6 Answers
আপনি ব্রনের জন্য ফোনা ক্রিম টা ব্যাবহার করুন।শুধু ব্রনের উপরে দিনে দুই বার দিবেন।ব্যাথা কমার জন্য প্যারাসিটামল দিনে তিনবার করে খাবেন।
দুটি পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন আপনি। যদি আপনার ত্বক হয়ে থাকে স্বাভাবিক, তাহলে মাত্র ৫ মিনিটের একটি কাজ করতে হবে আপনাকে। যদি শুষ্ক বা সেনসিটিভ হয়ে থাকে, তাহলে সময় লাগবে ৩০ মিনিট। -মুখ খুব ভালো করে পরিষ্কার করে নিন। ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে তোয়ালে দিয়ে মুছে নিন। -যদি স্বাভাবিক বা তৈলাক্ত ত্বক হয়, তাহলে তাজা পাকা লেবুর রস (যে লেবু পেকে হলদে হয়ে গেছে, অর্থাৎ লেমন) সরাসরি মুখের কালো দাগে লাগিয়ে নিন। লেবুর রসের সাথে সামান্য মধুও মিশিয়ে নিতে পারেন। তারপর শুকাতে দিন। এবং লেবুর রস মুখে নিয়েই ঘুমিয়ে যান। স্বাভাবিক বা তৈলাক্ত ত্বকে কোন সমস্যা হবে না। সকালে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ মুছে নিন। -আর যদি শুষ্ক বা সেনসিটিভ ত্বক হয়, তাহলে পাকা লেবুর রসের সাথে মুলতানি মাটি ও মধু মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ ধোয়া মুখে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের কালো দাগ মিলিয়ে যাবে। টিপস- ত্বকে লেবুর রস দেয়ার পর যদি কোন রকম অস্বস্তি অনুভব করেন, তাহলে অবিলম্বে মুখে ধুয়ে ফেলুন এবং পুনরায় ব্যবহার করবেন না।
প্রতিরাতে ননজেল টুথপেষ্ট ব্রনের উপর ভালো করে মাখিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন, সকালে ধুয়ে ফেলুন, এভাবে ৩-৫ তিন ব্যবহারে ব্রনের ফোলা কমে ব্রন মিলিয়ে যাবে।
"মেডি প্লাস" নামক টুথপেষ্ট বা "ভিক্স" যা নাক বন্ধ হয়ে গেলে ব্যাবহার করে| এদের যে কোন একটি প্রতি রাতে ব্রণের উপর মেখে ঘুমিয়ে পরুন| ২-৩ দিনের মধ্যে ব্রণ কমে যাবে| আর কখনোই ব্রণ খুটবেন না| এতে ব্রণের দাগ পরে যাবে|
আপনি রেটিন-এ ক্রীমটা ব্যাবহার করতে পারেন এতে আপনার ব্রন ভালো হবে।যেকোন ফারমেসিতে পাবেন।
আপনি দারুচিনি গুড়ো করে তাতে মধু মিশান। তারপর এই মিশ্রণটি ব্রণের উপর লাগিয়ে দিন। দেখবেন ব্রণ আস্তে আস্তে ছোট হয়ে যাবে এবং ব্যাথাও কমে যাবে।