2 Answers
জিলহজ্ব মাসের ১০ এবং ১১ এবং কমপক্ষে ১২ তারিখের রাত মীনায় যাপন করা ওয়াজিব,কেউ যদি তা পালন না করে তাহলে তাকে কাফফারা দিতে হবে,আর তাহল একটি অতিরিক্ত কোরবানী করা। তবে যদি তার মীনায় থাকার কোন ব্যবস্থা না থাকে তাহলে তার সুবিধাজনক স্থানে সে রাত্রি যাপন করবে আর সেটা অবশ্যই মীনার আসেপাশে হতে হবে, এবং এর ফলে তার কোন কাফফারা লাগবে না।
মিনায় কি কারনে অবস্থান করেন নি। (১) সম্পদ নষ্ট হওয়ার ভয় ছিল কি? (২) নিজের জানের নিরাপত্তার অভাববোধ করছিল কি? (৩) এমন অসুস্থতা যে অবস্থায় মিনায় রাত্রি যাপন করলে তার কষ্ট বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল কি? (৪) অথবা এমন রোগী সাথে থাকা যার সেবা-শুশ্রুষার জন্য মিনার বাইরে থাকা প্রয়োজন ছিল কি? (৫) অসুস্থ ব্যক্তির সেবায় নিয়োজিত ছিল কি? মালেকী, শাফেয়ী ও হাম্বলী মাযহাবসহ অধিকাংশ বিজ্ঞ উলামাদের মতে মিনায় রাত্রিযাপন ওয়াজিব। ১০ ও ১১ই যিলহজ্জ দিবাগত রাতগুলোতে মিনায় থাকা ওয়াজিব। ১২ই যিলহজ্জ তারিখে পাথর নিক্ষেপ শেষে সূর্যাস্তের আগে মিনা ত্যাগ করতে না পারলে ঐ তারিখের দিবাগত রাতেও মিনায় থাকা ওয়াজিব হয়ে যায়। আর বিনা ওজরে এটি ছুটে গেলে দম দিতে হবে। তবে হানাফী মাযহাবে এটা সুন্নাতে মুয়াক্কাদা। আর এ সুন্নাত ছুটে গেলে দম দেয়া লাগে না।