন অনুযায়ী সকাল বা দুপুর বা বিকাল।আর যেদিন যখন খাবেন তখন ওই ঘরে টিক চিহ্ন দিবেন।
৭)সপ্তাহ ৪ঃরুটিন পরিবর্তন করুন।একদিন পর পর খাবেন  একটা করে।
৮)সপ্তাহ ৫ঃদুই দিন পর পর খাবেন একটা করে।
৯)সপ্তাহ ৬ঃআপনি কিন্তু ছিগারেট থেকে দূরে সরে গেছেন।এবার ইচ্ছে হলে তিন চার দিন পর পর একটা খাইতে পারেন।যদি ইচ্ছে করে তাহলে।আশা করি বুঝতে পারছেন।
১০)আপনি এখন থেকে রোজা রাখার নিয়ত করুন।কারন রোজা আপনাকে সকল গুনাহ হইতে বিরত রাখবে।এমন কি আপনার এই রোজায় যদি আল্লাহ খুশি হয়ে যান।তাহলে আপনার কপাল খুলে গেল।
ধন্যবাদ ভাই।অনেক কষ্ট করে লিখছি।প্লিজ এই রুটিন টা কাজে লাগান।আমার এই একটা কাজে যদি আপনি এই পাপ হইতে বের হয়ে আসেন তাহলে হয়ত আল্লাহ খুশি হয়ে যেতে পারে।কে যানে তার লিলা খেলা বলেন।
2973 views

Related Questions