1 Answers
সচরাচর চর্মচোখে বা দূরবীন দিয়ে চাঁদ দেখে চন্দ্র মাসের হিসাব করা হয়। তাই চন্দ্র মাসের হিসাবে বার দিন নির্ধারণের উত্তম পদ্ধতি এটাই। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আরো বলেছেন, তোমাদের যে কোন একজন চাঁদ দেখলে তা সকলের দেখা বলে গণ্য হবে এবং সে অনুযায়ী হিসাব শুরু করতে হবে। পবিত্র কুরআনে চাঁদ সম্পর্কে অনেক আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে। সময় গণনা ও মানুষের হিসাবের সুবিধার জন্য আল্লাহ তায়ালা চাঁদের গুরুত্ব বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেনঃ নিশ্চয় আল্লাহর বিধান ও গননায় মাস বারটি , আসমানসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকে। (আত-তাওবাহঃ ৩৬) তোমার নিকট তারা জিজ্ঞেস করে নতুন চাঁদের বিষয়ে। বলে দাও যে এটি মানুষের জন্য সময় নির্ধারণ এবং হজ্বের সময় ঠিক করার মাধ্যম। (বাকারাঃ ১৮৯) তিনি সূর্যকে করেছেন তেজোদীপ্ত, আর চন্দ্রকে করেছেন আলোকময় আর তার (হ্রাস বৃদ্ধির) মানযিলসমূহ সঠিকভাবে নির্ধারণ করেছেন যাতে তোমরা বৎসর গুণে (সময়ের) হিসাব রাখতে পার। আল্লাহ এটা অনর্থক সৃষ্টি করেননি, তিনি নিদর্শনগুলোকে বিশদভাবে বর্ণনা করেন জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্য। (ইউনুসঃ ৫) তুমি কি দেখ না যে, আল্লাহ রাত্রিকে দিবসে প্রবিষ্ট করেন এবং দিবসকে রাত্রিতে প্রবিষ্ট করেন? তিনি চন্দ্র ও সূর্যকে কাজে নিয়োজিত করেছেন। প্রত্যেকেই নির্দিষ্টকাল পর্যন্ত পরিভ্রমণ করে। তুমি কি আরও দেখ না যে, তোমরা যা কর, আল্লাহ তার খবর রাখেন? (লোকমানঃ ২৯) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ আল্লাহ তায়ালা এ চাঁদকে সৃষ্টি করেছেন সময় নির্ধারক হিসেবে। এটা দেখে সওম রাখ ও এটা দেখেই সওম ছাড়। যদি মেঘের কারণে চাঁদ দেখা না যায় তাহলে ত্রিশ দিন গণনা পূর্ণ কর। (সহীহ ইবনু খুযায়মাঃ ১৯০৭) [জনাব! সন্ধার পর থেকে আরবী দিন/মাস/বছর গণনা হয়।