1 Answers
ইলেকট্রিক ইল নামক মাছ নিজের শরীরে বিদ্যুৎ তৈরি করতে পারে। যে বিদ্যুতের শকে আপনি আহত কিংবা মারাও যেতে পারেন। এমনকি দেখা গেছে কুমির পর্যন্ত মারাত্মকভাবে আহত হয়। এগুলো পাওয়া যায় বিশ্বের স্থানে। বিশেষ করে দক্ষিণ আমেরিকার আমাজান ও মধ্য আমেরিকায়। এ মাছ দেখতে আমাদের দেশের মাগুর মাছের মতো; কিন্তু আকারে বড়। তবে কীভাবে ইলমাছ বিদ্যুৎ উৎপাদনের মতো কঠিন কাজটি করে? এ প্রশ্নের উত্তরে বিজ্ঞানীরা বলেছেন_ ইলেকট্রিক ইল তার শরীরের বিশেষ স্নায়ুতন্ত্র ব্যবস্থা ব্যবহার করে বিদ্যুৎ তৈরি করে। এ মাছের শরীরে বিদ্যুৎ তৈরির জন্য চাকতির মতো কতকগুলো কোষ রয়েছে। শরীরের বিশেষ একটি অংশে_ যেটিকে বিদ্যুৎ তৈরির অঙ্গ বলা হয়। স্নায়ুতন্ত্রের কাজ হলো_ এসব কোষ যাতে সমন্বিতভাবে কাজ করে তা নিশ্চিত করা। ইলমাছের বিদ্যুৎ তৈরির অঙ্গ কখন কাজ শুরু করবে, স্নায়ুতন্ত্র সেই সংকেত দেয়। এই সংকেত পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্নায়ুর জটিল নেটওয়ার্ক তা নিশ্চিত করে। যাতে বিদ্যুৎ সৃষ্টিকারী হাজার হাজার কোষ একসঙ্গে তৎপর বা সক্রিয় হয়ে ওঠে। প্রতিটি কোষের বাইরের আবরণের তুলনায় এর ভেতরে প্রায় ১০০ মাইক্রো ভোল্ট ঋণাত্মক চার্জ থাকে। স্নায়ুতন্ত্র থেকে সংকেত পাওয়ার পর, স্নায়ু থেকে অ্যাসেটিল কোলাইন নামের খুব সামান্য পরিমাণ এক ধরনের রাসায়নিক নির্গত হয়। এ রাসায়নিকটি নিউরো-ট্রান্সমিটার হিসেবে কাজ করে। তখন ওই মাছের শরীরের মধ্যে খুব কম সময়ের জন্য খুব নিচু মাত্রার বৈদ্যুতিক রেজিস্ট্যান্স তৈরি হয়। তখন কোষগুলো পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে একবারে যেন ব্যাটারির মতো কাজ করে। আর এভাবেই তৈরি হয়ে যায় বিদ্যুৎ।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy