3 Answers

এখনি প্রাকৃতিক উপায়ে মাথা ব্যাথা থেকে মুক্তি নিন মাথা থাকলে ব্যথা করবে। একথা সব সময় বলে থাকি আমরা। কিন্তু মাঝে মাঝে যন্ত্রণা এমন পর্যায়ে পৌঁছে যায় মনে হয় মাথাটা না থাকলে ভাল হতো। এবার শরীরটাকে কিছুদিন সবুজ আর প্রকৃতির মধ্যে দেওয়া হোক। পানি পান বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মাথা ব্যাথার কারণ একটাই, শরীরে পানির অভাব। ব্যাথার ভাব দেখা গেলে ঝটপট দুই গ্লাস পানি পান করুন। আর দিনে অন্তত 2/3 লিটার পানি পানের অভ্যাস থাকা ভাল। আদা চা তাজা দেখে এক ইঞ্চি আদা নিয়ে প্রচণ্ড রাগ নিয়ে পিষে ফেলুন। তারপর ঐ আদা দিয়ে চা বানিয়ে খেয়ে ফেলুন। মাথা ব্যাথা সারতে অ্যাসপিরিন এর যতক্ষণ লাগে, এটাও ততক্ষণ সময় নেবে লেবু মাথা ব্যাথায় লেবু চা আসলেই অনেক কাজ করে। এটা জানা কথা তবে নতুন করে যেটা করতে পারেন তা হলো, লেবুর চায়ের মাঝে লেবুর চামড়া কুঁচি করে মিশিয়ে দিন। চোখের বিরাম যাদের সারাক্ষণ মনিটরে চোখ রাখতে হয়, তাদের মাথা ব্যাথা অতি সাধারণ সমস্যা। তবে ১/২ মিনিট পর পর এদিক ওদিক তাকালে কিংবা মুখে ঠান্ডা পানির ঝাপটা দিলে নিশ্চয়ই কাজের খুব একটা ক্ষতি হবে না। ক্যাপসিকাম ক্রিম জ্বালাময়ী ক্রিম বানানোর অন্যতম উপকরণ ক্যাপসিকামের ভেতর থাকা পিপার। বাজারে বিভিন্ন এধরনের ক্রিম পাওয়া যায়। মাথার যেপাশে ব্যাথা সেই পাশের নাকের ছিদ্র দিয়ে খানিকটা ক্রিম লাগিয়ে দিন। জল চিকিৎসা এতে শুধু মাথা ব্যাথা না। শরীরের আরো অনেক ব্যাথাও ভাল হয়ে যাবে। প্রথমে যতটা সহ্য করা যায় ততটা গরম পানির বালতিতে 2 মিনিট পা ডুবিয়ে রাখুন। এতে করে ত্বকে রক্ত সরবরাহের গতি বাড়বে। 2 মিনিট পরে আবার অনেক ঠান্ডা পানিতে পা ডোবান। এতে করে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় রক্তের সাপ্লাই বাড়বে। এভাবে চলবে বিশ মিনিট। উপরি পাওনা হিসেবে একদিকে শরীরের দরকারি জায়গায় দ্রুত পুষ্টিকর উপাদান পৌঁছাবে, অন্যদিকে দূর হবে দূষিত পদার্থ। ঠান্ডা গরম থেরাপি সরাসরি বরফ লাগাবেন না, আইস ব্যাগে ভরে মাথাকে বরফ শীতল করা যেতে পারে। পাশাপাশি ঘাড়ে দিতে হবে গরম ভাপ। আকুপ্রেশার শরীরের নির্দিষ্ট জায়গায় চাপ প্রয়োগ করে রোগ দূর করার প্রাচীন এই চীনা চিকিৎসা পদ্ধতি এখনও সগর্বে টিকে আছে। মুখের ভেতর বুড়ো আঙুল ঢুকিয়ে পর্যায়ক্রমে দুপাশের চোয়ালের হাড়ে চাপ দিন। এরপর দুটো বুড়ো আঙুল ঢুকিয়ে তালুতে চাপ দিন। ম্যাগনেশিয়াম ম্যাগনেশিয়াম সমৃদ্ধ শাক সবজিতে রয়েছে anti spasmodik এবং anti inflammatory ব্যাথা নাশক উপাদান। তাই মাথা ব্যাথা কমাতে বেশি করে ব্রকলি, পুই শাক, পালং শাক, শিম, সয়া, দুধ, বাদাম খাবেন। ঘ্রাণ থেরাপি অ্যারোমাথেরাপির সঙ্গে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কোনো দরকার নেই। ঘ্রাণেই রোগ মুক্তির পন্থাটা অনেক আগেকার। মাথা ব্যাথা বাদ পড়বে কেন? বাটিতে গরম পানি ঢেলে তাতে রোজমেরি গুলিয়ে ঘ্রাণ নিতে পারেন। রোজমেরি ছাড়া, পিপারমিন্ট, ল্যাভেন্ডার, sandalwood কিংবা ইউক্যালিপ্টাসের ঘ্রাণ কাজে আসে। তবে ঘ্রাণ নেয়ার আগে টাওয়েল দিয়ে যতটা সম্ভব ঢেকে দেবেন নিজেকে। যাতে ঘ্রাণ পালাতে না পারে। শিথিল ব্যাথা দূর অনেক সময় অস্থিরতা থেকে অসহনীয় মাথা ব্যাথা দেখা দিতে পারে। এক্ষেত্রে নিজেকে কিছুটা সুস্থির করতে পারলে দেখা যায় ব্যথা চলে গেছে। সুস্থির হতে ১ থেকে ১০ পযর্ন্ত গুনুন। বড় করে শ্বাস নিন। এতে করে মাংসপেশী শিথিল হবে। শরীরকে টান টান করে রাখুন। গরম পানি দিয়ে গোসল করলে ভাল কাজ হবে। হালকা মেজাজের গান শুনুন।

3314 views Answered

কষ্ট করে একটা নাপা প্যারাসিটামল খেয়ে নিন। আর সম্ভব হলে এক ঘন্টার একটা ঘুম দিয়ে ফেলুন। একদম মাথাব্যাথাহীন ঝরঝরা একটা মানুষ হয়ে যাবেন।

3314 views Answered

*মাথার ব্যথা যদি অসহনীয় হয়ে ওঠে তবে তোয়ালে ঠাণ্ডা পানিতে ভিজিয়ে কিছুক্ষণ পর পর কপালে আলতো করে ছোঁয়ান। এটি মাথার ব্যথা কমাবে। *মানুষের দেহে পানিশূন্যতার ফলে হতে পারে মাথাব্যথা। তাই প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে। (অ্যালকোহল,কফি জাতীয় পানীয় পরিহার করতে হবে। কারণ এগুলো পানিশূন্যতা সৃষ্টি করে) *ভেষজ চা মানুষের মাথাব্যথার আশঙ্কা কমাতে সাহায্য করে থাকে। তাই আপনাকে প্রতিদিন এক কাপ ভেষজ চা পান করতে হবে। *নিয়মিত হাঁটা চলা,দৌড়ানো বা সাঁতার কাটলে মানুষের দেহের রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়। এতে মাথাব্যথা হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়। *বেশিরভাগ সময় আমাদের মাথাব্যথা শুরু হয় মানসিক চাপের কারণে। আর তা থেকে মুক্তি পেতে আপনাকে হাসতে হবে প্রাণখুলে। তবেই ঝেড়ে ফেলতে পারবেন দুশ্চিন্তা, থাকবেও না আর মাথা ব্যথা। *অপরিমিত ঘুম হতে পারে প্রচণ্ড মাথাব্যথার কারণ। তাই প্রতিদিন ঘুমাতে হবে সময়মতো, যথেষ্ট পরিমাণে। *ম্যাগনেসিয়াম ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার মাথাব্যথা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

3314 views Answered

Related Questions

Next steps