3 Answers
গরম পানিতে গাঁদাফুলের পাঁপড়ি দিয়ে ফুটিয়ে ছেঁকে নিয়ে সেই পানি দিয়ে চা বানিয়ে খেলে তা মুখ ও পাকস্থলির আলসার প্রতিরোধ করে বলে গবেষণায় পাওয়া গিয়েছে।
আলসার কমাতে খাঁটি মধু অসাধারণ কাজ করে। কম ফ্যাটের ডেয়ারি, টক দই আলসারে উপকারি। ফুলকপি, বাধাকপি, ব্রকোলি, নাশপাতি, অঙ্কুরিত ছোলা, অলিভ অয়েল, সূর্যমূখি তেল ইত্যাদি আলসার সারাতে অনেক কাজ করে। চর্বিহীন পোল্ট্রি, ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার আলসারে উপকারি।
আলসারের প্রতিকার
-মাংস ও পোলট্রি প্রোডাক্ট
-চর্বিহীন মাংস ও পোলট্রি প্রোডাক্টে ফ্য়াট কম থাকে ও পর্যাপ্ত নুন থাকে যা পেটের আলসারে ভালো কাজ করে।
-টক দই কম ফ্যাটের ডেয়ারি প্রোডাক্ট, বিশেষ করে দই আলসার সারাতে অসাধারণ কাজ করে।
-মধু এমন একটি অ্যান্টিসেপটিক যা যে কোনও জ্বালা-পোড়া বা ঘা সারাতে লড়াই করে। মধু খেলে আলসার আর বাড়ে না। বরং ধীরে ধীরে কমবে।
-সব তেল নয়, অলিভ অয়েল ও সূর্যমুখী তেল পেটের আলসারকে দূরে রাখার ভালো কাজ করে।
-বাধাকপিতে থাকে এস-মেথিলমেথিওনাইন যা আলসারের সঙ্গে লড়াই করে তা সারাতে সাহায্য করে।
-বাধাকপির মতো ফুলকপিও পেটের পক্ষে উপকারী। এর মধ্যে রয়েছে অত্যধিক পরিমাণে সালফোরাফেন যা পেটের আলসার সারাতে সাহায্য করে। একইসঙ্গে এর মধ্যে থাকা ভিটামিন সি ও ফাইবার পেটের সুরক্ষা করে।
-ফুলকপির মতো দেখতে আলসার সারাতে মোক্ষম এ সবজিটি বাংলাদেশেও ধীরে ধীরে প্রচলন বাড়ছে। আপনার ডায়েট চার্টেও স্থান দিন এটিকে।
-অঙ্কুরিত ছোলা বা ডাল খেলে পেটের মধ্যে থাকা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া নির্মুল হয়। পেট ভালো থাকে।
-বেশিমাত্রায় রয়েছে, এমন খাবার পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। আলসারেও তা অব্যর্থ কাজ করে।
-নাসপাতিতে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা আলসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। এছাড়াও রয়েছে বেশি পরিমাণে ফাইবার হজমে সাহায্য করে।