1 Answers

  ১। ল্যাবরেটরি পরীক্ষা: প্রধানত ওবসট্রাকটিভ জন্ডিস যকৃতের disfunction পরীক্ষার মাধ্যমে ফসফাটেজ এর বৃদ্ধির হার দেখা যায়।      ২। বি- আলট্রা সাউন্ডঃ পিত্তনালীর অবস্থান এবং আক্রান্ত স্থানের অবস্থা জানতে এটা করা হয়।      ৩। এম আর সি পিঃ পিত্তনালীর ক্যান্সারের ছড়িয়ে পরার মাত্রা বা স্থান গুলো দেখার জন্য, বা লিভার মেটাস্ট্যাসিস ডায়াগনোসিস করতে এই পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ন।      ৪। সি টিঃ সিটি পরীক্ষা সঠিকভাবে cholangiectasis, পিত্ত এর অবস্থান এবং ক্ষত পরীক্ষনে ব্যবহার হয়।      ৫। ERCP পরীক্ষা: ERCP পরীক্ষা সমগ্র পিত্ত বিস্তারের সাধারণ অবস্থা জানতে এবং পিত্তনালী ক্যান্সার কোষ সংগ্রহ করতে ব্যবহার করা হয়।      ৬। PTC পরীক্ষা: PTC পরীক্ষা পরিষ্কারভাবে morphous এর ভিতরে বা অতিরিক্ত-হেপাটিকের পিত্তনালী ছড়িয়ে পড়া এবং প্রতিরোধক অবস্থান হিসেবে এর বন্টন প্রদর্শন করতে পারে সুতরাং, এটি একটি সঠিক পদ্ধতি থেকে পিত্তনালীর ক্যান্সার নির্ণ‍্যে সাহায্য করে।   

2847 views