2 Answers
ঘুস দেওয়া নেওয়া একটি সামাজিক ব্যাধি। এর অর্থ হালাল নয়। মহান আল্লাহ এ কাজে নিষেধ করে বলেছেন, “তোমরা নিজেদের মধ্যে একে অন্যের ধন অন্যায়ভাবে গ্রাস করো না এবং মানুষের ধন সম্পদের কিয়দাংশ জেনেশুনে অন্যায়ভাবে গ্রাস করার উদেশ্যে বিচারকগণকে ঘুস দিও না।” (বাকারাহঃ ১১৮) ঘুস দাতা যদি ঘুস দিতে বাধ্য না হয় তাহলে সেও সমান পাপী। মাঝের যোগাযোগ কারিও পাপী। মহান আল্লাহ বলেছেন, “সৎ কাজ ও আত্নসংযমে তোমরা পরস্পর সহযোগিতা কর এবং পাপ ও সীমালঙ্ঘনের কাজে একে অন্যের সাহায্য করো না। আর আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ শাস্তিদানে অতি কঠোর। (মায়িদাহঃ ২) ঘুসের নানা রকম অপকারিতা আছে। (‘হারাম রুযী ও রোজগার দ্রঃ ) . স্বেচ্ছায় কোন কাজে ঘুস দেওয়া হারাম। ‘আল্লাহর রাসুল (সঃ) ঘুসখোর, ঘুসদাতা (উভয়কেই) অভিশাপ করেছেন।’ (আবু দাউদ ৩৫৮০, তিরমিজি ১৩৩৭, ইবনে মাজাহ ২৩১৩, ইবনে হিব্বান, হাকেম ৪/১০২-১০৩, সহি আবু দাউদ ৩০৫৫ নং) অবশ্য নিজের অধিকার আদায় করতে গিয়ে যদি কেউ ঘুস দিতে বাধ্য হয়, তাহলে ঘুস দাতা পাপী হবে না পাপী হবে ঘুস গ্রহীতা। পক্ষান্তরে যাতে তার অধিকার নেই তা আদায় করার জন্য অথবা হককে বাতিল আর বাতিলকে হক করার জন্য ঘুস নেওয়া হারাম। (ইবনে উসাইমিন) আরো বিস্তারিত ভাবে জানতে চাইলে ক্লিক করুনঃ http://www.hadithbd.com/showqa.php?pageNum_RsQA=2&b=1&s=166
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy