5 Answers
আপনার যখন খারাপ লাগবে, তখন আপনার কাছের একজন মানুষ বা আপনার বন্ধুকে ফোন করুন। পৃথিবীতে বন্ধুর তুলনায় আর কোন কিছু নেই, যে আপনাকে যেকোনো মুহূর্তে খুশি করতে পারে। যদি সে আপনার প্রকৃত বন্ধু হয়, তাহলে সে আপনাকে খুশি করার জন্য যেকোনো কিছু করতে পারবে, কারন সে জানে, সে যখন কষ্টে থাকবে আপনি তাকে অবশ্যই সাহায্য করবেন।
মন ভালো করার সবচেয়ে ভালো উপায়, ফ্রেন্ডের সাথে আড্ডা মারা। আড্ডা একবার জমে গেলে মন খারাপের কথা মনেই থাকবে না। প্লাস একা একা থাকলে নিজেকে ব্যস্ত রাখার চেষ্টা করেন, অনেক জোরে জোরে গান শুনুন। দেখবেন মন খারাপ কিভাবে দৌড়ে পালায়! মোট কথা নিজের পছন্দের কাজে ডুবে যান। মাথার যেসব চিন্তা মন খারাপ করে দেয় তা ঝেড়ে ফেলুন আর সময় দিলে সব কিছুই ঠিক হয়ে যায়।
মন ভালো করার জন্য এখানে কিছু টিপস দেয়া হল। এগুলো অবলম্বন করলে আপনার মন ভালো হতে বেশি সময় লাগবে না। ১. কাউকে বলুন: আপনার যখন খারাপ লাগবে, তখন আপনার কাছের একজন মানুষ বা আপনার বন্ধুকে ফোন করুন। পৃথিবীতে বন্ধুর তুলনায় আর কোন কিছু নেই, যে আপনাকে যেকোনো মুহূর্তে খুশি করতে পারে। যদি সে আপনার প্রকৃত বন্ধু হয়, তাহলে সে আপনাকে খুশি করার জন্য যেকোনো কিছু করতে পারবে, কারন সে জানে, সে যখন কষ্টে থাকবে আপনি তাকে অবশ্যই সাহায্য করবেন। ২. এগিয়ে যান: হালকা ব্যায়াম, হাঁটা, নৃত্য করা, কিছু সময় দৌড়ানো ইত্যাদির সাহায্যে আপনার মনকে পরিষ্কার করুন এবং আপনার চিন্তা-ভাবনা রিফ্রেশ করুন। আপনি কিছু সময়ের মধ্যে ভালো অনুভব করবেন। ব্যায়ামের ফলে শরীর থেকে ইনডোরফিন নির্গত হয়। যার ফলে মানুষ ভালো অনুভব করে এবং ব্যায়ামের ফলে শরীরের এনার্জি বৃদ্ধি পায়। ৩. বাহিরে যান: মুক্ত বাতাস ও সূর্যের আলো শরীরের জন্য অনেক উপকারী। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা অফিসে বসে বসে কাজ করে, তাদের তুলনায় যারা বাহিরে ঘুরে ঘুরে কাজ করে তাদের স্ট্রেস এর পরিমাণ কম। কিছু সময় সূর্যের আলোর নীচে থাকার ফলে আপনার শরীরে ভিটামিন –ডি এর মাত্রা বৃদ্ধি পাবে। যা আমাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। ৪. জোরে শ্বাস নিন: প্রতিদিন কমপক্ষে একবার এক মিনিট দীর্ঘ শ্বাস নেয়ার চেষ্টা করুন। এর ফলে মন ভালো হবার সাথে সাথে স্বাস্থ্যের নানা প্রকার উপকার হয়। শরীরের ৭০ শতাংশ টক্সিন দূর করে, টেনশন ও স্ট্রেস দূর করে এবং হজমের সমস্যা দূর করে। ৫. আপনার পছন্দের খাবার খান এবং পানি পান করুন: দুপুরের খাবারের পূর্বে যদি আপনার খারাপ অনুভূতি হয়, এর প্রধান কারন হতে পারে আপনি অনেক বেশি ক্ষুধার্ত। এসময় আপনার পছন্দমত খাবার খেয়ে নিন। এতে আপনার মনে অনেক আনন্দের সৃষ্টি হবে। ডিহাইড্রেশন এর প্রধান কারন হল পানির অভাব। যার ফলে অনেক সময় মেজাজের বিভিন্ন পরিবর্তন হয়ে থাকে। তাই, পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি অবশ্যই পান করুন। ৬. এমন কোন কাজ করুন যা আপনার কাছে অনেক কিছু: জীবনের অনেক বিষয় রয়েছে যা আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এমনি কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখুন। এতে আপনার মেজাজ ভালো থাকবে। অপ্রয়োজনীয় চিন্তা আপনাকে কষ্ট দিবে না। ৭. নেতিবাচক মানুষ থেকে দূরে থাকুন: আশেপাশের মানুষ যদি নেতিবাচক চিন্তাধারার হয়, তাহলে তা নিজের জীবনে অনেক বেশি প্রভাব ফেলে। তাদের কারনে অনেক সময় নিজের পথ বাধাগ্রস্ত হয়। তাই, আশেপাশে থেকে তাদের দূরে রাখাই ভালো। তখন আর মন খারাপ হবার কোন কারনও আপনি খুঁজে পাবেন না। এই ৭টি পদ্ধতি অবলম্বন করুন। দেখবেন তাৎক্ষণিক আপনার মন ভালো হবার সাথে সাথে দীর্ঘসময় আপনি চিন্তামুক্ত থাকতে পারবেন।-সূত্র: গো উই লাভ ইট।
অবসরের সময়গুলোতে পরিবারের সকলকে নিয়ে টিভিতে পছন্দের কোনো অনুষ্ঠান দেখতে পারেন। রাতে ভালো কোনো গল্পের বইও পড়তে পারেন। সিনেমা হলে গিয়ে স্বপরিবারে বা বন্ধুদের নিয়ে দেখে আসতে পারেন ভালো কোনো চলচ্চিত্র। মনে রাখা জরুরী যে দেহের সুস্থতার থেকে মনের সুস্থতা অনেক বেশি জরুরি। তাই মন ভাল রাখতে কিছু উপায়ও অবলম্বন করতে পারেন : ১. ক্ষমাঃ ধরুন আপনার সঙ্গে একজনের খারাপ সম্পর্ক আছে। আপনার মনের মধ্যে তার ছবি কল্পনা করে ও আপনার উচ্চ সত্তা থেকে ভালোবাসার শক্তি নামিয়ে এনে বার বার বলুন, তোমাকে ক্ষমা করে দিলাম। পরবতীতে লোকটির প্রতি একটু হলেও ভালোবাসা জন্মাবে। ২.শান্ত থাকার যোগঃ আমরা বেশির ভাগ সময় আমাদের নিজেদের কামনা- বাসনা নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত হয়ে পড়ি। কিন্তু এটা না করে স্থির থাকুন। ৩.স্থির হওয়ার ব্যায়ামঃ একটি চেয়ারে বসুন ও পা দুটিকে মেঝেতে রাখুন। চোখ বন্ধ করুন ও মনে মনে চিন্তা করুন যেন আপনার মেরুদর শেষ প্রান্তে, যোগের ভাষায় যাকে কু-লী বলে, সেখানে একটি বৈদ্যুতিক তার লাগানো রয়েছে। এই বৈদ্যুতিক তার আপনার মাথার ওপরের শান্ত সাগরের মতো পৃথিবীর ঠিক মাঝখান থেকে ঝরনাধারার মতো নেমে এসেছে। এটি আপনার দেহে ঢুকে আপনার দেহের সকল বর্জ্যপদার্থ ও খারাপ কিছু চুষে নিচ্ছে। আপনি নিজেকে খুব হালকা বোধ করছেন। প্রথম প্রথম এটি করতে শান্ত জায়গার প্রয়োজন হবে। পরে, আপনি এটি আয়ত্ত করতে পারলে যে কোনো স্থানে বা জায়গায় করতে পারবেন। ৪. তিন চক্রকে সক্রিয় রাখাঃ বিশুদ্ধ চক্র, অনাহত চক্র ও মণিপুর চক্রের মধ্যে দিব্য আলো, আনন্দ, চেতনা খেলা করতে থাকে। তাই এই চক্রগুলো সক্রিয় রাখা খুব জরুরি। কণ্ঠ, হৃদয় ও প্লীহার ওপরে চাপড়াতে থাকুন। এতে এই চক্রগুলো সক্রিয় হবে। দিনে দু মিনিট করে আপনি এটি করতে থাকুন। ৫. স্নায়ু উত্তেজক ব্যায়ামঃ স্নায়ু উত্তেজিত করতে ও জড়তা দূর করতে আপনি বিভিন্ন যোগ ব্যায়াম করতে পারেন। ৬. কুকুর অথবা বিড়াল পোষাঃ বেশির ভাগ মানুষ স্বার্থপর হয়ে থাকে। তাই, স্বার্থপর মানুষের সঙ্গ না দিয়ে প্রাণীদের সঙ্গ দেওয়া অনেক ভালো। ৭. গাছ লাগানোঃ প্রকৃতির আপনাকে উদার হতে সাহায্য করবে। ৮. অল্পেই খুশি হয়ে যাওয়ার গুণটা আয়ত্ব করে ফেলেন, প্রাণ খুলে হাসুন। সর্বোপরি হতাশা আর দুঃশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পেতে মনে রাখতে হবে আপনি যেমনই হন না কেন আপনার মত পৃথিবীতে আর দ্বিতীয় কেউ নেই। এখনও অনেক কিছুই বাকি। নিজের মত করে বাঁচুন এবং আনন্দে থাকুন। - ধন্যবাদ।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy