1 Answers
(ক) অপারেশন অপারেশন এর মাধ্যমে যোনিকান্সার পুরোপুরি অথবা কিছু অংশ পূর্বের ভালো অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব। এছাড়াও “এঞ্জিওপ্লাসটি”এর মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়ের যোনি কান্সার এর রোগীদের জরায়ুর কিছু অংশ অপশারন করে চিকিৎসা দেয়া যেতে পারে। প্রাথমিক পর্যায়ে যোনির নিম্নভাগে কোন ধরণের ক্ষত থাকলে যোনি এবং ভল্বারের রিজেকশন এবং কুচকির লসিকাগ্রন্থি ব্যবচ্ছেদ করা (খ) কেমোথেরাপি ঃ শুধুমাত্র কেমোথেরাপি যোনি ক্যান্সারের জন্য সুস্পষ্ট চিকিৎসা নয়। সুতরাং প্রতিটি যোনি ক্যান্সার চিকিত্সায় কেমোথেরাপি এবং রেডিওথেরাপি দ্বারা চিকিত্সা প্রভাব উন্নতি করা যায়। (গ)রেডিওথেরাপি যোনি কান্সার চিকিৎসায় দুই ধরণের রেডিওথেরাপি দেয়া হয়। তাহলো অভ্যন্তরীণ রেডিওথেরাপি (brachytherapy) এবং বাহ্যিক রেডিওথেরাপি (teletherapy) । Brachytherapy এর প্রধান লক্ষ্যমাত্রা যোনির প্রাথমিক ক্ষত এবং সন্নিহিত অঞ্চলে অনুপ্রবেশ। teletherapy এর লক্ষ্য হল টিউমারের আশেপাশের অনুপ্রবেশ অঞ্চল এবং লশিকাগ্রন্থি স্তানান্তর অঞ্চল। সর্বনিম্ন অক্ষত চিকিৎসা ঃ যোনি কান্সারের অক্ষত চিকিৎসা অল্প ক্ষত এবং দ্রুত আরোগ্য ছারাও বেশিদিন হাসপাতালে থাকা এবং বেশী টাকা খরচ থেকেও রক্ষা পাওয়া যায়। তাই এই চিকিৎসা রোগীর কাছে বেশি গ্রহণযোগ্য হয়। ট্র্যাডিশনাল চইনিজ ওষুধ থেরাপিঃ ট্র্যাডিশনাল চইনিজ ওষুধ খুব দ্রুত কান্সারের কোষ বিভাজন ক্ষমতা নষ্ট করে ফেলে এবং প্রজনন প্রতিরোধ করতে পারে। এর মাধ্যমে টিউমার ধীরে ধীরে ছোট হয়ে আসে । ট্র্যাডিশনাল চইনিজ ওষুধ সাধারণত অপারেশন, কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপির সঙ্গে দেয়া হয়। এতে কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় না।