মুখের দুর্গন্ধ কিভাবে দূর করা যায়?
5 Answers
বিব্রতকর হলেও সত্যি, কথা বলার সময় অনেকের মুখ থেকে দুর্গন্ধ বের হয়। এই সমস্যা যাদের রয়েছে তারাও হয়তো নিয়মিত দাঁত পরিস্কার করেন। তারপরও মুখ থেকে গন্ধটা দূর হয় না। বিশেষজ্ঞরা বলেন, আসলে দাঁতগুলো ঝকঝকে পরিস্কার হলেও মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে। কারণ আমরা যে খাবারগুলো খাই, দাঁতের ফাঁকে আটকে থাকা সেই খাদ্যকণা খেয়ে মুখের ভেতরের জীবাণু বেঁচে থাকে। জীবাণুগুলো যখন এসব খাদ্যকণা খেতে থাকে, তখন খাদ্যকণা ভেঙে দুর্গন্ধযুক্ত গ্যাস উৎপন্ন হয়। এই গ্যাস কথা বলার সময় দুর্গন্ধ হয়ে বেরিয়ে আসে। মুখের বিরক্তিকর দুর্গন্ধ দূর করতে: প্রতিদিন সকালে নাস্তার পরে ও রাতে শোয়ার আগে সঠিক নিয়মে দাঁত ব্রাশ করুন, শুধু দাঁত নয় জিহ্বাও পরিস্কার করুন, প্রতিবার খাবারের পর ভালোভাবে কুলকুচি করতে হবে, ঘন ঘন প্রচুর পরিমাণে পানি বা অন্য কোনো তরল পানীয় পান করুন, লালা মুখের দুর্গন্ধ দূর করে, লালা তৈরি করতে লবঙ্গ বা আদা খেতে পারেন ধূমপান ও মদ্যপান এগুলো থেকে দূরে থাকুন, মুখের গন্ধ দূর করতে চা অত্যন্ত কার্যকর, এক কাপ চায়ে কিছু পুদিনার পাতা বা লবণ দিয়ে কুলকুচি করে নিন। মুখের দুর্গন্ধ নিমেষেই দূর হয়ে যাবে। লেবু শুধু খাবারের স্বাদই বাড়ায় না, দূর করে মুখের দুর্গন্ধ। খাবারে নিয়মিত লেবু খেলে মুখের দুর্গন্ধের সঙ্গে দূর হবে শরীরের বাড়তি মেদও। সুস্থতার জন্য নিয়মিত মুখ ও দাঁতের চেকআপ করতে হবে। এছাড়া নিয়মিত ধুমপান, মাদক সেবন, দাঁত ও মাড়ির ইনফেকশন, ফুসফুস-লিভারের অসুখ, সাইনোসাইটিস, ডায়াবেটিস ও জ্বর হলে মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে।
মুখের বাজে গন্ধ দূর করতে বেকিং সোডা খুব কার্যকর। ১। বেকিং সোডা দিয়ে ব্রাশ করুন , কারণ বেকিং সোডা আমাদের মুখের ভেতরের এসিডিটি সমস্যা দূর করে ও ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে। ২। কুসুম গরম পানির সাথে বেকিং সোডা মিশিয়ে সেই পানি দিয়ে কুলি করুন। এই উপায়েও মুখের গন্ধ দূর হয়। দারুচিনি দারুচিনিতে আছে একটি বিশেষ তেল যার নাম সিনামিক এলডেহাইড যা মুখের দুর্গন্ধ রোধ করতে সাহায্য করে পাশাপাশি মুখের ভেতরের ব্যাকটেরিয়াও রোধ করে। ১। একগ্লাস কুসুম গরম পানিতে দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে তা ফুটিয়ে নিন। তারপর হালকা ঠাণ্ডা করে সেই পানি দিয়ে কুলি করুন। প্রতিদিনের ব্যবহারে মুখের দুর্গন্ধ সমস্যা রোধ হবে। লেবু মুখের দুর্গন্ধ রোধ করার জন্য লেবু এর ব্যবহার যুগ যুগ ধরেই করা হচ্ছে। লেবুর কার্যকরী ভিটামিন উপদান মুখের মাড়ি, দাঁত ও জিভের ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে। একগ্লাস কুসুম গরম পানির সাথে পুরো একটি লেবুর রস মিশিয়ে নিন। তারপর এই লেবুপানি দিয়ে কুলি করে নিন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগেও লেবুপানির সাথে সামান্য এক চিমটি লবণ মিশিয়ে কুলি করে নিন। এই নিয়মটি মুখের দুর্গন্ধ তো রোধ করবেই এবং দুর্গন্ধ হওয়ার একমাত্র কারণ মুখের ভিতরে শুষ্ক হয়ে থাকার সমস্যাও রোধ করবে।
মুখের দুর্গন্ধের মতো বিব্রতকর জিনিস আর হয় না!একটি সুন্দর চেহারা, আর মুখে দুর্গন্ধ- ভাবুন তো বিষয়টি কেমন! দাঁতের প্লাক, দাঁতের ক্ষয়, শরীরে পানির অভাব, পেঁয়াজ খাওয়া-ইত্যাদি মুখে গন্ধ তৈরির জন্য দায়ী। মুখের দুর্গদ্ধ দূর করার উপায়ঃ
দিনে দুই বেলা ব্রাশ করা দাঁতের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। মুখের দুর্গন্ধ দূর করতেও দুই বেলা দাঁত ব্রাশ করা জরুরি। যদি এরপরও মুখে দুর্গন্ধ হয়, তাহলে বেকিং সোডা দিয়ে দাঁত ব্রাশ করতে পারেন। এটি মুখ থেকে এসিডিটি দূর করবে এবং ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি কমিয়ে দেবে। পানি শূন্যতায় ভুগলেও মুখে দুর্গন্ধ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। প্রতিদিন অন্তত আট গ্লাস পানি পান করুন। এটি আপনাকে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করবে এবং মুখের বাজে গন্ধ দূর করবে।।মাড়ির রোগ থেকে কখনো কখনো মুখে দুর্গন্ধ হয়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, এ ছাড়া কখনো কখনো শরীরের ভেতরকার সমস্যার জন্যও মুখে দুর্গন্ধ হয়। তাই গন্ধ কোনোভাবেই না কমলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান।
মুখের দুরগন্ধ দুর করার জন্য কিছু সঠিক পরামর্শ দেওয়া হলো: ১/ মুখের দুর্গন্ধ রোধ করার জন্য লেবু এর ব্যবহার যুগ যুগ ধরেই করা হচ্ছে। লেবুর কার্যকরী ভিটামিন উপদান মুখের মাড়ি, দাঁত ও জিভের ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে। একগ্লাস কুসুম গরম পানির সাথে পুরো একটি লেবুর রস মিশিয়ে নিন। তারপর এই লেবুপানি দিয়ে কুলি করে নিন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগেও লেবুপানির সাথে সামান্য এক চিমটি লবণ মিশিয়ে কুলি করে নিন। এই নিয়মটি মুখের দুর্গন্ধ তো রোধ করবেই এবং দুর্গন্ধ হওয়ার একমাত্র কারণ মুখের ভিতরে শুষ্ক হয়ে থাকার সমস্যাও রোধ করবে। আপনে এলাচ ২/ মুখে নিয়ে চাবাতে পারেন এতে দেখবেন সাথে সাথে মুখের দুগ্ধ চলে যাবে নিয়মিত করলে বালো ফল পাবেন। ৩/ আপনি নিয়মিত টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত মাজুন। প্রতিদিন রাতে খাওয়ার পর শোবার আগে এবং সকালে খাওয়ার পর দাঁত মাজবেন। ৪/ খাওয়ার পর ভালোভাবে কুলকুচি করবেন যেন খাদ্যদ্রব্য দাঁতের ফাঁকে আটকে না থাকে।
মুখে বাজে গন্ধ হওয়ার মূল ৭টি কারণ ও সমাধান মুখে দুর্গন্ধের অস্বস্তিকর সমস্যায় কমবেশি সবাইকেই পড়তে হয়। তবে এটা যদি আপনার দীর্ঘস্থায়ী বা পুরনো সমস্যা হয়ে থাকে, তবে এর মূলোৎপাটন করতে হবে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ডাক্তার মাউথ ওয়াশ বা এ ধরনের কিছু দিয়ে থাকেন। এতে কিছু সময়ের জন্য দুর্গন্ধ চলে যায়। মুখে দুর্গন্ধ হওয়ার সাতটি মূল কারণ ও এর সম্ভাব্য সমাধান সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ জেনে নিন। ১. আপনি দাঁতের যত্ন নিচ্ছেন না ২০১২ সালে ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব ওরাল সায়েন্সে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়, দাঁতের পরিচ্ছন্নতা না থাকার জন্য শতকরা ৮৫ ভাগ দায়ী মানুষের বদ অভ্যাস। আর এর পেছনে কাজ করে মুখের ভেতরে খাদ্যকণা ঠিকমতো পরিষ্কার না করা। এর কারণে মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া জন্মায়, জানালেন নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ মার্ক গিবার। আমেরিকান ডেন্টাল অ্যাসোসিয়েশনের কনজ্যুমার অ্যাডভাইজার ডেন্টিস্ট রিচার্ড এইচ প্রাইস বলেন, জিহবার নিচে অক্সিজেন ছাড়া বেঁচে থাকা এ ব্যাকটেরিয়া সালফার কম্পাউন্ড উৎপাদন করে যার গন্ধ অনেকটা পচা ডিমের মতো। আর এ গন্ধ দূর করতে হলে দিনে অন্তত দুইবার দাঁত ব্রাশ করতে হবে। ২. যথেষ্ট পানি খান না দেহে পানির অভাবে খুব অল্প পরিমাণ সেলিভা উৎপন্ন হয়। সেলিভা মুখের এসব ব্যাকটেরিয়াকে পরিষ্কার করে। পানির অভাবে মুখের ভেতর শুকনো থাকে এবং সেলিভা মরে যায়। এই মৃত সেলিভা কোষ থেকেও বাজে গন্ধ তৈরি হয়। ৩. অ্যালার্জিও দায়ী অ্যালার্জির কারণে অনেকে নাক দিয়ে শ্বাস নিতে পারেন না। তখন মুখ দিয়ে শ্বাস নিতে হয় এবং এতে মুখের ভিতরটা শুকিয়ে যায়। ফলে সেই একই সমস্যা। নাক-কান- গলা বিশেষজ্ঞ ডেল আমান্ডা টেইলর বলেন, অ্যালার্জির সমস্যা থাকলেও মুখে দুর্গন্ধ হয়। অ্যালার্জির চিকিৎসা নিন। ৪. বাজে গন্ধ উৎপন্নকারী খাবার বেশি খেলে এটা বলে বোঝাতে হবে না যে, রসুন খেলে মুখে দুর্গন্ধ হবেই। আবার দুধ খুবই ভালো খাদ্য। কিন্তু এ দ্রব্য মুখে এক ধরনের শ্লেষ্মা উৎপন্ন করে যা দুর্গন্ধ তৈরি করে, জানালেন ডেন্টিস্ট মার্থা অ্যান কিলস। এ জাতীয় উচ্চমাত্রার কার্বোহাইড্রেটসমৃদ্ধ খাবার বেশি খেলে বাজে গন্ধের শ্লেষ্মা হয়। তাই এগুলো বেশি পরিমাণ খাবেন না। ৫. সাইনাস অথবা টনসিলে সংক্রমণ থাকলে সাইনাসে সংক্রমণ ঘটলে বাজে গন্ধ আসে মুখ থেকে। ডাক্তারের পরামর্শ মতো অ্যান্টিবায়োটিক বা নেটি পট থেরাপির মাধ্যমে সাইনাসের বাজে শ্লেষ্মা দূর করা যায়, জানালেন নাক-কান- গলা বিশেষজ্ঞ জেমস এন পালমার। এ ছাড়া টনসিলে সংক্রমণ ঘটলে এক ধরনের ক্যালসিয়াম পাথর জন্মে যা কটু গন্ধ সৃষ্টি করে। ৬. এসিডিটির সমস্যা এসিডিটির ফলে পাকস্থলীর জ্বালাপোড়া থেকে ভিনেগারের মতো গন্ধ তৈরি হয়। টক জাতীয় ঢেকুর হয়ে তা মুখে বাজে গন্ধ ছড়িয়ে দেয়। ৭. ক্যান্সারের মতো দুরারোগ্য ব্যাধি থেকে মুখে খুব বাজে ধরনের গন্ধ ক্যান্সারের মতো দুরারোগ্য ব্যাধির কারণে হতে পারে। তবে তা কদাচিৎ দেখা যায়। এ গন্ধের বৈশিষ্ট্য অনেকটা টক এবং পনিরের মতো। যে সব মানুষের নানা ব্যাধির কারণে বেশি পরিমাণ তেজক্রিয় রশ্মির পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হয়, তাদের এমনটি হতে পারে। সমাধান: প্রতিদিনের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজের মতো দাতের যত্ন নেয়া ও দাত পরিষ্কার রাখা খুবই জরুরী। তবে উপরোক্ত সমস্যাগুলোর কারণে দাতের সঠিক যত্ন নিলেও বিব্রতকর দূর্গন্ধ এড়ানো যায়না। এসব ক্ষেত্রে মূল সমস্যা অনুধাবণ ও োরাগ নির্নয় করে সঠিক চিকিৎসা নেয়া উচিত। প্রথমে একজন দন্ত চিকিৎসকের সরণাপন্ন হয়ে তার পরামশ্য অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেয় যেতে পারে। তবে রোগ নির্মূল হওয়ার আগ পর্যন্ত মাউথওয়াশ ব্যবহার করা যেতে পারে। তথ্যসূত্র: দৈনিক কালেরকণ্ঠ
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy