2 Answers
রোজা একটা আলাদা বিষয় এবং নামাজ একটি আলাদা বিষয়। রোজা রাখা যেমন ফরজ করা হয়েছে, নামাজ আদাই করাও তদ্রুপ ফরজ। এবং ইসলামের ৫টি ভিত্তির প্রধান দুইটি।নামাজ না পরলে রোজা নষ্ট হবে এটা ভুল ধারনা। তবে ইসলামে রোজা পালন থেকেও নামজকে বেশি গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে। সেই অর্থে আমাদের উচিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সঠিক ভাবে আদাই করা। এবং রোজা মমিনের ঢাল স্বরূপ তাই কোন ইবাদাত কেই কম গুরুত্ব দেওয়ার সুযোগ নেই। আরেকটা কথা, এই ধরনের অজুহাত না দেওয়াই ভাল।কারন, আমাদের মহান আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন তার ইবাদাতের জন্য।এবং আমার জানামতে অন্তত আমাদের দেশে এমন কোন প্রতিষ্ঠান নেই যারা কেউ নামজের জন্য ছুটি চাইলে বিমুখ করে।
কেউ যদি নিয়মিত ছালাত আদায় করে, কিন্তু কোন কারণ বশতঃ যদি ফরয ছালাত ছুটে যায়, সেক্ষেত্রে তার ছিয়াম হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ। কেননা ছালাত, ছিয়াম, হজ্ব, যাকাত এগুলো প্রত্যেকটি একেকটি স্বতন্ত্র ইবাদাত। তবে কেউ যদি ইচ্ছা করে অথবা ছালাতককে অস্বীকার করে বসে, সেক্ষেত্রে তার ছিয়াম কোন কাজে দিবেনা। কেননা সূরা বাক্বারার নিম্নোক্ত ১৮৩ নাম্বার আয়াত থেকে বুঝা যায়, মহান আল্লাহ কেবলমাত্র ঈমানদারদের উদ্দেশ্য করেই তাক্বওয়া অর্জনের লক্ষ্যে ছিয়ামকে ফরয করেছেন। আর একজন ব্যক্তি যদি নিয়মিত ইচ্ছা করে ছালাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইবাদাত করে ছেড়ে দেয়, তাকে কোন দলীলের ভিত্তিতে মু'মিন ধরতে পারি? অথচ মহান আল্লাহ কেবলমাত্র ঈমানদারদের উপরই ছিয়াম ফরয করেছেন? নিম্নে প্রদত্ত আয়াতের তাফসির দেখলেই আশা করি বিষয়টি আরো সুন্দরভাবে ফুটে উঠবে ইনশাআল্লাহ। মহান আল্লাহ এরশাদ করেন, ' ﻳَﺎ ﺃَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺁﻣَﻨُﻮﺍ ﻛُﺘِﺐَ ﻋَﻠَﻴْﻜُﻢُ ﺍﻟﺼِّﻴَﺎﻡُ ﻛَﻤَﺎ ﻛُﺘِﺐَ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﻣِﻦْ ﻗَﺒْﻠِﻜُﻢْ ﻟَﻌَﻠَّﻜُﻢْ ﺗَﺘَّﻘُﻮﻥَ '
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy