1 Answers
আমাদের চারিদিকের জগৎ, এমনকি আমরাও ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বস্তুকণা দিয়ে তৈরী। এখন, আমরা জানি যে প্রত্যেকটি মৌলিক পদার্থের বৈশিষ্ট বহন কারী ক্ষুদ্রতম কণাটি হল পরমাণু। প্রত্যেক পরমাণুর কেন্দ্রস্থল, অর্থাৎ নিউক্লীয়াসে দুই ধরনের কণা থাকে- প্রোটন এবং নিউট্রন। নিউক্লীয়াসের বাইরে ইলেকট্রনগুলি নির্দিষ্ট কক্ষপথে আবর্তন করে। একটি নিস্তড়িৎ পরমাণুর ক্ষেত্রে নিউক্লীয়াসের মধ্যেকার প্রোটনের সংখ্যা এবং নিউক্লীয়াসের বাইরের ইলেকট্রন সংখ্যা সমান হয়। এবার আসি ভরসংখ্যা এবং পারমাণবিক সংখ্যার কথায়। ভর সংখ্যা- একটি পরমাণুর নিউক্লীয়াসের মধ্যে অবস্থিত প্রোটন এবং নিউট্রনের সংখ্যার যোগফলকে বলা হয় ভর সংখ্যা। তাহলে, ভর সংখ্যা = প্রোটন সংখ্যা + নিউট্রন সংখ্যা পারমাণবিক সংখ্যা- একটি পরমাণুর নিউক্লীয়াসের মধ্যে অবস্থিত প্রোটন সংখ্যাকে ওই পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা বলা হয়। প্রত্যেক মানুষের আঙুলের ছাপ যেমন আলাদা হয়, প্রত্যেক মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ও তেমনই আলাদা আলাদা হয়। পারমাণবিক সংখ্যা দেখেই একটি মৌলকে চেনা যায়।