1 Answers

আল্লাহ তাআলা নিজের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করার পর বাতিল ও ভ্রান্ত মাবূদের কিছু দুর্বলতার দিক তুলে ধরেছেন। আর তা হল:

১। তারা কোন কিছুই সৃষ্টি করতে পারে না। যেমন আল্লাহ তাআলার বাণী: “তোমরা আল্লাহ তা‘আলার পরিবর্তে যাদেরকে ডাক তারা তো কখনো একটি মাছিও সৃষ্টি করতে পারবে না, এ উদ্দেশ্যে তারা সকলে একত্রিত হলেও।” (সূরা হজ্জ ২২:৭৩)।

২। তাদেরকে সৃষ্টি করা হয়েছে অর্থাৎ তারা অপরের সৃষ্ট বস্তু। যেমন আল্লাহ তাআলা বলেন: “তারা আল্লাহ তা‘আলা ব্যতীত অপর যাদেরকে আহ্বান করে তারা কিছুই সৃষ্টি করে না, তাদেরকেই সৃষ্টি করা হয়।’’ (সূরা নাহল ১৬:২০)।

৩। তারা নিজেদের কোন উপকার ও ক্ষতি করতে পারে না। যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেন: বল:‎ কে আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর প্রতিপালক? বল:‎ ‘আল্লাহ তাআলা। বল:‎ তবে কি তোমরা অভিভাবকরূপে গ্রহণ করেছ আল্লাহ তাআলার পরিবর্তে অপরকে যারা নিজেদের লাভ বা ক্ষতি সাধনে সক্ষম নয়? (সূরা রাদ ১৩:১৬)।

৪। তারা কাউকে মৃত্যু দান করতে পারে না আর না পারে জীবিত করতে এবং তারা মৃত্যুর পর পুনরুত্থান করতেও সক্ষম নয়। এ সকল বিষয়ে একমাত্র আল্লাহ তাআলাই ক্ষমতাবান, অন্য কেউ নয়। যেমন আল্লাহ তাআলার বাণী: “কিভাবে তোমরা আল্লাহ তা‘আলাকে অস্বীকার করছ? অথচ তোমরা নির্জীব ছিলে, পরে তিনিই তোমাদেরকে জীবন দান করেছেন, এরপর তিনি তোমাদের মৃত্যু ঘটাবেন, পরে আবার জীবিত করবেন, অবশেষে তোমাদেরকে তারই দিকে ফিরে যেতে হবে।” (সূরা বাকারাহ ২:২৮)।

অতএব ইবাদতের একমাত্র যোগ্য আল্লাহ তাআলা অন্য কেউ নয়। কারণ তাদের হাতে কোনই ক্ষমতা নেই। আর যাদের কোন ক্ষমতা নেই তারা ইবাদতের যোগ্য বলে বিবেচিত হতে পারে না। সুতরাং আমাদের উচিত যারা কোন কিছু করার ক্ষমতা রাখে না তাদেরকে বর্জন করে সর্বশক্তিমান আল্লাহ তা‘আলার ইবাদত করা।

1632 views

Related Questions