আমার সারামুখ সারাবছর তৈলাক্ত থাকে।যার কারণে সারাবছর সারামুখে ছোট ছোট বর্ণ থাকে।এই তৈলাক্তভাব এবং বর্ণ দুর করার কোন ভাল টিপস থাকলে। দয়া করে আমাকে জানাবেন।আর কোন ঔষধ খেলে বা ক্রিম ব‍্যবহার করলে এ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব জানাবেন।
2903 views

7 Answers

কাচা হলুদ বেটে পেস্ট তৈরি করে মুখমন্ডলে মাখুন তেলতেলে ভাব দূর হবে

2903 views

মুখের তৈলাক্ত ভাব দূর করতে যা করবেনঃ ১। দিনের শুরুতেই মুখ ভালো করে পরিষ্কার করে নিন। রাতে যদি ডিপ ক্লিন করে থাকেন ত্বক, তাহলে সকালে পরিষ্কার করুন সাধারণ ফেসওয়াশ দিয়ে। ২। মুখে উষ্ণ পানির ঝাপটা দিন। তারপর ফেসওয়াশ লাগান। ম্যাসেজ করে ধুয়ে তারপর সাধারণ পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। মুখে যেন সাবান লেগে না থাকে। ৩। এবার ১ মগ হালকা উষ্ণ পানির সাথে ১ চামচ লবণ ও লেবুর রস মিশিয়ে নিন। ৪। এই পানি দিয়ে মুখে ধুয়ে ফেলুন ভালো করে পানির ঝাপটা দিয়ে। ৫। চোখ বন্ধ রাখবেন, নাহলে চোখ জ্বলতে পারে। ৬। লবণ পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে মুখ ভালো করে মুছে নিন। যদি চিটচিটে ভাব বেশী মনে হয়, বা অস্বস্তি লাগে, তাহলে মিনিট দশেক পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে মুছে নিন। ৭। মনে রাখবেন , তৈলাক্ত ত্বকের জন্য সাধারণ পানির বদলে ফিল্টার করা পানি বা ফুটানো পানি ব্যবহার করাই ভালো। তৈলাক্ত ত্বকে যা ব্যবহার করবেন না । ৮। তৈলাক্ত ত্বকে খুব বেশী প্রসাধনী ব্যবহার না করাই ভালো, এতে ব্রণের সমস্যা বাড়ে। ৯। ওয়েট টিস্যু ব্যবহার করবেন না তৈলাক্ত ত্বকে, এতে ত্বকের ক্ষতি হয়। ১০। তৈলাক্ত ত্বকে স্ক্রাবার ব্যবহার করবেন না। ১১। দিনের যে কোন সময় ত্বক তৈলাক্ত মনে হয়ে টিস্যু বা রুমাল পানিতে ভিজিয়ে সেটা দিয়ে মুখে মুছে নিন। সুযোগ পেলে বরং ঘষে নিন। ত্বকের বাড়তি তেল নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

2903 views

হালকা গরম পানিতে লবন মিষিয়ে মুখ ধুয়ে দেখুন।

2903 views

তৈলাক্ততা দূর করার উপায় -শশার রস তৈলাক্ত ভাব দূর করতে খুবই কার্যকর। প্রতিদিন বাইরে থেকে এসে শশার রস দিয়ে মুখ পরিষ্কার করতে পারেন। – কলা ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দুর করায় বেশ কার্যকর ভুমিকা পালন করে। এজন্য একটা পাকা কলার পেস্ট এর সাথে ১ টেবিল চামুচ মধু ও কয়েক ফোটা লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। মুখে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। -এ ছাড়া স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করতে চাইলে এর সঙ্গে চালের গুঁড়া মিশিয়ে নিলেই হবে। যাদের মধুতে অ্যালার্জি নেই, তারা সামান্য মধুও মিশিয়ে নিতে পারেন এই মিশ্রণে। সপ্তাহে দুই দিন এই প্যাক ব্যবহার করলে ত্বক পরিষ্কার হবে। ব্ল্যাকহেডস ও হোয়াইটহেডস দূর হয়ে যাবে। খেয়াল রাখতে হবে, ব্রণ থাকলে স্ক্রাব করা যাবে না। – গ্রিন টি ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করায় বেশ উপকারি। এই গ্রিন টি দিয়ে সহজেই একটি মাস্ক আপনি তৈরি করে নিতে পারেন মুখে মাখার জন্য। এজন্য আপনাকে ২ টেবিল চামচ গ্রিন টি এর সাথে ১ টে. চামচ মুলতানি মাটি, ১ টে. চামচ মধু ও এক চা চামচ এলোভেরা জেল মিশিয়ে মাস্ক বানিয়ে নিন। মুখে মাখুন। ২০ মিনিট রেখে দিন। ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। এই মাস্কটি রাতে করা ভালো। -গোলাপ জল, লেবুর রস সমান পরিমাণে নিয়ে একটি প্যাক বানিয়ে আধ ঘণ্টা মুখে লাগিয়ে রাখুন। আলতো ভাবে তুলো দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন ধীরে ধীরে। এতে ব্রণ এবং ফুসকুড়ির দাগ উধাও হয়ে যাবে। – প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। পানি আপনার বকের তৈলাক্ততা দূর করতে সাহায্য করে। ডাক্তারদের মতে প্রতি দিন ৮ থেকে দশ গ্লাস পানি পান করা শরীরের জন্য খুব উপকারী। – প্রতিদিন সাত থেকে নয় ঘণ্টা ঘুমান, তাহলে আপনার স্কিনের ক্লান্ত ভাব দুর হয়ে যাবে।

2903 views

তৈলাক্ত ত্বকে খুব সহজেই ধুলোময়লা আটকে যায়। ফলাফল ব্রণ, ফুসকুড়িসহ ত্বকের নানা সমস্যা। ত্বকের এসব সমস্যা থেকে আপনাকে মুক্তি দিতে পারে খুবই সাধারণ একটা ঘরোয়া জিনিস। সেই অতি সাধারণ জিনিসটা হলো ময়দা। একটু অবাক হলেন নিশ্চয়ই? ময়দা ত্বকের গভীর থেকে ময়লা বের করে এনে ত্বককে করে তোলে পরিষ্কার। তাই বাইরে থেকে ফেরার পর ময়দার প্যাক বানিয়ে ত্বকে লাগিয়ে রাখুন ১০ মিনিট। তারপর ধুয়ে ফেলুন। ফলাফলে নিজেই চমকে যাবেন!

2903 views

কাঁচা হলুদ বেটে মুখে দিন।আর ভোটানিক ক্রিম ব্যবহার করুন।এতে ব্রণ দূর হবে।

2903 views

ত্বক নানারকম হতে পারে। তৈলাক্ত ত্বক, শুষ্ক ত্বক, মিশ্র ত্বক, সংবেদনশীল ত্বক ইত্যাদি। তবে ত্বকের ধরন বুঝে চিকিৎসা না দিলে ত্বকের ক্ষতি হয়। সাধারণতঃ যাদের তৈলাক্ত ত্বক তাদের মুখে ব্রন বা একনি বেশি হয়। আবার অনেকে তৈলাক্ত ত্বক হওয়া সত্ত্বেও অয়েলি কসমেটিক ব্যবহার করেন। এমনকি মুখে তেল পর্যন্ত ব্যবহার করেন। এতে ত্বকের পিম্পল আরো বেড়ে যায়। মুখে কালো স্পট তৈরি হয়। তাই ত্বকের ধরন পরীক্ষা করে কসমেটিকস ব্যবহার করা উচিৎ। এছাড়া আজকাল বহু মেয়েরা ত্বক সুন্দর করার জন্য নানারকম কেমিক্যাল মিশ্রিত কসমেটিক্স ব্যবহার করছেন। ছুটছেন বিউটি পার্লারে। তবে মনে রাখতে হবে ত্বকের যথাযথ পরিচর্যার পূর্বেই অবশ্যই আপনার ত্বকের ধরন নির্ণয় করা উচিৎ। পাশাপাশি সুন্দর, লাবণ্যময় ত্বকের জন্য আহার-নিদ্রা, পরিচর্যা বিজ্ঞান ও স্বাস্থ্যসম্মত হওয়া বাঞ্ছনীয়

2903 views

Related Questions