আরো ভালো। যদি গাজর রান্না করা বা কাটা হয়,
তখন এর মধ্যে থাকা পুষ্টি উপাদানগুলো শরীরে
আরো বেশি কাজ করে।
রান্না করা গাজরের মধ্যে ক্যারোটিনোয়েডস
থাকে। ক্যারোটিনোয়েড যেহেতু চর্বিতে দ্রবণীয়
উপাদান, তাই এটি তেল-চর্বি দিয়ে রান্না করে
খেলে দেহের রক্তে ক্যারোটিনোয়েডের শোষণ এক
হাজার শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। গাজরে উচ্চ পরিমাণে
বিটা ক্যারোটিন পাওয়া যায়। এটি লিভারে গিয়ে
ভিটামিন-এ-তে রূপান্তরিত হয়, যা চোখের রোগ
প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
গাজর ক্যানসার প্রতিরোধক। গবেষণায় দেখা গেছে,
গাজর ফুসফুস ক্যানসার, স্তন ক্যানসার,
ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদান্ত্রের (কোলন) ক্যানসার রোধ
করে।
গাজরের মধ্যে থাকা বিটা ক্যারোটিন অ্যান্টি-
অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে
সঙ্গে আমাদের শরীরে কোষ নষ্ট হয়। এটি কোষের
ক্ষতির পরিমাণ কমিয়ে দেয়। এর মধ্যে থাকা
অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও ভিটামিন-এ ব্রণ হওয়া
এবং চামড়া ঝুলে পড়া রোধ করে।
গাজর হৃদরোগ প্রতিরোধ করে। বিটা ক্যারোটিন,
আলফা ক্যারোটিন, ও লিউটিন দেহের
কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। এতে
সলিউবল ফাইবার থাকে। দুটি একসঙ্গে মিলে রক্তে
কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমিয়ে দেয়।
বডির টক্সিক বা বিষাক্ত উপাদান বের করে দিতে
সাহায্য করে। দেহে চর্বির পরিমাণ কমিয়ে দেয়। এর
মধ্যে থাকা মিনারেলগুলো দাঁতের ক্ষয় রোধ করে।
দাঁতের ক্ষয়ের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়াগুলোর কাজে
বাধা দেয়।