5 Answers

প্রতি ৪০ দিনের মধ্যে চুল কাটতে হবে।না হলে শরীর নাপাক থাকে।।

72592 views

গোপণাঙ্গের চুল না কাটলে ওখানে জীবাণুর আক্রমণ হতে পারে। লোমের সঙ্গে ময়লা মিশে ছত্রাক জন্ম নিতে পারে ।

 ইসলামে প্রতি সপ্তাহে নাভীর নিচ থেকে গোপণাঙ্গসহ অবাঞ্ছিত লোমগুলো পরিষ্কার করা মুস্তাহাব। আর অন্তত ৪০ দিনের মধ্যে একবার কাটা আবশ্যক। ৪০ দিনের পরও অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কার না করা মাকরূহে তাহরীমী। যা মারাত্মক গুনাহের কাজ। 

[সূত্র: সহিহ মুসলিম : ১/১২৯, ফাতাওয়া হিন্দিয়া : ৫/৩৫৭, ফাতাওয়া হক্কানিয়া : ২/৪৬৫, ফাতাওয়ায়ে মাদানিয়া : ৩/৪৮১] 


অবাঞ্ছিত লোমের সীমারেখা হল- মুত্র থলির নিচে দিম্নাঙ্গের হাড্ডি থেকে- যেখানে তলপেটের নিচে উক্ত হাড্ডি বরাবর চামড়ার ওপর একটি ভাঁজ থাকে। এখান থেকেই সাধারণত ঘন পশম গজানো শুরু হয়। উক্ত ভাঁজ থেকে নিয়ে লিঙ্গ, অণ্ডকোষ এবং পায়খানার রাস্তা- এই তিন অঙ্গের আশপাশে এবং উরুর ওই অংশ, যা অণ্ডকোষদ্বয়ের কাছাকাছি থাকে এবং যা পশমের কারণে ময়লাযুক্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। [সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাদানিয়া : ৩/৪৮২] 


ছেলেদের জন্য অবাঞ্ছিত লোম মুণ্ডানো উত্তম। তবে মেয়েদের জন্য লোমনাশক ক্রিম বা লোশন ব্যবহার করা ভালো। এছাড়াও যে কোনো উপায়ে পরিষ্কার করলেও হয়ে যাবে।

তথ্য বিস্ময় :

72592 views

প্রতি 7 দিন পর পর গোপনাঙ্গের চুল পরিষ্কার করা ভালো. তবে 40 দিনের মধ্যে গোপন অঙ্গ পরিষ্কার করতে হবে.

72592 views

প্রতি ৪০ দিনে একবার শরীরের নাপাক চুল না কাটলে আপনি গোনাহগার হবেন।এই নাপাক চুল কাটা শুরু করতে হবে নাভীর নীচ থেকে।লিঙ্গের আশে পাশে,অন্ডকোশে তার চারপাশ।তবে,প্রত্যেক সপ্তাহে ১ বার কাটা উত্তম।

72592 views

 7 দিন পর পর নাভীর নীচের পশম পরিষ্কার করা সুন্নত৷ আর  প্রতি ৪০ দিনে একবার কাটা আবশ্যক৷ অন্যথায় গোনাহ হবে৷ তবে নামাজ পরলে আদায় হয়ে যাবে৷ এই পশম কাটা শুরু করতে হবে নাভীর নীচ ভাজ থেকে। গোপণ অঙ্গের আশ পাশ, অন্ডকোশে তার চারপাশ এবং মলদারের আশ পাশ।

72592 views

Related Questions