বিস্তারিত লিখলাম। ২০১৭ তে ঠোঁট কামড়ানোর অভ্যাসটা শুরু হয়েছিল। হটাৎ উপরের ঠোঁটের মাঝ অংশের চামড়া কিছুটা উঠে গেল।  একটু পোড়ালো কিন্তু গাঁয়ে মাখলাম না। ভাবলাম ঠিক হয়ে যাবে। কিছুদিন পর অনুভব করলাম নতুন চামড়া হইতেছে। আগের কামড়ানোর অভ্যাসে এটারও একই অবস্থা হলো। এভাবে চলতে থাকলো। কয়েকদিন পর আয়নাতে দেখলাম ঐ অংশের রং পরিবর্তন হয়ে গেছে মানে ঠোঁটের স্বাভাবিক রঙের চেয়ে ঐ স্থানের রং অন্য রকম ফলে খুব সহজেই দেখা যায়। ঐ থেকে বাইরে বের হলে বা অন্যদের সাথে বলা সময়ে যথাসম্ভব ঠোঁট চাপিয়ে রাখি লোকলজ্জায়। কিন্তু দুঃখজনক ব্যাপার হলো পূর্বের বদভ্যাসের কারণে চামড়া গজালেই তুলে ফেলি। আজ ২০১৯- মে মাস। মোটামুটি মার্চ মাস থেকেই বদভ্যাসটি বাদ দিয়েছি। কয়েকদিন পরে নতুন চামড়া গজালো, শক্ত হলো, শুকিয়ে গেল এবং মোটামুটি নিঃশেষ হলো। আল্লাহ্ 'র কাছে শুকরিয়া জানালাম এবং ভাবলাম- যে আর ঠোঁট চাপা দিয়ে রাখতে হবে না এখন থেকে ওপেন এ হাসতে পারবো। কিন্তু দুই দিন পরে দেখি সেই স্থানে আবার নতুন চামড়া হইতেছে। পরে আবার শুকিয়ে নিঃশেষ হলো। এইভাবে ৩-৪ বার হয়েছে। এখনো চামড়া আছে। জোর করে চামড়া আর উঠাই নি। এখন এ সমস্যা থেকে পরিত্রাণের উপায় কি? দয়া করে কেউ সাহায্য করুন।
2732 views

2 Answers

ঠোঁট শুষ্ক থাকার জন্য এবং হাত দিয়ে খোঁটানোর জন্য এ ক্ষত তৈরি হয় অনেক সময়। আপনি চেষ্টা করবেন ঠোঁটে হাত না দিতে এবং জিহ্বা দিয়ে ঠোঁট বারবার ভেজাবেন না। এতে আপনি ঠোঁট কিন্তু শুষ্ক হয়ে যায়। স্বাভাবিক ময়েশ্চারিং ক্রিম তিন-চার বার লাগালে শুষ্কতা ফিরে আসবে। আপনি চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ট্যাবলেট ফেনাডিন ১২০ মিলিগ্রাম দৈনিক তিনবার করে ১৫ দিন খাবেন। এ ছাড়া ব্যাকট্রোবেন অয়েনমেন্ট দিনে দুই বার ক্ষত স্থানে ১০ দিন লাগান। আপনার সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করছি। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন অবশ্যই। আমার পরিচিত একজনের ভাল হয়েছে এভাবেই।

2732 views

আপনি এলোভেরা জেল এবং গোলাপজল একত্রে মিশিয়ে তুলো দিয়ে প্রতিদিন ঠোটে লাগাবেন ঘুমানোর সময়। সারারাত রাখবেন এবং সকালে ধুয়ে ফেলবেন। ইনশাআল্লাহ আপনার সমস্যাটি চলে যাবে। চোটে ভ্যাসলিনের পরিবর্তে গ্লিসারিন ব্যবহার করুন। প্রতিদিন দুইবার করে ঠোটে নারিকেল তেল মালিশ করবেন। 

2732 views

Related Questions