1 Answers

১.সার্জারিঃ বাকযন্ত্রের ক্যান্সার চিকিৎসায় সার্জারি অগ্রাধিকার প্রাপ্ত। সার্জারি গুলো হচ্ছে টোটাল লারিঙ্গেকটোমি, আংশিক আনুভূমিক লারিঙ্গেকটোমি, আংশিক উলম্ব লারিঙ্গেকটোমি ইত্যাদি। ক্যান্সারের ধরন বিবেচনা করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা সার্জারির পদ্ধতি নির্বাচন করেন। ২. রেডিয়েশন থেরাপিঃ এই পদ্ধতি তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যাদের ক্যান্সার প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে অথবা যাদের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত দুর্বল। অনেক ক্ষেত্রে সার্জারির পূর্বেও এটা দেওয়া হয়। রেডিয়েশন থেরাপির পরেও রোগীর বাকযন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যকারিতা অব্যহত থাকে। ৩. কেমোথেরাপিঃ যে সব রোগীদের সার্জারি করার সুযোগ নেই এবং যাদেরকে রেডিওথেরাপিও দেওয়া যাবে না তাদের জন্য কেমোথেরাপি। ৪. সূক্ষ্ম আক্রমণকারী থেরাপিঃ বিভিন্ন ধরনের সূক্ষ্ম আক্রমণকারী থেরাপি যেমন থার্মোথেরাপি , ক্রাইওসার্জারি, ইন্টারভেনশনাল থেরাপি, ফটোডায়নামিক থেরাপি ইত্যাদি।এগুলো রোগীদের বাকযন্ত্রের কার্যকারিতা অব্যহত রেখে শুধুমাত্র তাদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বাড়াতে পারে। এক্ষেত্রে অতিরিক্ত পাঁচ বছর বেঁচে থাকার হার এবং বাকযন্ত্রের কার্যকারিতা স্বাভাবিক থাকার হার উভয়ই ৭০% মডার্ন ক্যান্সার হসপিটালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা তাদের অভিজ্ঞতার আলোকে দেখেছেন যে বাকযন্ত্রের চিকিৎসায় মাল্টি ডিসিপ্লিনারি এবং কম্প্রিহেনসিভ ট্রিটমেন্ট একত্রে ব্যবহার করলে সব থেকে ভাল ফল পাওয়া যায়। এসকল ট্রিটমেন্ট এর মধ্যে রয়েছে সার্জারি, কেমোথেরাপি, রেডিয়েশন থেরাপি, চাইনিজ মেডিসিন, বিভিন্ন সূক্ষ্ম আক্রমণকারী থেরাপি প্রভৃতি। রোগীর শারীরিক অবস্থা, রোগের ধরণ এবং পর্যায় ইত্যাদি বিবেচনা করে এসকল থেরাপি দেওয়া হয়।

2656 views Answered

Next steps