2 Answers
গাড়ি চলমান থাকার কারনে অনেকেই নামাজ পড়তে পারেন না... যাত্রা পথে নিদিষ্ট সময় গাড়ি থামিয়ে নামাজ আদায় করতে পারেন। আপনি নামাজ এর ওয়াক্ত মত নামাজ আদায় করতে না পারলে কাযা নামাজ আদায় করুন। এতে নামাজ ও পড়া হবে এবং রুজি ও চলবে
বাসের হেলপার হলেও ছালাত ত্যাগ করা যাবে না। ছালাত আদায়ের সময় বের করে নিতে হবে। উক্ত অবস্থায় যোহর ও আছর একত্রে দুই দুই রাক‘আত করে পৃথক এক্বামতে জমা ও ক্বছর করবেন। অনুরূপভাবে মাগরিব তিন রাক‘আত ও এশা দুই রাক‘আত পৃথক এক্বামতে জমা ও ক্বছর করবেন। এটি দুই নিয়মে পড়া যায়। শেষের ওয়াক্তের ছালাত আগের ওয়াক্তের সাথে এগিয়ে অথবা আগের ওয়াক্তের ছালাত শেষের ওয়াক্তের সাথে পিছিয়ে একত্রে পড়বেন (বুখারী, আবুদাঊদ, মিশকাত হা/১৩৩৯, ৪৪; ফিক্বহুস সুন্নাহ ১/২১৫) । বিশেষ কারণে বাড়ীতে থাকা অবস্থায়ও যোহর-আছর চার-চার অথবা মাগরিব-এশা তিন-চার রাক‘আত একত্রে জমা করে ছালাত আদায় করতে পারেন এবং তারপর সফরে বের হতে পারেন (বুখারী হা/১১৭৪) । এই সময় বা সফরকালে কেবল বিতর ও ফজরের সুন্নাত ব্যতীত আর কোন সুন্নাত পড়ার প্রয়োজন নেই (দ্রঃ ছালাতুর রাসূল পৃঃ ১৮৮-৮৯) । অনেক সময় ক্বিবলা বুঝা যায় না। তখন যেকোন দিকে মুখ করে ছালাত আদায় করা যাবে (বাক্বারাহ ১১৫; তিরমিযী হা/৩৪৫) । এছাড়াও অনেক সময় পানি ও মাটি কিছুই পাওয়া যায় না, তখন বিনা ওযূ ও তায়াম্মুমেই ছালাত আদায় করা যাবে (বুখারী হা/৩৩৬) । অতএব ছালাতের বিকল্প নেই। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘মুমিন ও কাফির- মুশরিকের মধ্যে পার্থক্য হ’ল ছালাত’ (মুসলিম হা/১৩৪) । যে ব্যক্তি ছালাত পরিত্যাগ করল সে কুফরী করল (আহমাদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনু মাজাহ, মিশকাত হা/৫৭৪ ‘ছালাত’ অধ্যায়) । পরিশেষে বলব, যদি ছালাত আদায়ের কোনরূপ সুযোগ না থাকে, তাহ’লে উক্ত চাকরী ছাড়তে হবে।