1 Answers
ঘাড়ে দুই ধরনের ব্যথা হয়, ১.লোকাল বা স্থানীয় ব্যথা এবং ২. রেফার্ড পেইন বা দুরে ছড়িয়ে যাওয়া ব্যাথা। ঘাড় ব্যথার কারণ : অনেকগুলি কারনে ঘাড়ে ব্যাথা হতে পারে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য – ১. সারভাইক্যাল স্পনডাইলোসিস ২.সারভাইক্যাল স্পনডাইলাইটিস ৩.সারভাইক্যাল স্পনডাইলিসথেসিস ৪.সারভাইক্যাল রিবস ৫.সারভাইক্যাল ক্যানেল স্টেনোসিস বা স্পাইনাল ক্যানাল সরু হওয়া ৬.সারভাইক্যাল ডিক্স প্রলেপস বা হারনিয়েশন যেখানে হারনিয়াটেড ডিস্ক নার্ভ এর উপর চাপ প্রয়োগ করে ৭.মাংসপেশি, হাড়, জোড়া, লিগামেন্ট, ডিস্ক (দুই কশেরুকার মাঝখানে থাকে) ও স্নায়ুর রোগ বা ইনজুরি ৮.অস্বাভাবিক পজিশনে নিদ্রা বা অনিদ্রা ৯.উচ্চ রক্তচাপ ও হƒদরোগ ১০.হাড় ও তরুণাস্থির প্রদাহ এবং ক্ষয় ১১. অস্টিওপরোসিস বা হাড়ের ক্ষয় ও ভঙ্গুরতা রোগ ১২.হাড় নরম ও বাঁকা হওয়া ১৩.রিউমাটয়েড-আর্থ্রাইটিস ও সেরো নেগেটিভ আর্থ্রাইটিস ১৪.সারভাইক্যাল অস্টিও-আর্থ্রাইটিস ১৫.ফাইব্রোমায়ালজিয়া ১৬.সামনে ঝুঁকে বা পাশে কাৎ হয়ে ভারী কিছু তুলতে চেষ্টা করেছেন ১৭.হাড়ের ইনফেকশন ১৮.ডিস্কাইটিস (ডিস্কের প্রদাহ) ১৯.পেশাগত কারণে দীর্ঘক্ষণ ঘাড় নিচু বা উঁচু করে রাখলে যেমন ডেস্কে বসে কাজ করা, কম্পিউটার নিয়ে কাজ করা, টেলিফোন অপারেটর ইত্যাদি ২০.ছাত্র-ছাত্রীর চেয়ারে বসে পড়াশোনা করার সময় ঘাড় ও মাথার অবস্থান ঠিকমতো না হলে উপুড় হয়ে শুয়ে বই পড়লে ২১.ড্রাইভিং করার সময় ঘাড় ও মাথা সঠিকভাবে না থাকলে, ২২.বুক ও পেট মধ্যকার বিভিন্ন অঙ্গের সমস্যার জন্য (যেমন, পিত্তথলির পাথর, ডায়াফ্রাম ইরিটেশন ইত্যাদি) ঘাড় ব্যথা হতে পারে। একে রেফার্ড পেইন বলে ২৩.হাড় ও স্নায়ুর টিউমার ২৪.যে কোন কারণে অতিরিক্ত চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়লেও ঘাড় ব্যথা হতে পারে, ২৫. টরটিকলিস ইত্যাদি।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy