1 Answers
পৃথিবীতে এমন অনেক মানুষ আছেন যারা কখনোই ধূমপান করেন না কিন্তু তারপরেও তাদের ফুসফুসে সমস্যা থাকে। কিন্তু অন্য দিকে যারা প্রায় ৪০ বছর ধরে ধূমপান করছেন তাদের ফুসফুসে কোনো ধরণের সমস্যাই নেই। এই বিষয়টি প্রতিটি মানুষের শারীরিক রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার ওপর নির্ভর করে। তাই আপনি ধূমপান করুন আর নাই করুন, আপনার ফুসফুসে সমস্যা হতেই পারে।
এজন্য ৭২ ঘন্টার (৩ দিন) মধ্যে কি ভাবে আপনার ফুসফুসকে পরিষ্কার করবেন দেওয়া হল কিছু পদ্ধতি। তবে ফুসফুসের সুস্থতায় আপনাকে অবশ্যই সব ধরণের দুগ্ধজাত খাবার হতে নিজেকে দূরে রাখতে হবে এবং ফুসফুস পরিষ্কার করার পদ্ধতিগুলোর মাধ্যমে দুগ্ধজাত খাবারের টক্সিনগুলো বের হয়ে যাবে।
১. রাতে ঘুমানোর আগে আপনি ১ কাপ হার্বাল চা পান করুন। এই চা পানের মাধ্যমে আপনার দেহ থেকে সমস্ত টক্সিন বের হয়ে যাবে যা দেহের জন্য ক্ষতিকর। এই পদ্ধতি মেনে চলার সময় এমন কোন কাজ করা যাবেনা যা ফুসফুসের ওপরে চাপ প্রয়োগ করে।
২. সকালে নাস্তা করার আগে ৩০০ মিলিলিটার পানির সঙ্গে ২ টি লেবু চিপে পানির সঙ্গে মিশিয়ে পান করুন।
৩. আঙুর বা আনারসের জুস বানিয়ে পান করুন, কারণ এই দুটি ফলের জুসে রয়েছে প্রচুর পরিমানে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা আমদের দেহের শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়ার পদ্ধতিকে উন্নত করে।
৪. সকালের নাস্তায় ও দুপুরে খাওয়ার সময়ে খাদ্য তালিকায় রাখুন গাজরের জুস। গাজরের জুস দেহের রক্তে ক্ষারের পরিমান বৃদ্ধি করে।
৫. দুপুরের খাবার খাওয়ার সময় কলার জুস, নারকেলের শ্বাস, পালংশাক খেতে পারেন কারণ এই খাবারগুলোর মধ্যে পটাশিয়াম যা দেহের বিষাক্ত টক্সিন পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।
এজন্য ৭২ ঘন্টার (৩ দিন) মধ্যে কি ভাবে আপনার ফুসফুসকে পরিষ্কার করবেন দেওয়া হল কিছু পদ্ধতি। তবে ফুসফুসের সুস্থতায় আপনাকে অবশ্যই সব ধরণের দুগ্ধজাত খাবার হতে নিজেকে দূরে রাখতে হবে এবং ফুসফুস পরিষ্কার করার পদ্ধতিগুলোর মাধ্যমে দুগ্ধজাত খাবারের টক্সিনগুলো বের হয়ে যাবে।
১. রাতে ঘুমানোর আগে আপনি ১ কাপ হার্বাল চা পান করুন। এই চা পানের মাধ্যমে আপনার দেহ থেকে সমস্ত টক্সিন বের হয়ে যাবে যা দেহের জন্য ক্ষতিকর। এই পদ্ধতি মেনে চলার সময় এমন কোন কাজ করা যাবেনা যা ফুসফুসের ওপরে চাপ প্রয়োগ করে।
২. সকালে নাস্তা করার আগে ৩০০ মিলিলিটার পানির সঙ্গে ২ টি লেবু চিপে পানির সঙ্গে মিশিয়ে পান করুন।
৩. আঙুর বা আনারসের জুস বানিয়ে পান করুন, কারণ এই দুটি ফলের জুসে রয়েছে প্রচুর পরিমানে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা আমদের দেহের শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়ার পদ্ধতিকে উন্নত করে।
৪. সকালের নাস্তায় ও দুপুরে খাওয়ার সময়ে খাদ্য তালিকায় রাখুন গাজরের জুস। গাজরের জুস দেহের রক্তে ক্ষারের পরিমান বৃদ্ধি করে।
৫. দুপুরের খাবার খাওয়ার সময় কলার জুস, নারকেলের শ্বাস, পালংশাক খেতে পারেন কারণ এই খাবারগুলোর মধ্যে পটাশিয়াম যা দেহের বিষাক্ত টক্সিন পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।
50274 views
Answered
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy