4 Answers
যেকোনো ধরনের ত্বকের জন্য কলা হচ্ছে চমৎকার একটি মাস্ক। তাই এই মাস্কটি তৈরি করার জন্য আপনার প্রয়োজন হবে কলা এবং হুইপ ক্রিম। কলা চটকে নিতে হুইপ ক্রিমের সাথে মিশিয়ে নিতে হবে। আপনি চাইলে এর সাথে একটি ভিটামিন ই ক্যাপসুল মিশিয়ে নিতে পারেন ত্বকের জন্য প্যাকটিকে শক্তিশালী করতে। পুরো মুখে এটা লাগিয়ে শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তারপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। প্রাকৃতিক ভাবেই আপনার ত্বককে করবে পুনর্গঠিত এই ঘরোয়া মাস্কটি।
মুখের ত্বক টানটান করে তুলতে ব্যবহার করুন এই ৫টি প্যাক ব্যবহার করে: চালের গুঁড়ো এবং পেঁপের মাস্ক এই মাস্কটি তৈরি করতে প্রয়োজন হবে পাকা পেঁপে, চালের গুঁড়ো এবং মধু। প্রথমে একটি পরিষ্কার পাত্রে পাকা পেঁপে খুব ভালো করে চটকে নিতে হবে। তাতে এক টেবিল চামচ চালের গুঁড়ো নিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এবার এর সঙ্গে ৩ টেবিল চামচ মধু দিয়ে খুব ভালো করে মিশিয়ে এই মাস্কটি পুরো মুখে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। তারপর ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। পেঁপেতে থাকা পাপাইন নামক উপাদানটি ত্বকের ভাঁজ ও চামড়া ঝুলে পরা প্রতিরোধ করে। ব্লুবেরি ও মধুর মাস্ক ত্বকের ধরন ভালো করতে এবং বলিরেখা কমাতে ব্লুবেরি খুবই উপকারী। এক মুঠো ব্লুবেরি নিয়ে ব্লেন্ড করে একটি মসৃন পেস্ট তৈরি করুন। তারপর আগে সামান্য মধু দিয়ে পুরো মুখে মেখে নিয়ে তার উপর ব্লুবেরি পেস্ট লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকার ফলে নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক হবে উজ্জ্বল এবং টান টান। ডিম এবং অ্যালোভেরা ফেসপ্যাক ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া প্রতিরোধে অ্যালোভেরা ও ডিম চমৎকার কাজ করে। ডিমের সাদা অংশ নিয়ে বিট করে এতে কিছুটা অ্যালোভেরার জেল মিশিয়ে আবার বিট করে মসৃণ আর ফ্লাপি একটা পেস্ট তৈরি করুন। তারপর একটি ব্রাশ দিয়ে মুখের নিচের দিক থেকে উপরের দিকে লাগান। মুখের প্যাকটি শুকিয়ে গেলে তুলা নিয়ে পানিতে ভিজিয়ে নিয়ে ঠিক আগের মতোই নিচের দিক থেকে উপরের দিকে দিয়ে প্যাকটি তুলে ফেলুন। এটি মুখের শুষ্কতা, বলিরেখা, ত্বকের ভাঁজ দূর করে ত্বকের উজ্জ্বলতা ও ইলাস্টিসিটি ফিরিয়ে আনবে। কলা এবং হুইপক্রিম যেকোনো ধরনের ত্বকের জন্য কলা হচ্ছে চমৎকার একটি মাস্ক। তাই এই মাস্কটি তৈরি করার জন্য আপনার প্রয়োজন হবে কলা এবং হুইপ ক্রিম। কলা চটকে নিতে হুইপ ক্রিমের সঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে। আপনি চাইলে এর সঙ্গে একটি ভিটামিন ই ক্যাপসুল মিশিয়ে নিতে পারেন ত্বকের জন্য প্যাকটিকে শক্তিশালী করতে। পুরো মুখে এটা লাগিয়ে শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তারপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। প্রাকৃতিক ভাবেই আপনার ত্বককে করবে পুনর্গঠিত এই ঘরোয়া মাস্কটি। শশা এবং ডিমের সাদা অংশ এই প্যাকটি তৈরি করতে আপনার প্রয়োজন হবে ঠাণ্ডা শশা ও ডিমের সাদা অংশ। প্রথমে কিছুটা শশা নিয়ে খোসা ফেলে দিয়ে ব্লেন্ড করতে হবে মসৃণ না হওয়া পর্যন্ত তারপর এর সাথে একটি ডিমের সাদা অংশ এবং ১ চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে মুখের নিচের অংশ থেকে উপরের দিকে অর্থাৎ থুতনির নিচ থেকে গালের উপরের দিকে ম্যাসেজ করুন কিছুক্ষন এবং ২০ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি আপনার মুখের ঝুলে যাওয়া ত্বককে দৃঢ় করতে সাহায্য করবে। এই প্যাকগুলো ব্যবহার করার সঙ্গে সঙ্গে নিয়মিত ভাবে অলিভ অয়েল বা অন্য যেকোনো ভিটামিন ই সমৃদ্ধ তেল দিয়ে মুখে ম্যাসেজ করুন। তবে অবশ্যই সঠিক পদ্ধতিতে ম্যাসেজ করবেন তা নাহলে বিপরীত ফল হতে পারে। সঠিক ভাবে এই মাস্কগুলোর ব্যবহারের মাধ্যমেই আপনি পেতে পারেন আপনার কাঙ্ক্ষিত নিখুঁত ও টান টান ত্বক। নিয়মিত ব্যবহারে আপনিও হয়ে উঠতে পারেন বলিরেখামুক্ত তারুণ্য উজ্জ্বল ত্বকের অধিকারী।
নিচের ৩ টি উপায়ে আপনার মুখের ত্বক টানটান করতে পারবেন।--------↓ লেবুতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, যা ত্বকে কোলাজেনের উৎপাদন বৃদ্ধি করে ও ত্বকের টানটান ভাব ফিরিয়ে দেন। পাকা লেবুর রস নিংড়ে নিন, তাজা রস তুলো দিয়ে মুখে লাগান। ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন ও ময়েশচারাইজার লাগিয়ে নিন। রোজ করুন এই কাজটি। ২/ নারিকেল তেল অনন্য উপাদান – সকালে ও রাতে মুখে নারিকেল তেলের ম্যাসাজ ফিরিয়ে দেবে ত্বকের তারুণ্য। অল্প কয়েক ফোঁটা তেল নিন, ঘুমাবার আগে মুখে ম্যাসাজ করে ঘুমান। সানব্লক হিসাবেও ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন বিশুদ্ধ নারিকেল তেল, ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে সহায়ক। ৩/ ডিমের একটি দারুণ ফেসপ্যাক – দুটি ডিমের সাদা অংশ, দুই টেবিল চামচ টক দই ও সামান্য চিনি একসাথে মিশিয়ে নিন। এই ফেস প্যাক মুখে, গলায় ও হাতে মাখুন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন, দারুণ এই ফেস প্যাক অল্প কিছু দিনেই আপনার ত্বক করে তুলবে তরুণ ও সুন্দর। সপ্তাহে অন্তত ৩ বার করুন।
মুখের ত্বক টানটান করার উপায়: ১। ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন ও হাইড্রেটেড থাকুন প্রচুর পরিমাণে তরল খাবার আপনার শরীরকে আভ্যন্তরীণ ভাবে হাইড্রেটেড রাখবে এবং ভালো মানের ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করলে ত্বক বাহ্যিক ভাবে নমনীয় থাকবে। শিয়া বাটার, আমন্ড তেল, ও অলিভ অয়েল হচ্ছে সবচেয়ে ভালো প্রাকৃতিক উপাদান যা ত্বককে কোমল রাখে। ২। মুখের ব্যায়াম করুন: সবচেয়ে খারাপ জায়গা হচ্ছে মুখের ও ঘাড়ের ত্বক ঝুলে পড়া। সৌভাগ্যক্রমে মুখের কিছু ব্যায়াম আছে যা নিয়মিত করলে মুখের ত্বক টানটান হয়। বিশেষ করে চিবুকের ত্বক ঝুলে পড়তে শুরু করে তাড়াতাড়ি। চিবুকের ত্বক টানটান করার জন্য মুখ ভর্তি করে বাতাস নিন, ৩০ সেকেন্ড অপেক্ষা করুন, তারপর ছেড়ে দিন। ৩০ গুণতে যে সময় লাগে সেই সময় পর্যন্ত দিনে দুইবার করে করুন। এইরকম আরো মুখের ব্যায়াম আছে যেমন- চিবুক উঠিয়ে সিলিং এর দিকে তাকিয়ে থাকুন, ৩০ সেকেন্ড পর নামিয়ে নিন। এভাবে চেহার এক্সারসাইজ করলে আস্তে আস্তে ত্বকের ভাঁজ গুলো দূর হবে। ৩। হেলদি ডায়েট হেলদি ডায়েট ত্বক টানটান করতে সাহায্য করে। ত্বক টানটান করার সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে পুষ্টিকর খাবার খাওয়া। যদি আপনি প্রতিদিন ফল ও সবজি খান তাহলে আপনার ত্বক আর্দ্র ও সুস্থ থাকবে। উচ্চমাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাদ্য অ্যান্টিএজিং এজেন্ট হিসেবে কাজ করে। ফ্রি রেডিকেল ড্যামেজ এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যখন আপনার খাদ্য তালিকায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকেনা তখনই ত্বকের ঝুলে পড়ার সমস্যাটি দেখা দেয়। আপনার খাদ্য তালিকায় ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাবার যেমন- গাজর, বিট ইত্যাদি রাখুন। তাহলে ত্বকের ইলাস্টিসিটি পুনরায় ফিরে পাবেন। কোলাজেন বৃদ্ধির জন্য সয়া প্রোডাক্ট খান। ৪। ফেসিয়াল মাস্ক: ত্বক টানটান করার জন্য অন্যতম উপায় হচ্ছে ফেসিয়াল মাস্ক ব্যবহার করা। বিভিন্ন প্রকার মাস্ক আছে যেমন- ডিমের সাদা অংশ, লেবু, অ্যালোভেরা, মধু ও শশা ইত্তাদি। · ডিমের সাদা অংশে অ্যাস্ট্রিজেন থাকে যা ঝুলে পড়া ত্বকের মেরামতের জন্য ভালো। · ১টি বা ২টি ডিমের সাদা অংশ আলাদা করে নিয়ে ফেটাতে থাকুন যতক্ষণ না ফোমের মত হয়। · এবার এটি মুখে ও ঘাড়ে ভালোভাবে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। · দৃঢ় ত্বকের জন্য সপ্তাহে ২ দিন এটি ব্যবহার করুন। ৫। অয়েল ম্যাসাজ করুন মুখে ও ঘাড়ে প্রাকৃতিক তেল যেমন- অলিভ অয়েল ম্যাসাজ করলে ঝুলে পড়া ত্বক দৃঢ় হয়। অলিভ অয়েলে ভিটামিন এ ও ই থাকে যা অ্যান্টি এজিং হিসেবে কাজ করে। · অলিভ অয়েল সামান্য গরম করে মুখে লাগান · আঙ্গুল দিয়ে বৃত্তাকারে মুখে ম্যাসাজ করতে খাকুন ১০ মিনিট যাবত · প্রতিদিন ঘুমানোর আগে এটা করুন। · এছাড়াও নারিকেল তেল, জোজোবা বা আমন্ড তেল ও ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়াও বাহিরে যাওয়ার ২০ মিনিট আগে ভালো মানের সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন যার SPF 15 বা তার উপরে। ঘুম কম হলে ত্বকের উপর সরাসরি প্রভাব পড়ে যার ফলে বয়সের ছাপ দ্রুত পরে। তাই পর্যাপ্ত সময় ঘুমান প্রয়োজন। প্রচুর পানি পান করুন। ধূমপান বর্জন করুন। হঠাৎ করে ওজন না কমিয়ে এক্সারসাইজের মাধ্যমে ওজন কমান।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy