শরীরে লালা বর্ণের ফোটা ফোটা দাগ হয়েছে, সেখানে অনেক চুলকায়, প্রাকৃতিক উপায়ে কিভাবে পরিত্রান পেতে পারি?
2837 views

3 Answers

প্রথমে আপনাকে বুঝতে হবে যে আপনার কিসে এলার্জি তারপর আপনাকে বিবেচনা করতে হবে। যদি আপনার কোন খাবারে এলার্জি থাকে তাহলে তা পরিহার করুন। যদি ধুলাবালি থেকে হয় তাহলে দূরে থাকুন। তবেও আপনার সাধারণত ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

2837 views

পারমিন নামে এক ধরনের ক্রিম আছে এটা ব্যবহার করতে পারেন

2837 views

১। নারকেল তেল নারকেল তেল ত্বকে ব্যবহারের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ পণ্য। যে কোন প্রকার চুলকানি, পোকার কামড় বা অন্য কোন কারণে ত্বকে চুলকানি হলে যেখানে চুলকাবে সেখানে নারকেল তেল দিয়ে দিন। যদি সম্পূর্ণ শরীরে চুলকানি হয় তবে পুরো শরীরে নারকেল তেল মাখতে পারেন। কুসুম গরম পানিতে নারকেল তেল মিশিয়ে গোসলও করে ফেলতে পারেন। ২। পেট্রোলিয়াম জেলি যদি আপনি সেনসিটিভ ত্বকের অধিকারী হন তবে পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করতে পারেন। এর কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। শরীরের কোন অংশে চুলকানি হলে আপনি পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করতে পারেন। এটি সবার ঘরেই থাকে, ফলে যেকোন সময়ই আপনি এটি ব্যবহার করতে পারবেন। ৩। বেকিং সোডা চুলকানি প্রতিরোধে বেকিং সোডা অনেক বেশি কার্যকরী। পানি ও বেকিং সোডা দিয়ে পেষ্ট তৈরি করে নিন। এক অংশ পানির মধ্যে ৩ অংশ বেকিং সোডা দিতে হবে। তারপর চুলকানির জায়গায় এই পেষ্ট লাগান। দেখবেন চুলকানি অনেক কমে গেছে। বেকিং সোডা দিয়ে গোসলও করতে পারেন। এক্ষেত্রে বড় এক বালতি পানিতে ১/২ কাপ বেকিং সোডা মেশাতে হবে। বেকিং সোডা মেশানো পানিতে কমপক্ষে ৩০ মিনিট শরীর ভিজিয়ে রাখার পর শরীর পানি দিয়ে না ধুয়ে শুকিয়ে ফেলতে হবে। এতে পুরো শরীরের চুলকানি দূর হয়ে যাবে। ৪। অ্যালোভেরা সৌন্দর্য চর্চায় অ্যালোভরার উপকারিতার কথা আমাদের সবার জানা। চুলকানি প্রতিরোধ করতেও অ্যালোভরার অনেক কার্যকরী। একটি তাজা অ্যালোভেরা পাতা থেকে রস বের করে চুলকানির স্থানে লাগান। চুলকানি দ্রুত কমে যাবে। ৫। লেবু ভিটামিন সি সমৃদ্ধি লেবুতে আছে ব্লিচিং উপাদান যা ত্বকের চুলকানি রোধ করে থাকে। ত্বকের যে স্থানে চুলকানি অনুভূত হচ্ছে সেস্থানে লেবুর রস লাগিয়ে শুকিয়ে নিন। কিছুক্ষণের মধ্যে দেখবেন চুলকানি গায়েব।

2837 views

Related Questions