3 Answers
ডিস্প্লেতে হরিজন্টালি ও ভার্টিকালি যত গুলো পিক্সেল আছে সব গুলোকে একত্রে রেজুলেশন বলে। এটাই মূলত ক্যামেরার রেজুলেশন। পিক্সেলের সংখ্যা যদি বেশি হয় তাহলে রেজুলেশন ভালো। অর্থাৎ ছবির কোয়ালিটিও ভালো হবে।
ডিসপ্লে পর্দা বা স্ক্রিনে প্রদর্শিত ছবির সূক্ষ্মতা (Sharpness) কে রেজুলেশন বলে। স্ক্রিনের প্রতি ইঞ্চিতে যত বেশি পিক্সেল থাকবে ছবি তত বেশি সূক্ষ্ম হবে। Resolution = Vertical Pixel × Horizontal Pixel যেমন; ছবিতে প্রদর্শিত মনিটরের ভার্টিক্যাল পিক্সেল ৭৬৮ এবং হরাইজন্টাল পিক্সেল ১০২৪। সুতরাং মনিটরটির রেজুলেশন = ৭৬৮ × ১০২৪ = ৭৮৬,৪৩২।
প্রতি একক ক্ষেত্রফলে মোট যতগুলো পিক্সেল প্রদর্শিত হবে তাকে একত্রে রেজুলেশন বলে।
রেজুলেশন দুই দিক দিয়া বিবেচনা করা হয়।
১। মোট পার্মানেন্ট রেজ্যুলেশন ক্ষমতা।
২। মোট প্রদর্শিত রেজ্যুলেশন।
একটি উদাহরন দিয়া বলি।
ধরি একটি মনিটরে সর্বোচ্চ মোট যতগুলো পিক্সেল তৈরির ক্ষমতা থাকে তাকে পার্মানেন্ট রেজুলেশন বলে। যেমন ১৮৫০ * ৭৮০ পিক্সেল। এর মানে ঐ মনিটর টোটাল এতগুলো ডট পিক্সেল প্রদর্শন করতে পারে।
এখন ধরুন আপনি ফোন দিয়া একটা ফটো তুললেন।
ধরুন ৩২০ * ২৪০ অর্থাত ছবিতে মোট এতগুলো পিক্সেল আছে।
তাহলে ছবিটি ছোট মনিটর ৩২০*২৪০ পিক্সেলের মনিটরে ফিট হয়ে প্রকৃত ছবিরুপ ফুটিয়ে তুলবে(কালার গত স্বচ্ছতা নয়)
এখন ছবিটি উপরে বর্নিত বড় মনিটরে ওফেন করলে যদি মনিটরের পার্মানেন্ট রেজুলেশন এর সাথে ফিট করেন তাহলে ছবিটি জুম হয়ে ছবির ১ পিক্সেলের ভেতর মনিটরের অনেকগুলো পিক্সেল ঢুকে পড়বে কিন্তু ডট ফিক্সেল গুলো ভিন্ন ভাবে প্রজ্জলিত না হয়ে ছবির একটি পিক্সেল যে কালার প্রদর্শন করত সেই কালার প্রদর্শন করবে। ফলে ছবি ফাটা লাগবে।
কাজেই মনিটরের পার্মানেন্ট রেজুলেশন এর গুরুত্ব থাকলেও ছবি জেনারেটিং ডিভাইস যেমন ক্যামেরার রেজুলেশন বেশি গুরুত্বের