3 Answers
চীনজাতীয় গাছের পাতা স্বাদ ও গন্ধের জন্য সুখ্যাত। কিন্তু আসামজাতীয় গাছের পাতা রঙের জন্য বিখ্যাত। এই দুই ধরনের চা-পাতার উন্নত সংমিশ্রণের উপরই এর গুণাগুন নির্ভর করে। স্বভাবতঃই চা মিশ্রণ একটি নিপুণতা ও অত্যন্ত কঠিন কাজ। তাই এটি অভিজ্ঞ ব্যক্তির দ্বারা সম্পাদনা করতে হয়। এরূপভাবে চা মিশ্রণে নৈপুণ্যের লাভের প্রেক্ষাপটে লিপটন, ব্রুকবণ্ড প্রভৃতি চা প্রস্তুতকারক কোম্পানী বিশ্ববাজার দখল ও খ্যাতি লাভ করেছে।
অনেকে বলে চায়ের নাকি কোনও গুণ নেই!! ভুল কথা। একাধিক গবেষণায় এ কথা প্রমাণিত হয়েছে যে নিয়মিত হারবাল টি খেলে শরীর সব দিক থেকে ভালো থাকে। শুধু তাই নয়, নানা ধরনের জটিল রোগের হাত থেকে বাঁচাতেও চা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। রিফ্রেশমেন্ট-এর জন্য় তো কেউ স্বভাববশতইদিনে কয়েক কাপ চা পান করে থাকেন। আবার অফিসেরকাজেরফাঁকেএকটু এনার্জি পেতেও অনেকে গরম চায়ের পেয়ালায় চুমুক মারেন। আর যারা মনে করেন এই অভ্য়াস শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর,তাদের কথা ভেবেই এই প্রবন্ধে চায়ের এমন কিছু উপকারিতার কথা উল্লেখ করা হল যা পড়তে পড়তে যে কারও চোখ কপালে উঠতে পারে!১) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়রোজ টি-তে রয়েছে ভিটামিন সি, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।২) ক্যাফেইন-এর পরিমাণ কম থাকেকফির তুলনায় চায়ে ক্যাফেইনের পরিমাণ কম থাকার কারণে চা পান করলে কফির তুলনায় কম ক্ষতি হয়। তাই তো কফিকে টাটা বাই-বাই বলে আজ থেকেই সকাল বিকাল শুরু করুন চা পান।৩) হার্টকে ভালো রাখেলিকার চায়ে এমন কিছু এনজাইম থাকে, যা হার্টে রক্ত সরবরাহ বাড়িয়ে দিয়ে হৃদপিন্ডকে সুস্থ রাখে। তাই তো চিকিৎসকেরা দিনে কম করে দুবার লিকার চা খাওয়ার পরামর্শ দেন।৪) ক্যানসার প্রতিরোধ করেএকাদিক গবেষণায় একথা প্রমাণিত হয়েছে যেগ্রিন টি-তে এমন কিছু উপাদান থাকে যা শরীরে ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি আটকে দেয়।৫) মাইগ্রেন-এর কষ্ট কমায়এক্ষেত্রে ল্যাভেন্ডার চা খুব কাজে দেয়। আসলে এই চায়ে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট প্রপাটিজ, যা মস্কিষ্কে রক্ত চলাচল বাড়িয়ে দিয়ে মাইগ্রেন-এর যন্ত্রণাকে কমিয়ে ফেলে।৬) নার্ভ-কে শান্ত করেচায়ে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট প্রপাটিজ মস্তিষ্কে রক্ত ও অক্সিজেনের সরবরাহ বৃদ্ধি করে। ফলে নার্ভ শান্ত হয়। সেই সঙ্গে শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তিও দূর হয়।৭) যন্ত্রণা কমায়শরীরে কোথাও চোট লেগেছে? বেশ যন্ত্রণাও হচ্ছে? চিন্তা নেই এক কাপ মধু চা খেয়ে ফেলুন। দেখবেন সব কষ্ট কেমন নিমেষে কমে যাবে। আসলে মধু চা প্রদাহ হ্রাস করে। সেই সঙ্গে ক্ষতস্থানের ফোলা ভাব কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।৮) ইউ ভি রেডিয়েশন-এর হাত থেকে বাঁচায়প্রতিদিন চা পান করলে ইউ ভি রেডিয়েশন-এর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে কোষেরা রক্ষা পায়। ফলে স্কিন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে।আসলে অনেকেই আছেন যে, দিনে রাতে পাগলের মত চা না খেয়ে থাকতে পারে না। যদিও আমি দুধ চা দিনে একবার খাই আর বাকি সময় আদা, লং আর লেবু দিয়ে বানানো রং চা। কারণ সারাটাক্ষণঅফিসেথাকা হয়।এক চুমুক চায়ে দিনের শুরুটানা হলে যেন জমেই না! কাজেও যেন মন বসে না! তাই চা-টা যে কতটা জরুরি ভুমিকা পালন করে আমাদের জীবনে, তা আমার মত চা পাগলরা খুব ভালভাবেই জানেন। চা না থাকলে কী হত আমাদের, বলেন?
১. কিডনি রোগের জন্য উপকারী। ২. হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়। ৩. পোকামাকড় কামড়ালে যদি ওই স্থান চুলকায় ও ফুলে যায় তাহলে সবুজ চায়ের পাতা দিয়ে ঢেকে দিলে আরাম বোধ হয়। ৪. রক্তে কোলেস্টোরেলের মাত্রা কমায়। ৫. ডায়াবেটিসের জন্য উপকারী। ৬. এর লিকার দাঁতের ক্ষয়রোধ ও মাড়ি শক্ত করে। ৭. কাটা জায়গায় গ্রিন টির লিকার লাগালে রক্ত পড়া বন্ধ হয়। ৮. নিয়মিত চা পানে রক্ত চলাচল ভাল হয়৷ ৯. পেট পরিষ্কার রাখে আর মস্তিষ্ককে রাখে সচল ৷
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy