2 Answers
কম্পিউটার ও ডেটা স্টোরেজ সহজে ক্রেতার সুবিধামতো চাহিবামাত্র এবং ব্যবহার অনুযায়ী ভাড়া দেওয়ার সিস্টেমই হলো ক্লউড কম্পিউটিং।
বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।
2842 views
Answered
ক্লাউড কম্পিউটিং হল নিজের প্রয়োজনে আরেকজনের কম্পিউটারের রিসোর্স গুলো শেয়ার করা/ভাগাভাগি করে ব্যবহার করা।হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর সার্ভিস গুলো একই বা বিভিন্ন ওয়ার্ক এর মাধ্যমে উপভোগ করা কে ক্লাউড কম্পিউটিং বলা হয় ক্লাউড কম্পিউটিং ।
তথ্য প্রযুক্তির নানা ধরনের সেবা পাওয়ার জন্য একটি প্রতিষ্ঠানকে সব সময় নানা ধরনের যন্ত্রপাতি হার্ডওয়্যার,সার্ভার ইত্যাদি কিনতে হয়।এসকল কিছু সঠিক
ভাবে ব্যবস্থাপনা ও ব্যবহার করার জন্যই লোক নিয়োগ দিতে হয়।এতে প্রতিষ্ঠানটির প্রচুর খরচ হয়।আবার কেনা যন্ত্রপাতির দাম কমে গেলে প্রতিষ্ঠানটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।এই ধরনের পরিস্থিতিতে তথ্যপ্রযুক্তি জগতে ক্লাউড কম্পিউটিং নামে ধারণার জন্ম নিয়েছে।আজকের দিনে এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধা~
☆যেহেতু এতে আলাদা কোন সফটওয়্যার কেনার প্রয়োজন হয় না বা কোন হার্ডওয়্যার এর প্রয়োজন হয় না। তাই স্বাভাবিক ভাবে খরচ কম হবেই।
☆ ক্লাউড কম্পিউটিং এর কাজ গুলো যেকোনো স্থানে বসেই মোবাইলের মাধ্যমে কন্ট্রোল করা যায় তাই এটা সহজে ব্যবহার যোগ্য। অটো সফটওয়্যার আপডেটঃ ক্লাউড কম্পিউটিং এর সফটওয়্যার গুলো আপনার আপডেট করার প্রয়োজন নেই। এগুলো অটো ভাবে আপডেট হয়ে থাকে। তাই আলাদা ভাবে এটা মেইনটেন্স এর খরচ লাগে না।
☆ক্লাউড কম্পিউটিং এ আপনি যত টুকু ব্যবহার করবেন শুধু মাত্র ততটুকুর জন্য পয়সা আপনাকে গুনতে হবে। যেটা কিনা ডেস্কটপ কম্পিউটিং এ সম্ভব না।
☆মনে করুন কোন একটা অফিসে যদি ক্লাউড কম্পিউটিং না ব্যবহার করে তবে সেই অফিসের ডকুমেন্ট সমূহ কন্ট্রোল করতে বা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নেবার জন্য আলাদা লোকের প্রয়োজন হবে কিন্তু ক্লাউড কম্পিউটিং এ সেই ধরনের কোন সমস্যা নেই। অতিরিক্ত লোক ছারাই সকল ডকুমেন্ট কন্ট্রোল করা যায়।
এক কথায় ক্লাউড কম্পিউটিং এনেছে অনন্য বিপ্লব।
2842 views
Answered