ছেলেদের চুল কালো করার সহজ উপায় কি?
5 Answers
চুল খুব দ্রুত ঘন ও কালো করার ৪টি ঘরোয়া উপায়২০১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯ ১৯:১২:৩১ ঘন কালো সুন্দর চুল সকলেরই বেশ পছন্দের। সেই প্রাচীনকাল থেকে মেয়েদের সৌন্দর্যের বর্ণনায় চুলের উপমা দেয়া হয়ে থাকে। ঘন কালো লম্বা চুলের উপমা ছাড়া নারীর সৌন্দর্যের বর্ণনা পরিপূর্ণতা পায় না। মাঝে বেশ কিছুদিন ছোট চুলের ফ্যাশন ছিল। কিন্তু আবার নতুন করে ফিরে এসেছে লম্বা চুলের ফ্যাশন। কিন্তু সমস্যা হলো আবহাওয়া এবং আমাদের যত্নআত্তির ত্রুটির কারণে চুলের সৌন্দর্য ধীরে ধীরে কমে আসছে। সকলেরই এখন চুল ঝরে পড়া কিংবা টাকের সমস্যা। এর পাশাপাশি কমে গিয়েছে চুল বাড়ার প্রক্রিয়াটিও। সহজে চুল লম্বাই হতে চায় না। এই সমস্যা সমাধান করবে ঘরোয়া কিছু প্রাকৃতিক উপায়। খুব সহজে আপনিও এই উপায়গুলো খাটিয়ে চুলের বেড়ে ওঠাকে নিশ্চিত করতে পারেন। নতুন চুল গজিয়ে চুল হবে ঘন, কালো, লম্বা। পেঁয়াজের ব্যবহার সেই প্রাচীন কাল থেকে চুল বৃদ্ধির কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে পেঁয়াজ। পেঁয়াজের রসে রয়েছে সালফার যা চুলের কোলাজেন টিস্যুর বৃদ্ধি উন্নত করে এবং চুল বাড়তে সাহায্য করে দ্রুত। লাল পেঁয়াজ ছোট ছোট করে কেটে নিয়ে একটি পাতলা পরিষ্কার কাপড়ে রেখে চিপে রস বের করে নিন। এই পেঁয়াজের রস পুরো মাথার ত্বকে ভালো করে লাগিয়ে নিন। ১৫ মিনিট পর মৃদু কোনো সাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২ দিন ব্যবহার করুন এই পেঁয়াজের রস। ডিমের হেয়ার মাস্ক ডিমের উচ্চ মাত্রার প্রোটিন চুলের ফলিকলে পুষ্টি প্রদান করে এবং চুল দ্রুত বৃদ্ধি নিশ্চিত করে। এই মাস্কের সালফার, জিংক, আয়রন, সেলেনিয়াম, ফসফরাস এবং আয়োডিন চুল দ্রুত বৃদ্ধি করে। ১ টি ডিমের সাদা অংশ নিন। এতে ১ টেবিল চামচ মধু এবং ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। চুলে ভালো করে লাগিয়ে ২০ মিনিট রাখুন। এরপর শ্যাম্পু করে চুল ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ১ দিন ব্যবহারে ভালো ফল পাবেন। আলুর রসের ব্যবহার চুলের বৃদ্ধির কাজে আলুর রসের ব্যবহার অনেকেই জানেন না। কিন্তু আলুর ভিটামিন এ, বই এবং সি চুলের দ্রুত বৃদ্ধিতে বেশ সহায়ক। আলু একেবারে ঝুড়ি করে নিয়ে খুব দ্রুত এর রস বের করে নিন। এই রস সরাসরি মাথার ত্বকে ভালো করে ঘষে লাগান। ১৫ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২/৩ বার ব্যবহার করলে ভালো ফলাফল পাবেন। মেহেদীর হেয়ার মাস্ক মেহেদী চুলের জন্য অনেক বেশি ভালো একটি উপাদান। চুল ঘন কালো ও লম্বা করতে মেহেদীপাতার তুলনা নেই। ১ কাপ পরিমান শুকনো গুড়ো মেহেদী অর্ধেক কাপ টকদই দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এই মেহেদীর মিশ্রণ চুলের আগা থেকে গোঁড়া এবং মাথার ত্বকে ভালো করে লাগান। শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত চুলে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। এই মাস্কটি সপ্তাহে ১ দিন ব্যবহার করবেন।
কিছু টিপস: * নিয়মিত মাথার চুল পরিষ্কার করতে হবে। * সপ্তাহে দু’বার শ্যাম্পু করুন এবং ভালো মানের শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। * প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় প্রচুর ফল, শাকসবজি ও ভিটামিন সি যুক্ত খাবার রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে- খনিজ ও ভিটামিনের অভাবে চুল লালচে হয়ে যায় এবং চুলের আগা ফাটা শুরু হয়। * নিয়মিত দুধ ও ডিম ও খেতে হবে। * চুলে তেল দিন মাসে অন্তত দু’বার। আগের দিন রাতে তেল দিয়ে ঘুমিয়ে যান পরের দিন শ্যাম্পু করুন। * আমলকি ও মেথি একসাথে বেটে চুলে লাগিয়ে ৪০ মিনিট রেখে দিন। এর পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহার করলে চুল কালো হয়। বাটার ঝামেলায় না যেতে চাইলে আমলকী ও মেথির গুঁড়ো কিনে নিন। তারপর পানি দিয়ে পেস্ট বানিয়ে চুলে লাগান। * চুল রঙ করা থেকে বিরত থাকুন। ঘন ঘন চুল কালার করলে চুলের আসল ঘন কালো রঙটি হারিয়ে যায়। ...অনেকের অযত্নে অবহেলায় বা ধুলাবালিতে চুল লালচে হয়ে যায়। আবার অনেকের জন্মগতভাবেই চুল লালচে হয়। ঘন কালো উজ্জ্বলতা একবার হারিয়ে ফেললে সহজে তা ফিরে পাওয়া কঠিন। তবে চেষ্টা করলে সব কিছুই সম্ভব।
যাদের চুল লালচে, তাদের লালচে চুল প্রাকৃতিক ভাবে কালো করার একটি উপায়। যা যা লাগবে : - লাল জবা ফুল - নারিকেল তেল পদ্ধতিঃ ২-৩ টি লাল জবা ফুল হালকা গরম নারিকেল তেলে চটকিয়ে তেলের সাথে ভালো করে মেশাবেন। এর পরে ঐ লাল জবা ফুলের মেশানো তেল চুলের গোড়ায় গোড়ায় লাগাবেন। এভাবে রাতে রেখে দিবেন। সকালে উঠে ভালো কোন শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলবেন। এভাবে প্রতি সপ্তাহে করবেন। দেখবেন আপনার চুল কেমন উজ্জ্বল, কালো হয়ে উঠেছে।
১্।চুলের ম্যাসেজটা অনেক বেশি দরকারী। প্রয়োজনীয় উপকরণ দিয়ে চুল ম্যাসেজ করলে মাথার ত্বকের রক্ত সঞাচালন স্বাভাবিক হয়। এর ফলে চুলের গোড়া শক্ত হয়। ফলে চুল পড়া বন্ধ হয়। ২. ১ দিন পরপর শ্যাম্পু করা অবশ্যই জরুরি। এতে ময়লা জমে চুলের গোড়া নরম করে না। ৩. কিছু উপকরণের তৈরি হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন। যেমন, ডিম, আলু, পেঁয়াজ, কলা, মেহেদি পাতা, মেথি, আমলকী ইত্যাদির তৈরি হেয়ার প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। এগুলো চুল মজবুত করে এবং চুল ঘন ও লম্বা করতে সহায়তা করে। ৪. কিছু প্রয়োজনীয় তেল দিয়ে ভালোভাবে ম্যাসেজ করুন প্রতি সপ্তাহে অন্তত ৪ দিন। যেমন সরিষার তেল, ক্যাস্টর অয়েল, অলিভ অয়েল, নারিকেল তেল, জবা ফুলের তেল ইত্যাদি। এছাড়া মধু ও লেবু চুলের জন্য বেশ পুষ্টিকর। এগুলোও তেলের সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। ৫. বাইরের কসমেটিকসের ব্যবহার কমিয়ে প্রাকৃতিক বিভিন্ন উপাদানের ব্যবহার করতে পারেন। কেননা বাইরের কসমেটিকসে বিভিন্ন ধরনের কেমিকেল থাকে যা চুলের জন্য ক্ষতিকর। এর পরিবর্তে প্রাকৃতিক উপাদান চুলের জন্য পুষ্টিকর।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy