1 Answers

চেষ্ট ফিজিওথেরাপীর সাথে রোগীকে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী এন্টিবায়োটিক সেবন করতে হয়। কফ পরীক্ষায় কি জীবানু আছে তার উপড় নির্ভর করে বিশেষজ্ঞগন এই এন্টিবায়োটিক নির্দিষ্ট করেন। এছাড়া ব্রঙ্কোডাইলেটর জাতীয় অসুধ্ও রোগীকে নিয়মিত সেবন করতে হয়। সেই সাথে অনেক সময় ম্যন্থল ভ্যাপার নিলে কফ বের হতে সুবিধা হয়। আবার কফের সাথে হাল্কা রক্ত গেলে রক্ত বন্ধ করার অসুধ খেতে হয়। একটা কথা জেনে রাখা ভালো যে একবার কারো ব্রঙ্কিয়েকটেসিস হলে তা কখনো পুরোপুরি ভালো হয়ে যায়না। অবশ্য অসুধ খেয়ে এবং নিয়মনীতি মেনে চলে রোগটি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রনে রাখা সম্ভব। তবে অনেক সময়ই রোগটি নিজে নিজে বাড়তে থাকে এবং এক সময় রোগীর প্রচুর শ্বাস কষ্ট হয় এবং কাশির সাথে মাত্রাতিরিক্ত রক্ত যেতে থাকে। এজন্য সব সময় চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থাকতে হবে। সার্জারি করে ব্রঙ্কিয়েক্টেসিস যুক্ত ফুসফুসের অংশটি ফেলে দিলে (Segmentectomy /Lobectomy of lung) রোগী পুরোপুরি এই রোগ থেকে মুক্ত হয়ে যেতে পারে। তবে এটা নির্ভর করে রোগটি কি কারনে হয়েছে বা কোন পর্যায়ে আছে তার উপর। তবে রোগটি যখন খুব বেশী জটিল হয়ে যায় এবং কাশির সাথে খুব বেশী রক্ত যেতে থাকে তখন সার্জারি (Lobectomy, Pneumonectomy, Ligation of Bronchial artery, Bronchial artery embolization) করা ছাড়া আর কোনো উপয়া থাকেনা। তেমনি ব্রঙ্কিয়েকটেসিস এর কারনে কোনো পাশের ফুসফুস পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেলেও সার্জারি করে তা ফেলে দিতে (Pneumonectomy) হয়। এর পর রোগী শুধু একপাশের ফুসফুস নিয়েই একটু সতর্ক ভাবে প্রায় স্বাভাবিক জীবন যাপন প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে পারেন। ফুসফুসের অন্যান্য রোগের মতো এই রোগেও ধুমপান রোগীর জন্য একে বারে নিষিদ্ধ, ধুমপান করলে রোগীর অবস্থা হঠাৎ করে খারাপ হয়ে যেতে পারে।

2640 views

Related Questions