1 Answers
ফোকাল সিজার এবং জেনারালাইজড সিজার, খিঁচুনির এই দুটি মূল প্রকারভেদের উপসর্গগুলি নিচে উল্লেখ করা হল: ফোকাল সিজার উৎপন্ন হয় মস্তিষ্কের একটি নির্দিষ্ট অংশ থেকে। এর উপসর্গগুলি হল: শরীরের যেকোন অংশের আকস্মিক বিচলন। সচেতনতার পরিবর্তনের ফলে চলন ও ক্রিয়াকলাপের বদল। আক্রান্ত ব্যক্তির আলোর জ্যোতি দেখার অভিজ্ঞতা হতে পারে। বাস্তবে উপস্থিত নয় এমন শব্দ, গন্ধ বা স্বাদের অনুভূতি। জেনারালাইজড সিজারের উপসর্গগুলি হল: এবসেন্স সিজার : শিশুদের মধ্যে এটি বেশি দেখতে পাওয়া যায়। এই সময় শিশুদের দেখে মনে হতে পারে তারা কোন শূন্যস্থানের দিকে তাকিয়ে আছে, অথবা অল্পসময়ের জন্য সচেতনতার অভাব ও শরীরের সূক্ষ্ম নড়াচড়া দেখা যেতে পারে। টোনিক সিজার: পেশীর কাঠিন্য যা আক্রান্তের পতনের কারণ হতে পারে। সাধারণত পিঠ, হাত ও পায়ের পেশী এতে প্রভাবিত হয়। ক্লোনিক সিজার: ঝাঁকুনিযুক্ত পেশীর চলন, সাধারণত মুখ, ঘাড় ও হাতের পেশিতে দেখতে পাওয়া যায়। টোনিক-ক্লোনিক সিজার: আক্রান্ত টোনিক ও ক্লোনিক সিজারের উপসর্গগুলি সম্মিলিতভাবে অনুভব করতে পারে। মায়োক্লোনিক সিজার: পেশীর কম্পনের পাশাপাশি ছোট ঝাঁকুনিযুক্ত চলন। এটোনিক সিজার: পেশীর নিয়ন্ত্রণ হ্রাস পাওয়ার ফলে আক্রান্ত পড়ে যেতে পারে।