বিয়ের পর দেরীতে বাচ্চা নিলে কোন সমস্যা হবে কি?
বিয়ের পর জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির জন্য কনডম ব্যবহার করলে পরবর্তীতে বাচ্চা নিতে কোন সমস্যা হবে কি?
1738 views
1 Answers
যদি আপনি অতিরিক্ত জন্মবিরতিকরণ করার চেষ্টা করেন তাহলে পরবর্তীতে বেবি নিতে ঝামেলায় পরবেন।তবে আপনাকে বলছি কি কি কারনে পরবর্তীতে বেবি নিতে ঝামেলা হয়
- ইমার্জেন্সি পিল সেবনে বা অধিক সেবনের কারনে।
- স্বল্পমেয়াদী পিল দির্ঘমাস ধরে সেবনের কারনে বা অনিয়ম করে সেবনের কারনে।
- হরমোন এর কারনে
- অন্যান্য কারন বসত ওভারি সিস্ট হলে।
এছাড়াও বিভিন্য কারনেও পরবর্তীতে বেবি নিতে ঝামেলা হয়।কাজেই আপনি যদি জন্মবিরতিকরণ পদ্ধতি অবলম্বন করতে চান তাহলে ৬ মাস করবেন এবং বাকি ৬ মাস কনডম ইউস করবেন বা ৩ মাস পর পর ইনজেকশন নিতে পারেন এর পর ৬ মাস রেস্ট নিয়ে কনডম ইউস করাবেন।এছাড়াও স্বল্পমেয়াদী পিল ৬ মাস খাবে এবং বাকি ৬ মাস রেস্ট দিয়ে কনডম নিবেন।কিন্তু ভুল ক্রমে হলেও ইমার্জেন্সি পিল সেবন করাবেন না।
মনে রাখবেন নারীদের শরীর তেমন শক্তিশালী নয় যে যেকোন ঔষধ সেবনে ক্ষমতা আছে। বরং নারীর চেয়ে পুরুষের শক্তি বা মেডিসিন গ্রহনে ধারন ক্ষমতাই বেশি থাকে। সুতারাং নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী মিলন করলেন আর ঔষধ খাইয়ে দিলেন আর এই ঔষধের প্রভাব তিনি সহ্য করতে পারবে কিনা সেদিকে লক্ষ রাখবেন না তা কিন্তু হয় না।
কাজেই জন্মবিরতিকরণ করতে যা করবেন তা ভেবে চিন্তেই করবেন।তাই আগে আপনার স্ত্রীকে বলুন ওনি কিভাবে জন্মনিয়ন্ত্রণ করতে চান।
- কনডম।
- পিল,
- ইমার্জেন্সি পিল,(যা ক্ষতিকর)
- ইনজেকশন,
- ইমপ্ল্যান্ট পদ্ধতি।
এছাড়াও দির্ঘবছর নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি যা কনডম ব্যতীত সব গুলোই ক্ষতিকর স্বাস্থ্যের জন্য। তবে স্বল্পমেয়াদী পিল নিতে পারে একজন চিকিৎসক এর পরামর্শে।
আসা করি বুঝতে পারছেন
1738 views
Answered