3897 views

2 Answers

১। ধর্ষণ বন্ধ করতে হলে সমাজ থেকে নগ্নতা, বেহায়াপনা দূর করতে হবে। ২। ব্লু-ফিল্ম দেখানো নিষিদ্ধ করতে হবে। ৩। অশ্লীল পত্রপত্রিকা ও বইয়ের ব্যবসা বন্ধ করতে হবে। ৪। ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলতে হবে। ৫। ছেলে-মেয়েদেরকে যথাসময়ে বিয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। ৬। সর্বপরি আমাদের বিবেককে জাগ্রত করতে হবে। উপরিউক্ত লক্ষণগুলো দূর করতে পারলে আশা করা যায় কিছুটা হলেও সমাজ থেকে ধর্ষণ প্রবনতা কমবে। তা না হলে কষ্মিনকালেও ধর্ষণ প্রবণতা রোধ করা যাবে না।

3897 views

ধর্ষণের কারণসমূহ:

  1. শর্ট ড্রেস (এটাই একমাত্র কারণ না)
  2. পুরুষদের লোলুপ দৃষ্টি
  3. অনিয়ন্ত্রিত বিপরীতকামী মনোভাব
  4. দুর্বল আইন-প্রয়োগ
  5. বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক
  6. আইটেম-সং, আধুনিক নামের যতসব ট্রাশবিন-ফিল্ম

এরকম আরো কতগুলো কারণ উল্লেখ করা যাবে। তাহলে কী বলব? শুধু পুরুষ একাই দায়ী? ফেমিনিজ়ম তো অনেক হয়েছে। আর কত পাপী-নারীদের (সব নারী পাপী নয়) দোষ ঢাকবেন? ধর্ষণের জন্য নারী ও পুরুষ সমান দায়ী ইসলামী আইন-ব্যবস্থা দ্বারা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে এ ধরনের নোংরা কাজ অনেকাংশে কমবে। সন্তানদের উচিত শিক্ষা, ভদ্রতা শিক্ষা দিতে হবে। ভদ্র কাপড় পরিধান শিক্ষা দিতে হবে। বিপরীতকামীতার খারাপ দিক সম্বন্ধে মানুষকে সচেতন করতে হবে। নোংরা ফিল্ম প্রচার বন্ধ করতে হবে।আইনের শক্তিশালী প্রয়োগ করতে হবে। বিবাহ-বহির্ভূত (নিষিদ্ধ) সম্পর্ক নিষিদ্ধ করতে হবে এবং এর জন্য কঠোরতম শাস্তির বিধান করতে হবে।

ব্যভিচারিণী নারী ব্যভিচারী পুরুষ; তাদের প্রত্যেককে একশ’ করে বেত্রাঘাত কর। আল্লাহর বিধান কার্যকর কারণে তাদের প্রতি যেন তোমাদের মনে দয়ার উদ্রেক না হয়, যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি ও পরকালের প্রতি বিশ্বাসী হয়ে থাক। মুসলমানদের একটি দল যেন তাদের শাস্তি প্রত্যক্ষ করে। [ ২৪ : ২ ]

3897 views

Related Questions