7 Answers

যে কোন সুদ খাওয়াই হারাম ।

3006 views

ইসলামে সুদ সম্পূর্ণ হারাম|আপনি যেই জিনিসের উপর সুদ গ্রহণ করেন না কেন তা হারাম বলে বিবেচিত|আর সুদের পরিনতি খুবই মারাত্নক|তাই সার্বিক দিক বিবেচনা করে সুদ গ্রহণের সিদ্ধান্ত থেকে বিরত থাকুন|

3006 views

না, ইসলামের নিয়ম অনুযায়ী আপনি সুদ নিতে পারবেন না।

3006 views

না যাবেনা না। 

কারন সুদ সর্বভাবে হারাম।


>>>> পবিত্র কুরআনে <<<<

১. প্রথম ওহি (সূরা আল-রুম, আয়াতঃ ৩৯): অর্থাৎ মানুষের

ধনসম্পদে তোমাদের সম্পদ বৃদ্ধি পাবে, এ আশায় যা কিছু

তোমরা সুদ দিয়ে থাকো, আল্লাহর কাছে তা বর্ধিত হয়

না। পক্ষান্তরে, আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য যা কিছু

তোমরা জাকাতরূপে দিয়ে থাকো, আল্লাহর কাছে জাকাত

প্রদানকারীরাই বর্ধিত সম্পদ প্রদত্ত হবে।

২. দ্বিতীয় ওহি (সূরা আন নিসা, আয়াতঃ ১৬১): অর্থাৎ

আর (ইহুদিদের জন্য আমি অনেক উপাদেয় বস্তু হারাম

করে দিয়েছি) তাদের সুদ গ্রহণের কারণে, অথচ

তা তাদের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছিল এবং তাদের

অন্যায়ভাবে মানুষের ধনসম্পদ গ্রাস করার কারণে। আর

আমি তাদের মধ্য হতে কাফেরদের জন্য প্রস্তুত

রেখেছি যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।

৩. তৃতীয় ওহি (সূরা আল ইমরান, আয়াতঃ ১৩০-১৩২):

আয়াত ১৩০: অর্থাৎ হে ঈমানদারগণ! তোমরা সুদ

খেয়ো না চক্রবৃদ্ধি হারে, তোমরা আল্লাহকে ভয় করো,

যাতে তোমরা সফলতা লাভ করতে পারো।

আয়াত ১৩১: আর তোমরা সে আগুন থেকে বেঁচে থাকো,

যা প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে কাফেরদের জন্য।

আয়াত ১৩২: আর তোমরা আনুগত্য করো আল্লাহর

এবং রাসূলের যাতে তোমাদের প্রতি অনুগ্রহ করা হয়।

৪. চতুর্থ ওহি (সূরা আল বাকারা, আয়াতঃ ২৭৫-২৮১):

আয়াত ২৭৫: যারা সুদ খায় তারা দাঁড়াবে ওই ব্যক্তির

মতো যাকে শয়তান স্পর্শ করে মোহাবিষ্ট করে দেয়। এ

অবস্থা তাদের এ জন্য যে তারা বলে,

‘বেচাকেনা তো সুদেরই মতো’। অথচ আল্লাহ

বেচাকেনাকে বৈধ করেছন এবং সুদকে অবৈধ করেছেন।

যার কাছে তার পালনকর্তার তরফ থেকে উপদেশ

এসেছে এবং সে নিবৃত্ত হয়েছে,

তবে পূর্বে যা হয়ে গেছে তা তার, আর তার

ব্যাপারে আল্লাহর কাছে সোপর্দ। কিন্তু যারা পুনরায়

সুদ নেবে, তারাই দোজখবাসী, তারা সেখানে চিরকাল

থাকবে।

আয়াত ২৭৬: আল্লাহ সুদকে নিশ্চিহ্ন করেন

এবং দানখয়রাতকে বর্ধিত করেন। আল্লাহ কোনো অকৃতজ্ঞ

পাপিকে পছন্দ করেন না।

আল্লাহ সুদকে বর্জন করার জন্য অনেক আয়াত নাযিল করেছেন।

তাই সুদ বর্জন করা উচিত।

3006 views

এক কথায় ইসলাম এ বলে সুদ হারাম। 

কুললু কারদিন জাররা নাপআন পাহুয়া রিবা।( জামি সগির)

যে ঋণ   কোনো লাভ নিয়ে আসে তাই সুদ এর  অর্থ।

3006 views

যেকোন সুদ খাওয়া হারাম কাজ,তাই সুদ খাওয়া ঠিক হবে না।

3006 views
একটি সুখী ও সমৃদ্ধিশালী সুন্দর সমাজ গড়তে ইসলামে কিছু জিনিসকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। যেগুলো দৃশ্যত মানব জাতির জন্য কল্যাণকর মনে হলেও আসলে তা মানব সমাজে বিশৃঙ্খলা বিস্তারের শক্ত হতিয়ার। মানব জাতিকে আর্থিক ও চারিত্রিক ধ্বংসের মুখ থেকে রক্ষা করতে ইসলামে যে কটি জিনিসকে নিষিদ্ধ করেছে তার অন্যতম একটি হচ্ছে সুদ।


হাদিসে ইরশাদ হয়েছে: হযরত জাবির (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত,তিনি বলেন,রাসূল (সাঃ) সুদ গ্রহীতা,দাতা ও সুদি লেনদেনের সাক্ষী সবার ওপর লানত করেছেন।(মুসলিম:হা/৪১৩৮)


কোরআনে ইরশাদ হয়েছে: আল্লাহ তায়ালা সুদকে ধ্বংস করে দেন এবং দান সাদকাকে বৃদ্ধি করে দেন। আল্লাহ তায়ালা কোনো অকৃতজ্ঞ পাপীকে ভালোবাসেন না। (সূরা:বাকারা-আয়াত:২৭৬)
3006 views

Related Questions