যাদের অনেক দিন হলো বিয়ে হইছে কিন্তু বাচ্চা হচ্ছে না। আসলে তাদের কি সমস্যা। তাদের কি কোনো দিন বাচ্চা হবে না?
2628 views

3 Answers

আসলে আমাদের  বলা খুবেই মুশকিল। যারা অনেক দিন হলো বিয়ে করেছেন কিন্তু বাচ্চা  না হওয়া  কারন হলো  ইনফার্টিলিটি বা বন্ধ্যত্ব  সমস্যায় ভোগা। 

ছেলে হোক বা  মেয়ে  হোক। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে যে তার শুক্রকীটের পরিমাণ কমে যায়, শুক্রকীটের গুণাগুণ নষ্ট হয়ে যায়। আর কিছুটা রয়েছে হরমোনাল কারণ। শরীর থেকে যে হরমোন আসছে সেটা পর্যাপ্ত পরিমাণ কাজ করছে না। অথবা তার টেস্টিস যথাযথ জায়গায় নাই। হয়তো সেটি পেটের ভেতর রয়ে গেছে। অনেক মেয়েদের জরায়ু টিউমার হতে পারে। বর্তমান পেক্ষাপটে অনেকে নারীর একাধিক পুরুষের সাথে সহবাস কারার করণে জরায়ুতে ইনফেকশন হতে পারে। ফলে   বন্ধ্যাত্ব  হতে পারে ।
তবে যাদের বিবাহিত জীবনের বাচ্চা জন্মদানের ব্যর্থ তাদেরকে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে গিয়ে ডাক্তারের পরামর্শ কিছু টেস্ট করাতে হবে যেমন ছেলেটির বীর্যে পর্যাপ্ত শুক্রাণু আছে কিনা এবং মেয়েটির মাসিক হওয়ার কোন সমস্যা আছে কিনা প্রতিমাসে পরিপক্ক ডিম্বাণু তৈরি হয় কিনা ইত্যাদি কিছু টেস্টের মাধ্যমে নিশ্চিত করা যাবে যে ভবিষ্যৎ এ তারা সন্তান জন্মদান করতে পারবে কিনা। 
  • আশা করি আপনাকের সাহায্য করতে পেরেছি
2628 views

বাচ্চা না হওয়ার কারণ

বর্তমান লাইফস্টাইলই এর জন্য দায়ী। খাওয়া-দাওয়ার অনিয়ম, সুস্থ পরিবেশে থাকার অভাব, অবাধ যৌনজীবনই বন্ধ্যাত্বের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই চিকিৎসকদের সর্বপ্রথম পরামর্শ, সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলে সুস্থ জীবনযাপন করা অত্যন্ত জরুরি। নাহলে সংসারে নতুন সদস্য আনার প্ল্যান মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলাই শ্রেয়।

বয়স: সন্তান ধারণে বয়স একটা বড় ফ্যাক্টর। ২০ বছর বয়সে আপনি কী রকম জীবনযাপন করছেন, তা এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করে। ৩৫ বছরের মধ্যে মহিলারা গর্ভধারণ করতে পারলেই তা স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল। ছেলেদের ক্ষেত্রে সেই বয়সটা ৪০-এর মধ্যে।

ওজন: অতিরিক্ত বেশি কিংবা অতিরিক্ত কম ওজন বন্ধ্যাত্বের অন্যতম কারণ হতে পারে। কম ওজন হলে মহিলাদের হরমোনের ব্যালেন্স সঠিক থাকে না। ফলে গর্ভধারণে সমস্যায় পড়তে হয়। একই অসুবিধা হয়ে থাকে পুরুষদের ক্ষেত্রেও।

ধূমপান: শ্বাসকষ্ট তো বটেই, ধূমপান ক্যানসারের মতো মারণরোগও ডেকে আনে। কিন্তু জানেন কি, ধূমপান মহিলাদের সন্তান ধারণের ক্ষমতা কমিয়ে দেয়? সিগারেট শরীরের ফ্যালোপাইন টিউবকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। যা ডিম্বানু গর্ভে মসৃণভাবে পৌঁছাতে পারে না। এদিকে ধূমপান পুরুষদের স্পার্ম কাউন্ট কমিয়ে দেন। তাই সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলে ধূমপান ত্যাগ করুন।

মদ্যপান: মদ্যপান ঠিক কীভাবে সন্তান ধারণে সমস্যায় ফেলে, তা নিয়ে এখনও গবেষণা চলছে। তবে গবেষকদের মতে, বন্ধ্যাত্ব থেকে দূরে থাকতে মদ্যপান ছেড়ে দেয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। পুরুষ ও মহিলা উভয়ের ক্ষেত্রেই বিষয়টি প্রযোজ্য। মদ্যপান পুরুষদের স্পার্মের গুণাগুণ নষ্ট করে।

মানসিক চাপ: মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা নানাভাবেই শরীরে খারাপ প্রভাব ফেলে। এ থেকে হার্টের অসুখ, অ্যাজমা-সহ মানসিক রোগও হতে পারে। শুধু তাই নয়, বন্ধ্যাত্বের অন্যতম কারণও দুশ্চিন্তা। মানসিক চাপ পুরুষদের স্পার্ম কাউন্ট ও স্পার্মের গুণাগুণ নষ্ট করে। এক্ষেত্রে মহিলাদের ডিম্বস্ফোটনে সমস্যা হয়।

বি.দ্র. যদি কারো উল্লিখিত সমস্যা হয়। আর সেগুলোর উপসর্গ যদি এমন হয়- মেন্সের সময় পেট ও কোমর অত্যন্ত ব্যথা হয় এবং মেন্স নিয়মিত না হয়, তাহলে সেটাকে আঞ্চলিক ভাষায় বাদক বলে। এ ধরণের সমস্যা হলে এ নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন- 01742050206

2628 views

সাধারনত কোন দম্পত্তি ৬ মাস থেকে ১ বছর পর্যন্ত প্রটেকশন ছাড়া সহবাস করলেও যদি বাচ্চা না আসে তাহলে তাদের ১ জন বা উভয় অক্ষম বলে বিবেচিত হয়। এক্ষত্রে ছেলেটির বীর্যে পর্যাপ্ত শুক্রাণু না থাকা,শুক্রাণু গড়ন বিকৃতি,বীর্যপাত পশ্চাৎ মুখী হওয়া। নারীর ক্ষেত্রে ডিম্পপাতে ব্যর্থতা,জরুতে টিউমার,শুক্রাণু জরায়ুতে আসতে না দেওয়া ইত্যাদি। এমতাবস্থায় চিকিৎসা নেওয়া দরকার যদি এতেও কিছু না হয়। **তবে "আইভিএফ" পদ্ধতিতে বাচ্চা নেওয়া যাবে যদিও এটি ব্যয়বহুল চিকিৎসা পদ্ধতি।**

2628 views

Related Questions