1 Answers
মানসিক চাপের নিচে পড়ে পিষ্ট হচ্ছেন দিনকে দিন? মানসিক চাপকে কোনোভাবেই আপনাকে হারিয়ে দিতে দেবেন না! কারণ বৈজ্ঞানিক গবেষণায় জানা গেছে, মানসিক উত্তেজনা একটা পর্যায় পর্যন্ত কম থাকলে তা সুষ্ঠু জীবনযাপনে এবং ক্যান্সার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই মেনে চলুন কিছু বিষয়, যা মানসিক চাপ কমিয়ে দেবে এবং হ্রাস করবে আপনার ক্যান্সারের ঝুঁকি। পরিকল্পিত জীবনযাপন করুন মানসিক চাপের অন্যতম কারণ হলো অপরিকল্পিত জীবনযাপন। তাই যেকোনো কাজের জন্য আগে থেকেই পরিকল্পনা করুন এবং সেই অনুযায়ী চলুন। এটা আপনার প্রাত্যহিক জীবনের জন্যও প্রযোজ্য। যেমন আগামী কাল কখন, কী করবেন তা আজকেই ঠিক করে ফেলুন। নিজের সীমাবদ্ধতাকে চিনুন আপনি আসলে ঠিক কতটুকু চাপ নিতে পারবেন তা আগে থেকেই আন্দাজ করুন। দায়িত্ব নিন ঠিক ততটুকুই, যতটুকু পালন করতে পারবেন। যে কাজের চাপ সামলাতে পারবেন না সেই কাজ করতে যাবেন না। অনুরোধে সবসময় ঢেঁকি গিলতে যাবেন না। 'না' বলতে শিখুন। পুষ্টিকর খাবার খান অপুষ্টিকর খাবার মানসিকতায় প্রভাব ফেলে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, যারা অতিরিক্ত জাঙ্কফুড খায়, তাদের বিষণ্নতায় ভোগার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই পুষ্টিকর খাবার খান এবং মিষ্টিজাতীয় খাবার কম খান। এমন ফল ও শাকসবজি খান যেগুলোতে রয়েছে ক্যান্সার প্রতিরোধক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যেমন আদা, রসুন, পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ, টমেটো, গাজর, পালংশাক, ব্রোকলি, ফুলকপি, বাঁধাকপি, আপেল, কলা, আঙুর, সফেদা, আনার, তরমুজ, স্ট্রবেরি, পেয়ারা ইত্যাদি। মেনে নিতে শিখুন মানুষ যা চায় তা-ই যে সে সবসময় পায়, তা কিন্তু নয়। আবার কোনো ব্যাপারই একদম 'পারফেক্ট' হয় না। তাই নেতিবাচক জিনিসগুলোকে আঁকড়ে ধরে না থেকে সেগুলোকে যেতে দিন। সবকিছু সহজভাবে নিন এবং নিজের পরিবার ও বন্ধুদের সাথে সময়টাকে উপভোগ করুন। খারাপ পরিস্থিতিকে বয়ে যেতে দিন এবং ভুলে যান। ব্যায়াম করুন যেকোনো ধরনের ব্যায়াম আপনার মন ও শরীর দুটোই ভালো রাখবে। আপনার মানসিক চাপ দূর করে দিতে সহায়তা করবে। মন ও শরীরের সুস্থতার পাশাপাশি ব্যায়াম ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমাবে।