6 Answers

কিছু প্রাকৃতিক পদ্ধতি যা সহজেই আপনার ব্রণ কমাতে সাহায্য করবে। আর ঘরোয়া সামগ্রীই সবচেয়ে ভালো আর নিরাপদ। এতে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ারও ভয় থাকেনা।

-শশার রস তৈলাক্ততা দূর করতে খুবই কার্যকর। প্রতিদিন বাইরে থেকে এসে শশার রস দিয়ে মুখ পরিষ্কার করতে পারেন।

-এ ছাড়া স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করতে চাইলে এর সঙ্গে চালের গুঁড়া মিশিয়ে নিলেই হবে। যাদের মধুতে অ্যালার্জি নেই, তারা সামান্য মধুও মিশিয়ে নিতে পারেন এই মিশ্রণে। সপ্তাহে দুই দিন এই প্যাক ব্যবহার করলে ত্বক পরিষ্কার হবে। ব্ল্যাকহেডস ও হোয়াইটহেডস দূর হয়ে যাবে। খেয়াল রাখতে হবে, ব্রণ থাকলে স্ক্রাব করা যাবে না।

- কাঁচা হলুদ এবং চন্দনকাঠের গুঁড়ো ব্রণের জন্য খুবই কার্যকর দুটো উপাদান। সমপরিমাণ বাটা কাঁচা হলুদ এবংচন্দন কাঠের গুঁড়ো একত্রে নিয়ে এতে পরিমাণ মত পানি মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করতে হবে। মিশ্রণটি এরপর ব্রণ আক্রান্ত জায়গায় লাগিয়ে রেখে কিছুক্ষণ পর শুকিয়ে গেলে মুখঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই মিশ্রণটি শুধুমাত্র ব্রণদূর করার কাজ করে না বরং ব্রণের দাগ দূর করতেও সাহায্য করে।

 -আপেল এবং মধুর মিশ্রণ হচ্ছে ব্রণের দাগ দূর করার সবচেয়ে জনপ্রিয় ঘরোয়া পদ্ধতি। প্রথমে আপেলের পেষ্ট তৈরি করে তাতে ৪-৬ ফোঁটা মধু মিশাতে হবে। মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষন অপেক্ষা করেএরপর মুখ ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। এটি ত্বকের টানটান ভাব বজায় রাখে এবং গায়ের রঙ হালকা করে। সপ্তাহে ৫-৬ বার এটি ব্যবহার করা যেতে পারে। আপনি কয়েকদিনের মধ্যে পরিবর্তনটা অনুভব করতে পারবেন।

-ব্রণের জন্য তুলসি পাতার রস খুব উপকারী। কারণ তুলসি পাতায় আছে আয়ূরবেদিক গুণ। শুধুমাত্র তুলসি পাতার রস ব্রণ আক্রান্ত অংশে লাগিয়ে রেখে শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে।

-প্রথমে চন্দন কাঠের গুড়োঁর সাথে গোলাপ জল মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করুন। এরপর এতে ২-৩ ফোঁটা লেবুর রস মিশাণ। গোলাপজল অনেকের ত্বকের সাথে এডজাষ্ট হয় না। তারা সেই ক্ষেত্রে গোলাপ জলের পরিবর্তে মধু ব্যবহার করতে পারেন। এই মিশ্রণ আপনার ব্রণের দাগ দূর করতে সাহায্য করবে। সপ্তাহে ৩-৪দিন ব্যবহার করতে পারলে ভালো ফল পাওয়া যাবে।

-গোলাপজলের নিয়মিত ব্যবহারে ব্রণের দাগ কমে যায়। দারুচিনি গুঁড়ার সাথে গোলাপজল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্ট ব্রণের ওপর লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এতে ব্রণের সংক্রমণ, চুলকানি এবং ব্যথা অনেকটাই কমে যাবে।

-এছাড়া রাতে শোয়ার আগে ডিমের সাদা অংশ ব্রণ আক্রান্ত জায়গায় ম্যাসেজ করে সারারাত রাখতে পারেন। এটি আপনার ত্বকের খসখসে ভাব দূর করে। সবচেয়ে ভালো হয় যদি এর সাথে লেবুর রস যোগ করা যায়। আপনি এটি আধ ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলতে পারেন।

-কমলা লেবুর খোসা শুকিয়ে মিক্সিতে গুঁড়ো করে নিন। মসুরির ডাল আর চাল ভিজিয়ে ভালো করে পিষে নিন। ঐ পেস্টের মধ্যে চন্দন পাউডার, মুলতানি মাটি, কমলালেবুর খোসার গুঁড়ো মিশিয়ে ভালো করে মিলিয়ে নিন। এই মিশ্রণের মধ্যে দুই চামচ দুধও মিশিয়ে নিতে পারেন। মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রাখার পর ধুয়ে নিন। এই প্যাকটা নিয়মিত মুখে লাগান। ত্বকের জেল্লা বাড়বে। ব্রণের দাগও দূর হয়ে যাবে।

-ব্রণ হবার একটি অন্যতম কারণ হলো অপরিষ্কার ত্বক। তাই ত্বক রাখতে হবে পরিষ্কার। নিয়মিত স্ক্রাবিং ত্বককে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। পাকা পেঁপে চটকে নিন এক কাপ। এর সাথে মেশা এক টেবিল চামচ পাতিলেবুর রস এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চালের গুঁড়ো। মিশ্রণটি মুখসহ পুরো শরীরে লাগান। ২০-২৫ মিনিট মাসাজ করে গোসল করে ফেলুন। পেঁপে ছাড়াও ব্যবহার করতে পারেন ঘৃতকুমারীর রস।

-চার-পাঁচটা নিম পাতা ভালো করে ধুয়ে পিষে নিন। এর মধ্যে এক চামচ মুলতানি মাটি, অল্প গোলাপ জল মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। প্যাকটা যদি গাঢ় হয়ে যায় তাহলে এর মধ্যে গোলাপ জল মিশিয়ে নিন। মুখে লাগিয়ে বেশ কিছুক্ষণ রেখে দিন। প্যাকটা মুখে শুকিয়ে গেলে হালকা পানি দিয়ে মুখটা ধুয়ে ফেলুন।

-অতিরিক্ত গরমের কারণে ত্বকে যেসব ফুসকুড়ি এবং ব্রণ হয় সেগুলো দূর করতেও পুদিনা পাতা উপকারী। টাটকা পুদিনা পাতা বেটে ব্রণের ওপর লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট এরপর ধুয়ে ফেলুন।

কিছু টিপসঃ

-প্রতিদিন ৯-১০ গ্লাস পানি পান করুন।

-প্রতিদিন রাতের খাবারের পর যেকোনও ধরনের মৌসুমি ফল খান। এটি আপনার ত্বককে সতেজ রাখবে। যতটা সম্ভব তেলযুক্ত বা ফাষ্ট ফুড জাতীয় খাবার পরিহার করুন।

-সব সময় বাইরে থেকে আসামাত্র মুখ ফেসওয়াস দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এছাড়া হালকা গরম পানির স্টীম নিতে পারেন। এতেকরে ত্বকে জমে থাকা ধূলোবালি পরিষ্কার হয়ে যাবে।

-আমাদের মধ্যে অনেকেরই নখ দিয়ে ব্রণ খোটার বাজে অভ্যাস রয়েছে।আমাদের বুঝতে হবে এটা কোন সমাধান না। উল্টো এতে ব্রণের অবস্থা আরও খারাপ হবে। এর ফলে ব্রণ লাল হয়ে যাবে। এমনকি তা ফেটে গিয়ে মুখে দাগের সৃষ্টি করবে। ব্রণ না যাওয়া পর্যন্ত মেক-আপ ব্যবহার না করাই উচিত। দিনে অন্তত দুই বার তেল-মুক্ত ক্লিনজার দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে হবে।

আপনি যদিবহুদিন যাবত ব্রণসমস্যায় ভুগে থাকেন, কোন কিছুতেই কাজ হচ্ছে না, তারা আর দেরি না করে কোন অভিজ্ঞ ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন।

2977 views
যেভাবে প্রাকৃতিক উপায়ে ব্রণ দূর করবেন
:
➣ উপটান ১চা চামচ, কাঁচা হলুদ বাটা ১ চা
চামচ ,তাজা নিম পাতা বাটা, লেবুর রস
বা কমলা লেবুর রস মিশিয়ে মুখে লাগান।
আপনি চাইলে একটু বেশি পরিমাণে নিয়ে
করতে পারেন এবং ৩/৪ দিন পর্যন্ত
রেফ্রিজারেটরে রেখে ব্যবহার করা
যাবে। প্রতিবার মুখ ধোয়ার সময় অল্প
পরিমাণে নিয়ে মুখে ম্যাসাজ করে
শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করে ধুয়ে
ফেলতে হবে। এই মিশ্রণটি মাত্র ৭ দিন
ব্যবহার করলে আপনার মুখের ব্রণ থেকে
মুক্তি পাবেন।
➣ কাঁচা দুধ, হলুদ গুঁড়া, অ্যালোভেরা জেল
মিশিয়ে হালকা হাতে ম্যাসাজ করে ৫
মিনিট পর ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলতে
হবে। এতে ত্বকের কোমলতা বাড়বে এবং
সেই সাথে ত্বকের ময়লা পরিষ্কার করবে।
➣ ১ চা চামচ উপটান, ১ চা চামচ মধু, ১ চা
চামচ লেবুর রস, এবং ১ চা চামচ গোলাপ
জল এই মিশ্রণ মুখে লাগিয়ে ২/৩ মিনিট
ম্যাসাজ করে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে
ফেলতে হবে। দিনে ৩ বার ব্যবহার করতে
হবে। আপনি চাইলে এই মিশ্রণটি ৩/৪ দিন
পর্যন্ত রেফ্রিজারেটরে রেখে সংরক্ষণ
করতে পারেন। এই প্যাকটা প্রাকৃতিক
প্যাকের মধ্যে অন্যতম।
➣ ১/২ চা চামচ আলু কুচি, ১/২ চা চামচ
শশা কুচি, ১ চা চামচ কাঁচা হলুদ বাটা, ১
চা চামচ টক দই ও ১ চা চামচ পুদিনা পাতা
দিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে মুখে লাগিয়ে ২/৩
মিনিট ম্যাসাজ করে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে
ফেলতে হবে। এই মিশ্রণটি ব্যবহার করলে
আপনার ত্বকের কালচে ভাব দূর করার
সাথে সাথে মুখে আনবে লাবণ্যতা ।
➣ পুদিনা পাতা ১ চা চামচ, দারুচিনি ১ চা
চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, মধু ১ চা চামচ
দিয়ে পেস্ট তৈরি করে মুখে লাগান। ৩/৪
মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এই মিশ্রণটি ৪/৫
ব্যবহারের করলেই ব্রণ থেকে মুক্তি
পাওয়া যাবে।
উপরোক্ত প্যাকগুলো অবশ্যই প্রতিদিন
কয়েকবার ব্যবহার করতে হবে। সকালে ঘুম
থেকে উঠে আপনার মুখের ত্বক পরিষ্কার
করতে হবে কারণ আপনার মুখে সারা রাত
ধরে অনেক তেল জমা হয়ে থাকে আর এ
থেকেও ব্রণের সৃষ্টি হয়।
অবশ্যই ঘুমাতে যাওয়ার আগে আপনার
মুখের ত্বক পরিষ্কার করতে হবে, কারণ এই
সময়ে ত্বক পরিষ্কার না করলে সারা রাত
ধরে আপনার মুখে রোগ জীবাণু বহন করে
ব্রণের উপদ্রব বাড়িয়ে দেবে। এভাবে ত্বক
পরিষ্কার পরিছন্ন রাখলে কিছু দিনের
মধ্যে আপনি পাবেন ব্রণ মুক্ত লাবণ্যময়
চেহারা।
2977 views

**নিয়মিত ফেসওয়াস ব্যবহার করুন

**সকালে চিরতার পানি ও রাতে ইসবগুলের

ভূষি খাবেন,

**প্রতিদিন কমপক্ষে ৮ ঘন্টা ঘুমাবেন

**দুশ্চিন্তা দূরে সরিয়ে রাখবেন

**দিনে ১২ গ্লাস পানি খেয়ে পেট পরিষ্কার রাখবেন

**শাক-সবজি ও আঁশযুক্ত খাবার বেশি খাবেন,

**ক্ষতিকর চিনিযুক্ত খাবার যেমন সোডা পানীয় পরিহার করতে হবে

**এর চেয়ে তাজা ফলের জুস খেতে পারেন,

**খাবার তালিকায় স্যূপ, টমেটো ও শশা রাখুন,

**আর হ্যা সব সময় হাসিখুশি থাকার চেষ্টা

করবেন, টেনশন করলে ব্রন বাড়ে,

মনে রাখবেন ব্রণ একটা বয়সে চলে

যায়, তবে সেটি না গেলে তা নিয়মিত

অভ্যাসের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে,

ব্রণ হল ডায়াবেটিসের মতো যার প্রকৃত কোন

সমাধান নেই তবে তা সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণযোগ্য!

একটা সময় ব্রন এমনিতেই সেরে যাবে

2977 views

আপনি রোজ রাতে ঘুমোনোর আগে,  মুখে লেবুর রস তুলো দিয়ে ঘসে লাগিয়ে রাখতে পারেন এবং সকালে ঘুম থেকে ওঠার সময় আপনি কোনো ভালো একটি facewash দিয়ে মুখটা পরিষ্কার করে দেন।  আপনার ব্রণ আস্তে আস্তে একেবারেই কমে যাবে, দাগ গুলিও মুছে যাবে। ( যদি দেখেন আপনার মুখ জ্বলছে লেবুর রস লাগানোর সময়, তাহলে লেবুর রসের সঙ্গে একটু মধু মিশিয়ে নেন, এতে আপনার মুখ জ্বলাটাও কমবে, আবার মুখ আরও ফর্সা হবে)

2977 views

প্রতিদিন আপনি নিয়মিত গোসল করুন। মসলা জাতীয় খাবার কম খাবেন। ভাজাপোড়া খাবার এড়িয়ে চলবেন। আর আপনার ত্বকে যে ব্রণগুলো আছে তাতে হাত দ্বারা চুলকাবেন না। হাত দ্বারা অযথা চুলকালে আপনার ব্রণ আরো বেড়ে যাবে। আর প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে পানি পান করবেন। সম্ভব হলে প্রতিদিন লেবু রস ৩০ মিনিট মুখে মাখিয়ে রাখবেন। তারপর পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলবেন।

2977 views

ব্রনো দূরকরার সবথেকে সহজ কৌশল হল 1) দিনে দু বার গোসল করার চেস্টা করবে 2) সবান থেকে ফেস ওয়াস বেশি ব্যাবহার করবে3) রদে বের হ ওয়ার সময় ছাতা ব্যাবহার করবে4) চুলে খুসকি দূর করতে হবে 5)জল বেসি করে খেতে হবে 6) পারলে মুখে প্রতি দিন বরফ ঘসে দবে | তার কিছু পর দেখবে আনেক টা সেরে গেছে | এগুলিতে যদি না কজ হয় তাহলে দোকান দিয়ে এই মলাম টি কিনুন  Aconesin gel | এতে যদি না কাজ হয় তাহলে কনো বড় ডাঃ সঙ্গে পরমস্য নিন|

2977 views

Related Questions