1 Answers

সিফিলিস রোগের নির্ণয়করণ: কোন পরীক্ষার আগে চিকিৎসক রোগীর থেকে তার যৌনসম্পর্কের ইতিহাস সংগ্রহ করবেন এবং ত্বক, বিশেষত যৌনাঙ্গের ত্বক, পর্যবেক্ষণ করবেন। যদি উপসর্গ ও পর্যবেক্ষণ সিফিলিসের দিকে ইঙ্গিত করে তবে রক্ত পরীক্ষা করা হয়, এবং সিফিলিসের ব্যাকটেরিয়ার সন্ধানে শরীরের ক্ষতগুলি পরীক্ষা করা হয়। যদি রোগী তৃতীয় পর্যায়ের সিফিলিসে ভুগছে বলে সন্দেহ করা হয় তবে বিভিন্ন অঙ্গগুলির অবস্থা জানার জন্য পরীক্ষা করা হয়। সুষুম্নাকান্ড থেকে তরল সংগ্রহ করে ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি পরীক্ষা করা হয়, এর থেকে জানা যায় রোগটি স্নায়ুতন্ত্রে প্রভাব ফেলেছে কিনা। সিফিলিস নিশ্চিতভাবে নির্ণয় হলে আক্রান্তের যৌনসঙ্গীকেও এই রোগটির জন্য পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হয়। সিফিলিসের চিকিৎসা: গোড়ার দিকে সিফিলিসের জন্য এন্টিবায়োটিক দেওয়া হয়, এগুলো সাধারণত ইনজেকশনের মাধ্যমে প্রয়োগ করা হয়। সিফিলিসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত একটি পরিচিত এন্টিবায়োটিক হল পেনিসিলিন। তৃতীয় পর্যায়ের সিফিলিসে ব্যাপক চিকিৎসার প্রয়োজন হয়, মূলত উপসর্গগুলির উন্নতির জন্য, কারণ এই পর্যায়ে জীবাণুটিকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করা আর সম্ভব নয়। চিকিৎসা চলাকালীন রোগীর যেকোন যৌন কার্যকলাপ বা ঘনিষ্ঠ শারীরিক সম্পর্ক থেকে বিরত থাকা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

7213 views Answered

Related Questions

Next steps