1 Answers

এ সমস্যা সমাধানে মুখে মাস্ক বা রুমাল ব্যবহার করতে পারেন। নাক দিয়ে বেশি পানি পড়লে ফেক্সোফে নাজিন জাতীয় ওষুধ ১২০ মিলিগ্রাম ট্যাবলেট দিনে একটা করে পাঁচ থেকে সাত দিন খেতে পারেন। ছোটদের জন্য ফেক্সোফেন সিরাপ আধ চামচ থেকে এক চামচ খাওয়ানো যেতে পারে। নাক বন্ধ হয়ে গেলে এন্টাজল নাকের ড্রপ (১%) এক ফোঁটা দুই নাকে দিনে তিনবার দিতে পারেন। যাদের অনবরত হাঁচি দেয়ার রোগ আছে অর্থাৎ অ্যালার্জিক রাইনাইটিস আছে তারা বিটা মিথাসন বা অন্য কোনো স্টেরয়েড জাতীয় নাকের স্প্রে দিনে দু’বার দিতে পারেন। বসন্তে ফুলের রেণু ও ধুলাবালি থেকে অনেকের হাঁপানি বেড়ে যেতে পারে। শ্বাস টান বাড়লে সালবিউটাবল ইনহেলার নিতে হবে। হাঁপানি প্রতিরোধী হিসেবে স্টেরয়েড ইনহেলার নেয়া উচিত। হাঁপানি তেমন গুরুতর না হলে মন্টিলুকাস ট্যাবলেট (১০ মিলি গ্রাম) দিনে একটি করে সেবন করলে তাও প্রতিরোধী হিসেবে কাজ করে। শীত কিন্তু একদম চলে যায়নি, তাই শীতের লেপ/কম্বল উঠিয়ে ফেললেও কাঁথাটা সঙ্গে রাখুন। শিশুরা অনেক ঘামায় তাদের জন্য ফ্যান ছেড়ে রাখতে হয়। মশারি টাঙিয়ে তার ওপর চাদর দিয়ে দিন। এবার ফ্যান ছাড়ুন। শেষ রাতে ঠাণ্ডা পড়ে তাই খুব স্পিডে ফ্যান ছাড়বেন না, ভাইরাস অসুখ জলবসন্ত, ভাইরাস ফিভার হতে পারে। এ ঋতুতে শীতের আবহাওয়ায় ঘুমন্ত ভাইরাস গরম পড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাতাসের মাধ্যমে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। জলবসন্ত খুব ছোঁয়াচে বিশেষ করে যার কোনো দিন এ রোগ হয়নি। সেজন্য এ রোগ হলে যার জীবনে হয়নি তাকে রোগীর আছ থেকে দূরে রাখতে হবে। সরাসরি সংস্পর্শ এবং রোগীর হাঁচি-কাশির মাধ্যমে জলবসন্ত ছড়ায়। রোগীর ব্যবহার করা কাপড় গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। চুলকানি হলে এন্টিহিস্টামিন জাতীয় ওষুধ খেতে হবে। যদি ঘা পেকে যায় বা নিউমোনিয়া হয়। তবে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা যেতে পারে। সাধারণত ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস দিয়ে ফিভার বা জ্বর হয়। এতে মাথা ব্যথা, শরীর ও গিটে ব্যথা, নাক দিয়ে পানি পড়া, কাশি, খাওয়ার অরুচি, দুর্বলতা ইত্যাদি হতে পারে। প্যারাসিটামল এবং প্রয়োজন হলে অ্যান্টিহিস্টামিন ব্যবহার করলে এ রোগ কয়েক দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যায়। অবস্থা খারাপ হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।

3156 views

Related Questions