3 Answers

ডিজিটাল সংকেত/সিগনালঃ যে সংকেতের মান সময়ের সাপেক্ষে ধাপে ধাপে পরিবর্তন হয় তাকে ডিজিটাল সংকেত বলা হয়। অনেক সময় একে ডিসক্রিট-টাইম সংকেত বলা হয়ে থাকে। ডিজিটাল সংকেতের যে কোন মুহুর্তের মান একটি নির্দিষ্ট ধাপে/স্টেটে অবস্থান করে। এডার, সাবট্রাকটর, মাল্টিপ্লেক্সার, রেজিস্টার ইত্যাদি সার্কিটের মাধ্যমে ডিজিটাল সংকেতকে প্রকৃয়া করা হয়। নিম্নে ডিজিটাল সংকেত চিত্রের মাধ্যমে দেখানো হলোঃ

4516 views

আঙ্কিক বা ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্ৰম-পরিবর্তনশীল এনালগ সংকেতের পরিবর্তে স্তর-পরিবর্তনশীল সংকেত ব্যবহার করা হয়। এই সংকেতকে ডিজিটাল বা বাইনারি (binary) সংকেত বলা হয়। বিচ্ছিন্ন বৈদ্যুতিক সিগনালকে ডিজিটাল সিগনাল বলা হয়। দুইটি পৃথক অবস্থায় কাজ করে এমন ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশের ব্যবহারে এই সংকেত পাওয়া যায়। যেমন ট্রানজিস্টরের অন (on) এবং অফ (off) অবস্থা দ্বারা দুইটি পৃথক অবস্থা বােঝানো সম্ভব। প্রজ্বলিত বাতি এবং নির্বাপিত বাতি অথবা টেপের চুম্বকায়িত অবস্থা এবং অচুম্বকায়িত অবস্থা দিয়ে ডিজিটাল সংকেতের স্তর দুইটিকে সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব। ডিজিটাল সংকেতের স্তর দুইটিকে ০ এবং ১ দ্বারা নির্দিষ্ট করা হয়।

4516 views

ডিজিটাল সিগনাল হচ্ছে কোন তথ্যের বৈদ্যুতিক অবস্থার সংখ্যার কোড। বৈদ্যুতিক অবস্থা বলতে শুধু বিদ্যুত আছে- নাই বা অন -অফ কে বোঝায়। আর কোড হচ্ছে এই অন অফ এর হিউম্যান সেন্সেবল সিগনাল বা সংকেত। যেমন অন কে ১ আর অফ কে ০ দ্বারা প্রকাশ করা হয়। তাহলে ডিজিটাল সিগনালের বৈদ্যুতিক রুপটি হবে ১০১০১০১০ এইরুপ।

আর এই সংখ্যার হিসাব বাইনারীতে করা হয়। 

ডিজিটাল সিগনাল উৎপাদন করে শুধু ট্রানজিস্টর দ্বারা গঠিত লজিক সার্কিট। 

4516 views