রোযা রাখা যাবে কি?
আমি ৫-৬ দিনের বেশি থাকতে পারিনা হস্তমইথুন না করে,পাগল হয়ে গেছিলাম কয়েকদিন ধরে,ইফতারের পর, হস্তমৈথুন করে গোসল করিনি,নাপাকি জায়গা ধৌত করেছি,অযু করেছি
But এখন আফসোস লাগতেছে,কালকের রোযা টা ও মিস করতে চাচ্ছিনা!!
এখন আমি জানতে চাচ্ছি,আমি কি করলে কালকে রোযা থাকতে পারব।
বা আমি এই অবস্থায় কি রোযা রাখতে পারব
4 Answers
হাত মারার কারণে গোসল যদি ফরজ হয় তাহলে রোজা বা অন্য ইবাদাত করতে হলে গোসল করতে হবে।কেননা পবিত্রতা ঈমানের অঙ্গ।
হ্যা । আপনি রোযা রাখতে পারবেন । এতে রোযার কোন সমস্যা হবে না । তবে ফরয গোসল না করে নামায পরতে পারবেন না । আর নাপাক অবস্থায় থাকা তো কোন বুদ্ধিমানের কাজ না ।
হ্যা, রোযা রাখতে পারবেন। তবে সেহরীর শেষ সময় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত এরুপ করলে, রোযা ভেঙ্গে যাবে। আর, এখন আপনি যতদূর সম্ভব পবিত্র হোন। কেননা, সারাদিনে রোযা হচ্ছে এক ফরয, আর সারাদিনে নামায হচ্ছে ৫ ওয়াক্ত তথা ৫ ফরয। এছাড়া, এই কু-অভ্যাস পরিহার করুন। কেননা, এটা যেমন হারাম, তেমনি স্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর।
রোজা যদি আপনার উপর ফরজ হয় তাহলে রোজা রাখতে হবে, শুধু ইচ্ছাশক্তি থাকলে আপনি রোজা থাকতে পারবেন। রোজা রাখা মনের ইচ্ছাশক্তি দরকার।তাহলে রোজা রাখতে পারবেন। ইসলাম ধর্মের পাঁচটি স্তম্ভের দ্বিতীয়টি হলো রোজা। রোজার কিছু মৌলিক আচার আছে। যা ফরজ বলে চিহ্নিত। অন্যদিকে, ইসলাম কোনো ক্ষেত্রেই জোরজবরদস্তি করে না। রোজার ক্ষেত্রেও তাই। সুস্থ-সবল প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিমকে অবশ্যই রোজা রাখতে হবে। কিন্তু শারীরিক অসমর্থতার কারণে সে এ দায়িত্ব থেকে আপাতভাবে মুক্তি পেতে পারে। এর প্রতিবিধানে রয়েছে কাজা ও কাফফারার বিধান। ইসলাম নিজেকে সরল পথ বলে দাবি করে। তাই আচারিকভাবে সকল অবস্থা বিবেচনায় করা হয়। নিচে রোজার ফরজ ও শর্তগুলো দেওয়া হলো- রোজার ৩ ফরজ : নিয়ত করা সব ধরনের পানাহার থেকে বিরত থাকা যৌন আচরণ থেকে বিরত থাকা। রোজা রাখার ৪ শর্ত : মুসলিম হওয়া বালেগ হওয়া অক্ষম না হওয়া ঋতুস্রাব থেকে বিরত থাকা নারী। রোজা ভঙ্গ হইলে সম্পাদনা বিনা কারণে রোজা ভঙ্গ করলে তাকে অবশ্যই কাজা-কাফফারা উভয়ই আদায় করা ওয়াজিব। যতটি রোজা ভঙ্গ হবে, ততটি রোজা আদায় করতে হবে। কাজা রোজা একটির পরিবর্তে একটি অর্থাৎ রোজার কাজা হিসেবে শুধু একটি রোজাই যথেষ্ট। কাফফারা আদায় করার তিনটি বিধান রয়েছে। একটি রোজা ভঙ্গের জন্য একাধারে ৬০টি রোজা রাখতে হবে। কাফফারা ধারাবাহিকভাবে ৬০টি রোজার মাঝে কোনো একটি ভঙ্গ হলে আবার নতুন করে শুরু করতে হবে। যদি কারও জন্য ৬০টি রোজা পালন সম্ভব না হয় তাহলে সে ৬০ জন মিসকিনকে দুই বেলা খানা দেবে। অপর দিকে কেউ অসুস্থতাজনিত কারণে রোজা রাখার ক্ষমতা না থাকলে ৬০ জন ফকির, মিসকিন, গরিব বা অসহায়কে প্রতিদিন দুই বেলা করে পেটভরে খানা খাওয়াতে হবে। গোলাম বা দাসী আজাদ করে দিতে হবে। যেসব কারণে রমজান মাসে রোজা ভঙ্গ করা যাবে কিন্তু পরে কাজা করতে হয় তা হচ্ছে; মুসাফির অবস্থায়। রোগ-ব্যাধি বৃদ্ধির বেশি আশঙ্কা থাকলে। মাতৃগর্ভে সন্তানের ক্ষতির আশঙ্কা থাকলে। এমন ক্ষুধা বা তৃষ্ণা হয়, যাতে মৃত্যুর আশঙ্কা থাকতে পারে। শক্তিহীন বৃদ্ধ হলে। কোনো রোজাদারকে সাপে দংশন করলে। মহিলাদের মাসিক হায়েজ-নেফাসকালীন রোজা ভঙ্গ করা যায়। যেসব কারণে শুধু কাজা আদায় করতে হয় (অর্থাৎ একটির পরিবর্তে একটি) : স্ত্রীকে চুম্বন বা স্পর্শ করার কারণে যদি বীর্যপাত হয়। ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করলে। পাথরের কণা, লোহার টুকরা, ফলের বিচি গিলে ফেললে। ডুশ গ্রহণ করলে। বিন্দু পরিমান কোন খাবার খেলে তবে অনিচ্ছাকৃত ভাবে বা মনের ভুলে যা খাওয়াই হোক না কেন রোজা ভাংবে না তবে মনে আসলেই তাকে তৎক্ষণাৎ খাবার খাওয়া বন্দ করে দিতে হবে। নাকে বা কানে ওষুধ দিলে (যদি তা পেটে পেঁৗছে)। মাথার ক্ষতস্থানে ওষুধ দেওয়ার পর তা যদি মস্তিষ্কে বা পেটে পেঁৗছে। যোনিপথ ব্যতীত অন্য কোনোভাবে সহবাস করার ফলে বীর্য নির্গত হলে। স্ত্রী লোকের যোনিপথে ওষুধ দিলে। (কপিরাইট ইন্টারনেট ওয়েবপেইজ)