1 Answers

জরায়ু ক্যান্সারের অন্যতম কারণ হিসেবে 'হিউম্যান পেপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) [human papilloma virus (HPV)]

' বা ' এইচপি ভাইরাস'-কে দায়ি করা হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা গেছে, এই ক্যান্সারের লক্ষণ প্রকাশের প্রায় ২ থেকে ২০ বছর আগেই একজন নারী এই ভাইরাস বা এই জাতীয় দ্বারা আক্রান্ত হন। অপরিচ্ছন্নতা বা ঋতুচক্রের সময় ব্যবহৃত দুষিত কাপড়, যৌন-সংযোগের কারণে এই ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়। ২০১০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত প্রায় ১০০ ধরনের এইচপি ভাইরাস সনাক্ত হয়েছে। অবশ্য এর বেশিরভাগই জরায়ু ক্যান্সারের জন্য অতোটা ঝুঁকিপূর্ণ নয়। তবে এইচপিভি-১৬, এইচপিভি ১৮, এইচপিভি-৬, এইচপিভি-১১ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

স্বাভাবিক জীবনযাপনে অভ্যস্ত নারীদের জরায়ু প্রায়ই এইচপি ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়ে থাকে। এতে কোনো উপসর্গ থাকে না বা শারীরিক পরীক্ষায় কোনো চিহ্ন বা ক্ষত পাওয়া যায় না। এর জন্য কোনো চিকিৎসারও প্রয়োজন নেই। শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতাবলে ১৮-২৪ মাসের মধ্যে জরায়ু প্রায় সব এইচপি ভাইরাস থেকে মুক্ত হয়ে যায়। তবে জরায়ুতে এইচপি ভাইরাস দীর্ঘদিন স্থায়ী হলে, জরায়ুমুখের স্বাভাবিক কোষের বৈশিষ্ট্যগত পরিবর্তন ঘটতে থাকেএবং একসময় তা ক্যান্সারে রূপ নেয়।

2977 views