1 Answers
আল্লাহর নাম ও গুণ অস্বীকার করা দু‘ধরণের হতে পারেঃ (১) মিথ্যা প্রতিপন্ন করার মাধ্যমে অস্বীকার করা। এটা নিঃসন্দেহে কুফরী। সুতরাং যদি কোন ব্যক্তি আল্লাহর কোন নামকে অস্বীকার করে অথবা কুরআন ও সুন্নায় বর্ণিত আল্লাহর কোন গুণকে অস্বীকার করে, যেমন বলল, আল্লাহর কোন হাত নাই, এধরণের কথা মুসলমানের ঐক্যমতে সম্পূর্ণ কুফরী। কেননা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের সংবাদকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করা কুফরী এবং তা ইসলাম থেকে মানুষকে বের করে দেয়। (২) ব্যাখ্যার মাধ্যমে অস্বীকার করা। তা হল সরাসরি অস্বীকার না করে ব্যাখ্যা করে অস্বীকার করা। এটি আবার দু‘প্রকার। (ক) ব্যাখ্যাটি আরবী ভাষা অনুপাতে হওয়া। এটি কুফরী নয়। (খ) আরবী ভাষাতে ব্যাখ্যাটির পক্ষে কোন প্রকার যুক্তি না থাকা। এটি কুফরীকে আবশ্যক করে। ব্যাখ্যার কোন সুযোগ না থাকলে মিথ্যা প্রতিপন্নকারী হিসাবে সাব্যস্ত হবে। যেমন কেউ বলল, প্রকৃত পক্ষে আল্লাহর কোন ‘হাত’ নেই। এমনকি ‘নিয়ামত’ কিংবা ‘শক্তি’ অর্থেও নেই। এ রকম বিশ্বাস পোষণকারী কাফের। কেননা সে সম্পূর্ণভাবে আল্লাহর নাম ও গুণাবলীকে অস্বীকার করল। আর যদি আল্লাহর বাণী, بَلْ يَدَاهُ مَبْسُوْطَتَانِ “বরং তাঁর দু’হাত প্রসারিত।” (সূরা মায়িদাঃ ৬৪) এর ব্যাখ্যায় কেউ বলে এখানে আল্লাহর দু’হাত দ্বারা আকাশ-জমিন উদ্দেশ্য, সে কাফের হিসাবে গণ্য হবে। কারণ আরবী ভাষাতে এধরণের ব্যাখ্যা ঠিক নয় এবং শরঈ বাস্তবতারও পরিপন্থী। কিন্তু হাতকে যদি নেয়ামতের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করে কিংবা শক্তির মাধ্যমে ব্যাখ্যা করে, তাহলে কাফের হবে না। কারণ ‘হাত’ কখনো কখনো ‘নেয়ামত’ অর্থে ব্যবহার হয়। কিন্তু হাতের প্রকৃত অর্থ পরিত্যাগ করলে অবশ্যই বিদআতীদের দলভুক্ত হবে। বিষয়/প্রশ্নঃ (৩৯) গ্রন্থের নামঃ ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম বিভাগের নামঃ ঈমান লেখকের নামঃ শাইখ মুহাম্মাদ বিন সালিহ আল-উসাইমীন (রহঃ) অনুবাদ করেছেনঃ আবদুল্লাহ শাহেদ আল মাদানি - আবদুল্লাহ আল কাফী
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy