একজন HIV জনিত ব্যাক্তির করনীয় কি?
কেউ একজন ব্লাড টেষ্ট করল তারপর দেখল যে তার HIV হয়েছে। তারপর সে কি করবে? তার কি সুস্থ হওয়ার কোন উপাই নাই? আর এই রোগ বর্তমানে বাংলাদেশে হওয়ার শতকরা কতোটুকু সম্ভাবনা রয়েছে??
2 Answers
এইডস রোগের কোন চিকিতসা এখনো পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। গবেষকরা এ পর্যন্ত অনেক ঔষধ আবিষ্কার করেছে।
*প্রথম গ্রুপ এর ঔষধের নাম Nucleoside reverse transcriptase inhibitors, যা HIV সংক্রমনকে বিলম্বিত করে।
*দ্বিতীয় গ্রুপ এর নাম Protease inhibitors যা HIV ভাইরাস replication এ বাধা সৃষ্টি করে।
যেহেতু এদের শুধু যে কোন একটি গ্রুপ এর ঔষুধ একা শরীরে কার্যকর হয়না, তাই সম্বিলিত ঔষধ দেয়া হয়। এই চর্চাকে বলা হয় HAART, Highly Active Antiretroviral Therapy. যদি ও HAART এইডস উপশম করেনা, তবে এইডস রোগীর মৃত্যুসংখ্যা কমাতে গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা পালন করে।
তবে এইডস রোগী সুস্থ হয়েছেন এমন উদাহরণ হলোঃ
টিমোথি রে ব্রাউন ছিলেন লিউকেমিয়া এবং এইডস রোগে আক্রান্ত। ২০০৭ সালে জার্মানীতে তাকে বোন মেরো স্টেম সেল ট্রান্সপ্লান্ট করা হয়। এই ট্রান্সপ্লান্ট এসেছে একজন এইডস প্রতিরোধক ব্যক্তির কাছ থেকে, (এমন এইডস প্রতিরোধক লোক পাওয়া যায় ককেসিয়ানের মধ্যে ১%)।
ডক্টররা পরে দেখলেন ব্রাউনের শরীরে কোন এইচআইভি ভাইরাসের অস্তিত্ত্ব নেই, তিনি আর কোন ঔষধও খাচ্ছেন না, এবং পরবর্তীতে তার আর এইডস রোগে আক্রান্ত হবারও কোন সম্ভাবনা নেই। এইচআইভি রোগীদের অতি প্রয়োজনীয় ওষুধ ‘নেভিরাপিন’। সচেতনতাকেই এর একমাত্র প্রতিরোধক বিবেচনা করা যেতে পারে।
বর্তমানে বাংলাদেশের প্রায় ৩,৬৭৪ জন ব্যক্তি এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্ত; আর ঝুঁকিতে আছে আরো ১৪,৩০০ জন।
আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে এইচআইভি আক্রান্ত লোকের সংখ্যা ৮ হাজারেরও বেশি। আবার কোনো কোনো সংস্থা মনে করে এ সংখ্যা ১১ হাজার। যা দেশের মোট জনসংখ্যার শূন্য দশমিক ১ শতাংশেরও কম। আপাত দৃষ্টিতে এর প্রাদুর্ভাব কম হলেও এইডস-এর ঝুঁকিতে আছে এমন জনগোষ্ঠীর হার শতকরা শূন্য দশমিক ৭।
ব্যক্তির সাথে আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ করা,
২) তাদেরকে মানসিকভাবে প্রফুল্ল রাখার চেষ্টা করা এবং তাদের প্রতি যত্নবান হওয়া,
৩) তাদেরকে অন্যান্য সবার মত সমান সুযোগ দেয়া,
৪) এইচআইভি আক্রান্তদের নিত্য-নৈমিত্তিক কাজ থেকে বঞ্চিত না করা,
৫) পরিবারের ও সমাজের অন্যান্য সদস্যগণ কর্তৃক এদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা।
৬) পার মহল্লা বা অন্য কেউ আক্রান্ত হলে অবহেলা বা দুর্বব্যবহার না করে মানসিকভাবে সুস্থ রাখতে সহায়তা করা।